Advertisement

Modi and Trump Meeting: ফের মোদী-ট্রাম্প বৈঠকের সম্ভাবনা শীঘ্রই, সম্ভবত জুনে

দু’জন নেতার শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া প্রথম বিশ্বনেতাদের মধ্যে একজন ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পপ্রধানমন্ত্রী মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 20 May 2026,
  • अपडेटेड 10:43 AM IST
  • ভারত জি-৭ গোষ্ঠীর স্থায়ী সদস্য নয়
  • মোদী-ট্রাম্প শেষবার সাক্ষাত্‍ ২০২৫ সালে
  • ভারত-পাকিস্তান তিক্ততা ও ট্রাম্পের দাবি

বিশ্ব রাজনীতিতে এমন কিছু নেতার জুটি রয়েছে, যাঁদের সাক্ষাৎ মানেই আন্তর্জাতিক মহলে আলাদা আগ্রহ ও জল্পনা তৈরি হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই তালিকার অন্যতম। গত বছর হোয়াইট হাউসে তাঁদের বহুল আলোচিত বৈঠকের পর থেকে নানা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও দু’জনের আর মুখোমুখি হওয়া হয়নি। তবে আগামী মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা G7 Summit-এ সেই অপেক্ষার অবসান হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ভারত জি-৭ গোষ্ঠীর স্থায়ী সদস্য নয়

যদিও ভারত জি-৭ গোষ্ঠীর স্থায়ী সদস্য নয়, তবুও বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে প্রায় প্রতি বছরই এই সম্মেলনে অংশ নেয়। এ বছর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের ইভিয়ান-লে-ব্যাঁ শহরে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠক বা ‘পুল-অ্যাসাইড মিটিং’ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ট্রাম্পের রাজনৈতিক আচরণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধরনকে মাথায় রাখলে, শেষ মুহূর্তেও নাটকীয় কিছু ঘটতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।

মোদী-ট্রাম্প শেষবার সাক্ষাত্‍ ২০২৫ সালে

দু’জন নেতার শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া প্রথম বিশ্বনেতাদের মধ্যে একজন ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেই বৈঠকে ট্রাম্প মোদিকে 'গ্রেট ফ্রেন্ড' বলে উল্লেখ করেছিলেন। পাশাপাশি ভারত ও আমেরিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও স্থির হয়েছিল। যদিও সেই সময় দুই দেশের মধ্যে শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত টানাপোড়েনও ছিল আলোচনার কেন্দ্রে।

ভারত-পাকিস্তান তিক্ততা ও ট্রাম্পের দাবি

কিন্তু মে মাসে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলে যায়। পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের আবহে ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেন, তাঁর হস্তক্ষেপ এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত চাপের ফলেই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রায় সর্বত্রই তিনি বলতে থাকেন, তিনি নাকি দুই পরমাণু শক্তিধর দেশকে বড় সংঘর্ষ থেকে ফিরিয়ে এনেছেন।

Advertisement

পাকিস্তান প্রকাশ্যে ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করলেও ভারত সেই দাবি সরাসরি খারিজ করে দেয়। নয়াদিল্লির বক্তব্য ছিল, যুদ্ধবিরতি বা উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীও স্পষ্ট বার্তা দেন, কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে জি-৭ সম্মেলনে মোদী ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য সাক্ষাৎ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন তাৎপর্য তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাণিজ্যিক মতপার্থক্য থেকে শুরু করে কূটনৈতিক অস্বস্তি, বিভিন্ন ইস্যুতে সম্পর্কের বরফ গলানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে এই বৈঠকে। তবে সেই সাক্ষাৎ আদৌ হয় কি না এবং হলেও তার ফল কতটা ইতিবাচক হয়, এখন সেদিকেই নজর কূটনৈতিক মহলের।

Read more!
Advertisement
Advertisement