Advertisement

Nepal PM Balendra Shah: নেপালও ভারতের জমি দখল করে রেখেছে! বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি প্রধানমন্ত্রী বালেনের

ভারত-নেপাল সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের (Balendra Shah)। কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরা ইস্যুতে দুই দেশই কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার পথে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভারত নেপাল বর্ডার নিয়ে মুখ খুললেন বালেন শাহ।ভারত নেপাল বর্ডার নিয়ে মুখ খুললেন বালেন শাহ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 31 May 2026,
  • अपडेटेड 8:47 PM IST
  • ভারত-নেপাল সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।
  • লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরা ইস্যুতে দুই দেশই কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার পথে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন।
  • তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।

ভারত-নেপাল সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ (Balendra Shah)। কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরা ইস্যুতে দুই দেশই কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার পথে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, শুধু ভারত নয়, নেপালও কিছু ক্ষেত্রে ভারতের জমি দখল করে রয়েছে। ফলে তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।

রবিবার নেপালের সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শাহ জানান, দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিবাদ মেটাতে ভারত ও নেপাল পরস্পরকে কূটনৈতিক নোট পাঠিয়েছে। সেই নোটের জবাবও দেওয়া হয়েছে। দুই দেশই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

লিপুলেখ-কালাপানি 
ভারত এবং নেপালের মধ্যে বহু বছর ধরেই কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ভারত এই অঞ্চলগুলিকে উত্তরাখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। অন্য দিকে, নেপালও ওই এলাকাগুলির উপর নিজেদের অধিকার দাবি করে এসেছে।

এই বিতর্কিত অঞ্চলগুলি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে শাহ বলেন, নেপাল সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারতের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছে। তাঁর কথায়, দুই দেশ ইতিহাসবিদ, জরিপ বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধানের বিষয়ে একমত হয়েছে।

'দুই দেশই একে অপরের জমি দখল করেছে'
প্রধানমন্ত্রী শাহর মন্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল এই স্বীকারোক্তি। তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু এই নয় যে ভারত নেপালের জমি দখল করেছে। নেপালও ভারতের কিছু জমি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে দাবি করেন তিনি।

শাহ জানান, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বিভিন্ন নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখার সময় তিনি এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তাই আবেগ নয়, তথ্যের ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত বলেই তাঁর মত।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সীমান্ত সমস্যা শুধুমাত্র বর্তমান সময়ের নয়। এর শিকড় ব্রিটিশ ভারতের আমল পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের সময়কার সীমান্ত নির্ধারণ এবং মানচিত্র নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে।

Advertisement

এই কারণেই নেপাল শুধু ভারতের সঙ্গেই নয়, চিন এবং ব্রিটেনের সঙ্গেও কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ করেছে বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজতে গেলে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান
সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ জানান, ভারত এবং চিন; দুই দেশকেই নেপাল কূটনৈতিক নোট পাঠিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই জবাবও এসেছে। আলোচনার টেবিলে বসে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সীমান্ত বিতর্ক নিয়ে শাহর এই অবস্থান নেপালের প্রচলিত রাজনৈতিক বক্তব্যের তুলনায় কিছুটা আলাদা। কারণ অতীতে এই বিষয়টি প্রায়শই ভারত-বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উপরই জোর দিচ্ছেন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement