Advertisement

GAZA Board Of Peace: গাজা 'বোর্ড অফ পিস'-এ পুতিনের সবুজ সংকেত, তবে ট্রাম্পকে দিলেন কড়া শর্ত

ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজা 'বোর্ড অফ পিস'-এ যোগ দেবেন পুতিন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে বড়সড় শর্ত রাখলেন রশিয়ার প্রেসিডেন্ট। কোন শর্ত মেনে নিলে তিনি এই গাজা 'বোর্ড অফ পিস'-এ যোগ দেবেন?

Aajtak Bangla
  • মস্কো ,
  • 22 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:00 PM IST
  • গাজা 'বোর্ড অফ পিস'-এ যোগ দেবেন পুতিন
  • তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বড় শর্ত রাখলেন
  • কোন শর্তে বোর্ডে যোগ দেবেন রুশ প্রেসিডেন্ট?

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে গাজায় শাসন ও পুনর্গঠনের জন্য গঠিত 'বোর্ড অফ পিস'-এ যোগদানের বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বড়সড় শর্ত রাখলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে। কৌশলগত সহযোগী দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা করে তবেই মস্কো কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছবে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। বোর্ডে স্থায়ী সদস্যপদের জন্য এক বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। যে অর্থ আসবে আমেরিকার হাতে জব্দ হওয়া রুশ সম্পদ থেকেই। 

ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এই উদ্যোগে অংশ নিতে ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়েছেন পুতিন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাশিয়ার অবস্থান প্রকাশ্যে আনেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট। 

জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে দেওয়া টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে পুতিন বলেন, 'বোর্ড অফ পিস'-এ আমাদের অংশগ্রহণ নিয়ে যে নথিপত্র এসেছে, তা পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিদেশ মন্ত্রককে। পাশাপাশি আমাদের কৌশলগত অংশীগারদের সঙ্গে আলোচনা হবে। তারপরই আমন্ত্রণের জবাব দেওয়া সম্ভব হবে।'

পুতিন আরও জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে কোনও উদ্যোগকেই রাশিয়া সমর্থন করে এসেছে, আগামী দিনেও করবে। 

এক বিলিয়ন ডলার আর্থিক অবদানের প্রসঙ্গে পুতিন জানান, এই অর্থ আসতে পারে আগের জো বাইডেন প্রশাসনের আমলে আমেরিকার হাতে জব্দ হওয়া রুশ সম্পদ থেকে। তাঁর কথায়, 'বোর্ডে অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগেই প্যালেস্তাইনের জনগণের সঙ্গে রাশিয়ার বিশেষ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে আমরা এই আর্থিক সহায়তা দিতে পারি। গোটা প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হওয়া উচিত প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান।'

আমেরিকার মধ্যস্থতায় গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ‘বোর্ড অফ পিস'-এর প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল সীমিত সংখ্যক বিশ্বনেতাকে নিয়ে একটি ছোট কমিটি গঠন করা। এখন এই বোর্ডকে একাধিক আন্তর্জাতিক সংঘাত মেটানোর দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। ফলে অনেকেই এই প্ল্যাটফর্মকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গেও তুলনা করছেন। 

এদিকে, ডাভোসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, 'পুতিন ইতিমধ্যেই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর ওঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। উনি গ্রহণ করেছেন।' হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০টি দেশের রাষ্ট্রনেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তার মধ্যে অন্তত ৩৫ জন এই বোর্ডে যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন। তালিকায় রয়েছে ইজরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরিন, জর্ডন, কাতার ও মিশরের মতো দেশ। পাশাপাশি মরক্কো, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, কসোভো, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, প্যারাগুয়ে ও ভিয়েতনামও যোগ দিচ্ছে। আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে আর্মেনিয়া, আজারবাইজান ও বেলারুশও। নয়াদিল্লি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানা গিয়েছে। এ দেশের বাম দলগুলি প্রধানমন্ত্রীকে এই বোর্ডে অংশ না নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement