
পাকিস্তান সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? ২০২৭ সালে SCO সামিট (সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন) হতে চলেছে ইসলামাবাদে। SCO সামিটে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ভারত। ইসলামাবাদ ইঙ্গিত দিয়েছে, SCO সামিটে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।
আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় থাকবে ভারতও
পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, SCO সামিটে সব সদস্য দেশকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে। ওই সব কটি দেশেরই রাষ্ট্রনেতা অংশ নেবেন সামিটে। যার নির্যাস, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় থাকবে ভারতও।
অন্যদিকে মানিলায় ASEAN মিটিংয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এসজয়শঙ্কর ও পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর সম্ভাব্য সাক্ষাত্ প্রসঙ্গে প্রশ্নে পাক বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের তরফে এই ধরনের কোনও মিটিংয়ের আবেদন তারা পায়নি।
২০০১ সালের ১৫ জুন এই গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছিল
SCO সামিট একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। চিন, রাশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিস্তান, তজাখস্তান, ইরান ও বেলারুস এই মঞ্চের সদস্য। ২০০১ সালের ১৫ জুন এই গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছিল, ইউরেশিয়া এলাকায় শান্তি, স্থিতাবস্থা ও আর্থিক সমৃদ্ধির জন্য। ইংরেজি অ্যালফাবেট অনুযায়ী এই সামিটের সদস্যদেশগুলিতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সামিটের আয়োজন করা হয়।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তলানিতে
গত কয়েক বছরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন একাধিকবার প্রকাশ্যে এসেছে। সীমান্তে সংঘর্ষ, সন্ত্রাসবাদ ইস্যু এবং কাশ্মীর প্রশ্নকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও সীমিত পর্যায়ে নেমে এসেছে। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে আয়োজিত কোনও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভারতের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অংশগ্রহণ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা শুরু হয়েছে।
তবে এসসিও একটি বহুপাক্ষিক মঞ্চ। এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংগঠনের বৈঠকে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি বৃহত্তর কূটনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও বিবেচনা করা হয়। ভারত এসসিও-র অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সন্ত্রাসবাদ দমন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বাণিজ্য-সহ বিভিন্ন বিষয়ে এই মঞ্চে ভারতের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। ফলে ২০২৭ সালের শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কোন স্তরে হবে, তা নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।