Advertisement

PoK-তে খতম পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড, অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে ঝাঁঝরা

খতম পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান। পাকিস্তানে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তির গুলিতে নিকেশ করা হয়। পাকিস্তানের মুজাফফারাবাদে তাকে গুলি করা হয়। মুজাফফারাবাদ পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তর্গত। হামজা বুরহান ২০১৯-র পুলওয়ামা সন্ত্রাসবাদী হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল বলে জানা গেছে। পাকিস্তানে শিক্ষকের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল হামজা।

 পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান
অরবিন্দ ওঝা
  • কলকাতা,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 3:41 PM IST

খতম পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান। পাকিস্তানে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তির গুলিতে নিকেশ করা হয়। পাকিস্তানের মুজাফফারাবাদে তাকে গুলি করা হয়। মুজাফফারাবাদ পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তর্গত। হামজা বুরহান ২০১৯-র পুলওয়ামা সন্ত্রাসবাদী হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল বলে জানা গেছে। পাকিস্তানে শিক্ষকের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল হামজা।

জানা যাচ্ছে, হামজা পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে নিজের অফিসে বসেছিল। এই সময় কিছু লোক এসে হামজাকে একের পর এক গুলিতে শরীর ঝাঁঝরা করে দেয়। 

২০১৯-র ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনাদের কনভয়েতে আত্মঘাতী হামলা হয়। এই সন্ত্রাসবাদী হামলায় ৪০ জনেরও বেশি ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। 

২০১৭ সালে পুলওয়ামা থেকে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়
হামজা পাকিস্তানে একজন শিক্ষক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিত। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) অঞ্চলে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে প্রশিক্ষণ দিত। সন্ত্রাসবাদীদের সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ করতেও সাহায্য করত।

পুলওয়ামার রত্নিপোরার বাসিন্দা ছিল সে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার জন্য ২০১৭ সালে পাকিস্তানে গিয়েছিল সে।

হামজাকে ISI একটি অফিস ও নিরাপত্তা দিয়েছিল
হামজা ওরফে ডাক্তার, পুলওয়ামা হামলা ছাড়াও অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত ছিল। তরুণদের উগ্রপন্থায় উস্কানোর কাজ করত। এই উদ্দেশ্যে ISI তাকে একটি অফিস দিয়েছিল। একে-৪৭ সজ্জিত বন্দুকধারীরা দিনরাত তাকে পাহারা দিত।

সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল মুজফ্ফরাবাদ 
PoK-তে অবস্থিত মুজাফ্ফরাবাদ ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের একটি কেন্দ্রস্থল। বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা এখানে বসবাস করে, তাদের ছত্রছায়ায় ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালায়। হামজাও এই কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল। নিজেকে আড়ালে রাখত।

পুলওয়ামা হামলা এবং ভারতের অপারেশন বালাকোট
২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, বেলা প্রায় ৩টে ১৫ মিনিটে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় মহাসড়কে একটি ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলা ঘটে। আদিল আহমেদের নামে স্থানীয় এক কাশ্মীরি যুবক এবং পাকিস্তান-ভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের এক সন্ত্রাসবাদী ৩০০-৩৫০ কেজি ওজনের একটি আইইডি বোঝাই এসইউভি নিয়ে সিআরপিএফ-এর একটি কনভয় বাসে ধাক্কা দেয়। এতে ৪০ জন CRPF সদস্য শহিদ হন এবং অনেকে আহত হন। ১৯৮৯ সালের পর জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর এটিই ছিল সবচেয়ে মারাত্মক হামলা। জইশ-ই-মহম্মদ এই হামলার দায় স্বীকার করে।

Advertisement

হামলার বারো দিন পর, ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি, ভারতীয় বিমান বাহিনী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে জইশ-ই-মহম্মদের একটি সন্ত্রাসবাদী প্রশিক্ষণ শিবিরে বিমান হামলা চালায়। এতে বিপুল সংখ্যক সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়।

Read more!
Advertisement
Advertisement