Advertisement

Iran US talks: ইসলামাবাদে আমেরিকার মুখোমুখি হবে না ইরান, পাকিস্তানের মধ্যস্ততায় আদৌ শান্তি ফিরবে?

আমেরিকার সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় 'না' বলেছে ইরান। তারা পাকিস্তানের মাধ্যমেই আলোচনা চাইছে। আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে, এই অচলাবস্থা কি আদৌ কাটাতে পারবে পাকিস্তান?

ইরান এবং আমেরিকার আলোচনাইরান এবং আমেরিকার আলোচনা
  • 25 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:34 AM IST
  • আমেরিকার সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় 'না' বলেছে ইরান
  • তারা পাকিস্তানের মাধ্যমেই আলোচনা চাইছে
  • আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে, এই অচলাবস্থা কি আদৌ কাটাতে পারবে পাকিস্তান?

শুক্রবার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আর তাতেই ইরান ইরান ও আমেরিকার মধ্যে স্থগিত থাকা আলোচনা নতুন ভাবে এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

যদিও এবার আমেরিকার সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় 'না' বলেছে ইরান। তারা পাকিস্তানের মাধ্যমেই আলোচনা চাইছে। আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে, এই অচলাবস্থা কি আদৌ কাটাতে পারবে পাকিস্তান?

যতদূর খবর, এই সফরে আরাঘচির সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পাকিস্তান সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। ও দিকে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশক দার সোশ্যাল মিডিয়ায় আরাঘচির আগমনের ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাতে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

সরাসরি বৈঠক করবে না ইরান
ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই জানিয়েছেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আঞ্চলিক শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হবে। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি কোনও বৈঠক হওয়ার কথা নেই। তেহরানের বক্তব্য এবং উদ্বেগের বিষয়গুলি পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

মাথায় রাখতে হবে, এই বৈঠক নিয়ে প্রথম থেকেই অনিশ্চয়তা ছিল। তবে তারপরও পাকিস্তান দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য পর্দার আড়ালে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পরিসর তৈরি করতে ইসলামাবাদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু তারা কি আদৌ সফল হবে?

আমেরিকার প্রতিনিধি দল আসছে

শুধু ইরান নয়, যুদ্ধ থামাতে আমেরিকার তৎপরতাও বাড়ছে। বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেদ কুশনির ইসলামাবাদে আসতে পারেন। এই প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব কারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, আলোচনা সরাসরিই হবে। কিন্তু সেটা হবে পাকিস্তানের সহায়তায়। এই আলোচনার সঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ওয়াশিংটন থেকে যুক্ত থাকবেন বলে খবর।

এই বিষয়ে কী জানালেন ট্রাম্প
এই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি বলেছেন, 'আমেরিকার শর্ত মেনে একটি প্রস্তাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।' তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য চুক্তিতে ইরানকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম (এনরিচড ইউরেনিয়াম) ত্যাগ করতে হবে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

Advertisement

ট্রাম্প হুঁশিয়ারির সুরে দাবি করেন, চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ চালিয়ে যাবে। এই অবরোধ কখন প্রত্যাহার করা হবে, তা ইরানের প্রস্তাব পর্যালোচনার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement