Advertisement

Nepal Flood: ভেসে যাচ্ছে ব্রিজ, ভাঙছে বহুতল বাড়ি; নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

Nepal Flash Flood: Nepal Flash Flood: আচমকা হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। উত্তর নেপালের রাসুয়া জেলায় বানের জেরে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৮ জনের। নিখোঁজ আরও বহু মানুষ।

নেপালে হড়পা বানে ভয়াবহ পরিস্থিতিনেপালে হড়পা বানে ভয়াবহ পরিস্থিতি
Aajtak Bangla
  • কাঠমাণ্ডু,
  • 26 Aug 2026,
  • अपडेटेड 2:59 PM IST
  • রোদ ঝলমলে সকালে আচমকা হড়পা বানে বিপর্যয় নেমে এল মন্দিরের দেশে।
  • রাসুয়া জেলায় এই বানের জেরে ভেসে গিয়েছে গ্রাম, ঘর-বাড়ি, গাড়ি এমনকি রাস্তাঘাটও।
  • ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৮ জনের।

ভয়াবহ বন্যার কবলে নেপাল। রোদ ঝলমলে সকালে আচমকা হড়পা বানে বিপর্যয় নেমে এল মন্দিরের দেশে।  বুধবার তিব্বত সীমান্তের কাছে উত্তর নেপালের রাসুয়া জেলায় এই বানের জেরে ভেসে গিয়েছে গ্রাম, ঘর-বাড়ি, গাড়ি এমনকি রাস্তাঘাটও।  ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৮ জনের। পাশাপাশি নিখোঁজ হয়েছেন আরও ৯ জন। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। 

জানা গিয়েছে, কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত হড়পা বানের কবলে পড়া এই রাসুয়া জেলায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বাস। এই জেলার মধ্যে দিয়েই বয়ে গেছে ভোতেকোশি নদী। বুধবার সকালেই কোনও পূর্বাভাস ছাড়াই আচমকা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পায়। নদী উপচে এসে জল হু হু করে ঢুকতে থাকে আশেপাশের গ্রামে। বানের তোড়ে ভেসে গিয়েছে ঘরবাড়ি,বাজার, একের পর এক গাড়ি।

যদিও এত জল কীভাবে আচমকা চলে এল তা এখনও স্পষ্ট নয়। নেপালের বন্যা বিভাগের তরফে বলা হয়েছে,  রাসুয়ায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই হড়পা বান আসেনি। যদিও স্যাটেলাইট ছবিতে তিব্বত অংশে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত দেখা গিয়েছে। তিব্বত থেকেই আচমকা জল চলে এসেছি কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উত্তর গয়া গ্রাম পুরসভার অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি  চামেলি গুরুং জানিয়েছেন,স্যাফ্রুবেসি, বেতাবতী, মাইলুং, সল্লেতার এবং শান্তি বাজার সহ প্রায় এক ডজন বসতি ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে বাজার এলাকাগুলি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।  নুয়াকোট, ধাদিং, গোর্খা এবং চিতওয়ান জেলার নদী তীরবর্তী এলাকাগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে নদীর জল আচমকাই এতটা বেড়ে যায়, যে  নদীর উপরে থাকা একটি ব্রিজকে মুহূর্তের মধ্যে ভাসিয়ে নিয়ে যায় জল। একইসঙ্গে আশেপাশের বিল্ডিংগুলিও ভয়ঙ্কর ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ ত্রাণের জন্য ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং নেপাল পুলিশকে অবিলম্বে জরুরি নির্দেশ দিয়েছে। নেপালের দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের তরফে লোকজনকে সরিয়ে নিতে এবং SMS-এর মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠাতে শুরু করেছে। নদী তীরবর্তী রাস্তাগুলিতো গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও, পর্যটকদের বন্যা কবলিত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিহার নিয়ে চিন্তা

অতীতে দেখা গিয়েছে, নেপালের এমন বন্যার ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে এদেশেও। বিশেষ করে বিহার নিয়ে চিন্তা শুরু হয়েছে। কারণ, ভোতেকোশি নদী ত্রিশূলী নদীতে মিলিত হয়েছে, যা আবার গন্ডক নদী রূপে ভারতে প্রবেশ করেছে। ফলে সতর্ক রয়েছে বিহারের ওই নির্দিষ্ট এলাকার জেলা প্রসাসনগুলি।

Read more!
Advertisement
Advertisement