Advertisement

Pakistan News: খাইবার পাখতুনখোয়ায় Emergency জারি, শক্ত ঘাঁটিতেও ক্ষমতা হারাল ইমরানের দল

Pakistan Emergency in KP: খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা(Emergency) জারি করল শেহবাজ শরিফ সরকার। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (PTI) 'শক্ত ঘাঁটি' ছিল এই খাইবার পাখতুনখোয়া।

ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (PTI) 'শক্ত ঘাঁটি' ছিল এই খাইবার পাখতুনখোয়া। ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (PTI) 'শক্ত ঘাঁটি' ছিল এই খাইবার পাখতুনখোয়া।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Oct 2026,
  • अपडेटेड 8:06 PM IST
  • খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা(Emergency) জারি করল শেহবাজ শরিফ সরকার।
  • ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (PTI) 'শক্ত ঘাঁটি' ছিল এই খাইবার পাখতুনখোয়া।

Pakistan Emergency in KP: খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা(Emergency) জারি করল শেহবাজ শরিফ সরকার। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (PTI) 'শক্ত ঘাঁটি' ছিল এই খাইবার পাখতুনখোয়া। রবিবার এই সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জ়ারদারি। এর ফলে এই এলাকার নির্বাচিত সরকার কার্যত সমস্ত ক্ষমতা হারাল। একের পর এক জঙ্গি হামলা এবং সাংবিধানিক ব্যবস্থার অবনতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে শেহবাজ সরকার। 

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। খাইবার পাথতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি এবং পিটিআইয়ের প্রাদেশিক সভাপতি জুনেইদ আকবরকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ PTI-এর।  

আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়ায় দীর্ঘ দিন ধরেই একের পর এক জঙ্গি হামলা হয়েছে। পাকিস্তান সরকার পিটিআইয়ের প্রাদেশিক প্রশাসনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছে। রবিবার শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। তারপরেই জরুরি অবস্থার সিদ্ধান্ত। নতুন মুখ্যসচিব হিসাবে মহম্মদ ফখর আলম ইরফানের নামও ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্য দিকে, ইমরানের মুক্তির দাবিতে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে পিটিআই।মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী আফ্রিদি। ইসলামাবাদের দিকে এগোনোর প্রস্তুতি চলছিল আন্দোলনকারীদের। এই সবেরই মাঝে জরুরি অবস্থার ঘোষণা হয়। 

খাইবার পাখতুনখোয়া পিটিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘাঁটি। ফলে সেখানে নির্বাচিত সরকার সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে আগামিদিনে পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট আরও বাড়তে পারে। আগামী ১৩ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ও সেনেটের বৈঠক। সেখানে এই পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আগামিদিনে পরিস্থিতি কোনদিকে এগোয়, সেটাই দেখার।  

Read more!
Advertisement
Advertisement