Advertisement

Pakistan: একগলা ধারে ডুবে থাকা পাকিস্তান হঠাত্‍ IMF ও World Bank-এর নেতৃত্বে, কীভাবে? তীব্র বিতর্ক

এই চেয়ারম্যান পদ পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ দেবে। সদস্য দেশগুলির অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নরদের অংশগ্রহণে আয়োজিত বৈঠকের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে তাদের হাতে।

শেহবাজ শরিফ ও আসিম মুনির - পিটিআই ফাইল ছবিশেহবাজ শরিফ ও আসিম মুনির - পিটিআই ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • ইসলামাবাদ,
  • 17 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:44 AM IST
  • ১৯৫৩ সালের পরে এই প্রথমবার গুরুদায়িত্ব
  • পাকিস্তানের দাবি, এটি ঐতিহাসিক মাইলফলক
  • একগলা ধারে ডুবে থাকা পাকিস্তান এবার আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে

পাকিস্তানের গতিবিধি ঘিরে গোটা বিশ্বে সন্দেহ! ২০২৭ সালে IMF এবং বিশ্বব্যাঙ্ক গোষ্ঠীর বোর্ড অফ গভর্নরসের চেয়ারম্যান পদে বসতে চলেছে পাকিস্তান। অথচ এই পাকিস্তানই আরও ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে IMF-এর কাছে। এমনিতেই ঋণে ডুবে আছে পাকিস্তান। এই রকম বারবার ঋণ নেওয়া একটি দেশের হাতে বিশ্বের দুই গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কার অঙ্গুলিহেলনে এটি ঘটল, তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।

১৯৫৩ সালের পরে এই প্রথমবার গুরুদায়িত্ব

এই চেয়ারম্যান পদ পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ দেবে। সদস্য দেশগুলির অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নরদের অংশগ্রহণে আয়োজিত বৈঠকের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে তাদের হাতে। তবে এই পদে বসার অর্থ ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্তের উপর নিয়ন্ত্রণ পাওয়া নয়। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রক জানিয়েছে, ১৯৫৩ সালের পর এই প্রথম এই দায়িত্ব পেতে চলেছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের দাবি, এটি ঐতিহাসিক মাইলফলক

ব্যাংককে আয়োজিত বিশ্বব্যাঙ্ক ও IMF-এর বার্ষিক বৈঠকে ২০২৭ সালের জন্য পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে পাকিস্তানের বিশ্বব্যাঙ্কের গভর্নর তথা অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী আহাদ খান চিমাকে। এই নিয়োগকে ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে উল্লেখ করেছে পাকিস্তান সরকার। তাদের বক্তব্য, এর ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় পাকিস্তান আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারবে এবং সদস্য দেশগুলির মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। 

একগলা ধারে ডুবে থাকা পাকিস্তান এবার আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে

১৯৫০ সালে IMF-এ যোগ দেওয়ার পর থেকে অন্তত ২৫টি ঋণ কর্মসূচির আওতায় এসেছে পাকিস্তান। বারবার এই আন্তর্জাতিক ঋণদাতার দ্বারস্থ হওয়ার পিছনে রয়েছে বিদেশি দায় মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত বিদেশি মুদ্রা জোগাড়ের সমস্যা। মূল্যবৃদ্ধির চাপও পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। IMF-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক পর্যায়ের সমঝোতা কার্যকর হলে EFF-এর আওতায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার এবং RSF-এর আওতায় ২১০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে পারে পাকিস্তান। এর ফলে দুটি কর্মসূচি মিলিয়ে মোট অর্থছাড়ের পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৫.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।

Advertisement

তবে এই অর্থ পাওয়ার জন্য IMF-এর এগজিকিউটিভ বোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন। বিশ্বব্যাঙ্কের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক বৃদ্ধির মডেল দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। সরকারি খাতে উচ্চ ভোগব্যায়, উৎপাদনশীলতার অভাব এবং বিপুল ঋণনির্ভরতা এই মডেলের প্রধান দুর্বলতা।

Read more!
Advertisement
Advertisement