Advertisement

Pakistan: ফের ট্রাম্পের গুণগান শেহবাজের, আবারও দিলেন ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির ক্রেডিট

ফের ট্রাম্পের গুণগান করলেন শেহবাজ। পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ট্রাম্পের কাছে চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবে পাকিস্তান'।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা শেহবাজ শরিফেরডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা শেহবাজ শরিফের
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 05 Jun 2026,
  • अपडेटेड 3:04 PM IST

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপেই ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি, দাবি পাকিস্তানের। ফের ট্রাম্পের গুণগান করলেন শেহবাজ। পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ট্রাম্পের কাছে চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবে পাকিস্তান'।

বৃহস্পতিবার আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে পাকিস্তানের মার্কিন দূতাবাস সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেহবাজ পাকিস্তান-মার্কিন সম্পর্ককে প্রায় আট দশক ধরে বিস্তৃত "সত্য ও বিশেষ সম্পর্ক" হিসেবে বর্ণনা করেন।

গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। যার জেরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যে চার দিনব্যাপী সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছিল। সে প্রসঙ্গে শরিফ বলেন, সংঘর্ষের অবসানে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

তিনি দাবি করেন "গত বছর পহেলগাঁও ঘটনার পর ভারতের আগ্রাসনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময়ে সিদ্ধান্তমূলক হস্তক্ষেপের ফলে গত বছরের ১০ মে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি হয়েছিল।"

শেহবাজ বলেন, "দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচানোর জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।" এই প্রেক্ষাপটে, ট্রাম্পকে শান্তির প্রতীক হয়ে স্মরণীয় থাকবেন বলে দাবি করেন।

পহেলগাঁও হামলার পর, ভারত গত বছর ৭ মে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের সন্ত্রাসী অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে।

ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, সামরিক সংঘাতের পর তিনি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছেন। তবে, ভারত ধারাবাহিকভাবে বারবার দাবি করে আসছে, এই সমঝোতা সরাসরি দুই দেশের মধ্যে হয়েছিল। তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাস স্মরণ করে শেহবাজ উল্লেখ করেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে আমেরিকা অন্যতম ছিল এবং তিনি নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, বিজ্ঞান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতার ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন, “সম্পর্কটি একটি প্রকৃত ও বিশেষ সম্পর্ক, যা প্রায় আট দশক ধরে বিস্তৃত এবং এতে শুধু নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ দমন ক্ষেত্রেই নয়, বরং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, বিজ্ঞান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা রয়েছে।”

Advertisement

আঞ্চলিক কূটনীতি প্রসঙ্গে শেহবাজ দাবি করেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে পাকিস্তান একটি ভূমিকা পালন করছে। শান্তি প্রচেষ্টায় অবদানের জন্য তিনি সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি এও বলেন, "আমি যখন কথা বলছি, তখনও ইরান ও আমেরিকার সমর্থনে এই প্রচেষ্টাগুলো অব্যাহত রয়েছে। আমরা প্রার্থনা করি যেন যত দ্রুত সম্ভব আমরা দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জন করতে পারি।"

তাঁর মন্তব্যে, মার্কিন চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স ন্যাটালি বেকার পাকিস্তান ও আমেরিকাকে "প্রকৃত কৌশলগত অংশীদার" হিসেবে বর্ণনা করেন। বলেন, এই সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন স্বার্থ এবং নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement