Advertisement

El Nino Updates: প্রশান্ত মহাসাগরে অশনিসঙ্কেত, সমুদ্রের তাপমাত্রা সব রেকর্ড ভাঙল, অতি শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো

মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। বিজ্ঞানীদের নজর রয়েছে নিনো ৩.৪ অঞ্চলের দিকে। এই অঞ্চলটি এল নিনো এবং লা নিনা পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্রের জল স্বাভাবিকের তুলনায় উষ্ণ হয়ে উঠলে বায়ুমণ্ডলীয় সঞ্চালনে পরিবর্তন আসতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং চরম আবহাওয়ার ধরনে।

এল নিনো - প্রতীকী ছবিএল নিনো - প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 21 Oct 2026,
  • अपडेटेड 2:33 PM IST
  • বিজ্ঞানীদের নজর রয়েছে নিনো ৩.৪ অঞ্চলের দিকে
  • কী এই এল নিনো?
  • ভারতের আবহাওয়ায় কী প্রভাব পড়তে পারে?

প্রশান্ত মহাসাগরে যা ঘটছে, তা অতীতে কখনও ঘটেনি। গোটা বিশ্বের কাছেই অশনিসঙ্কেত। মধ্য প্রশান্ত মহাসাগর কার্যত ফুটছে। সর্বশেষ প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিনো ৩.৪ অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১৯৯১-২০২০ সালের গড়ের তুলনায় ৩.৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। জলবায়ু সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণকারী ওয়েবসাইট Climate Reanalyser-এর তথ্য অনুযায়ী, তাদের পরিসংখ্যানে এটি নতুন দৈনিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল। যার নির্যাস, ২০২৬-২৭ সালের এল নিনোর তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ল।

বিজ্ঞানীদের নজর রয়েছে নিনো ৩.৪ অঞ্চলের দিকে

মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। বিজ্ঞানীদের নজর রয়েছে নিনো ৩.৪ অঞ্চলের দিকে। এই অঞ্চলটি এল নিনো এবং লা নিনা পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্রের জল স্বাভাবিকের তুলনায় উষ্ণ হয়ে উঠলে বায়ুমণ্ডলীয় সঞ্চালনে পরিবর্তন আসতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং চরম আবহাওয়ার ধরনে।

NOAA-এর অপটিমাম ইন্টারপোলেশন সি সারফেস টেম্পারেচার ডেটাসেট (OISST V2.1)-এর ভিত্তিতে তৈরি সর্বশেষ চার্টে অক্টোবর মাসে নিনো ৩.৪ অঞ্চলের দৈনিক তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বা তার বেশি থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। ১৯৯১-২০২০ সালের জলবায়ুগত গড়ের সঙ্গে তুলনা করলে এই উষ্ণতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

কী এই এল নিনো?

মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের জল স্বাভাবিকের তুলনায় উষ্ণ হয়ে উঠলে এবং তার সঙ্গে ক্রান্তীয় বায়ুপ্রবাহ ও বায়ুমণ্ডলীয় সঞ্চালনের পরিবর্তন ঘটলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। শক্তিশালী এল নিনো বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে এর প্রভাব সব জায়গায় এক রকম হয় না।

NOAA-এর ৮ অক্টোবরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মাসিক নিনো ৩.৪ তাপমাত্রার বিচ্যুতি +২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। একই সঙ্গে সংস্থাটি জানিয়েছিল, এল নিনো ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে শক্তিশালী থেকে অতি শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দৈনিক তাপমাত্রার বিচ্যুতি এবং সরকারি মাসিক বা সাপ্তাহিক নিনো ৩.৪ সূচক এক নয়। তাই দৈনিক তাপমাত্রার প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে +৩.৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে এল নিনোর তীব্রতার আনুষ্ঠানিক রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করার আগে তা যাচাই করা প্রয়োজন।

Advertisement

ভারতের আবহাওয়ায় কী প্রভাব পড়তে পারে?

শক্তিশালী এল নিনো ভারতের আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে। বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি আফ্রিকা, এশিয়া ও আমেরিকার কিছু অংশেও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার একটি মাত্র পরিমাপ থেকে ভারতের আবহাওয়ার নির্দিষ্ট পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement