Advertisement

Saudi Airstrikes on Yemen: ইয়েমেনে সৌদি আরবের ভয়াবহ বিমান হামলা, মৃত অন্তত ৩৩, আহত ৩৯

২০২২ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুথিদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। যার জেরে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। সানা শহর বর্তমানে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে। সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে হুথিরা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল পরিকাঠামোকে টার্গেট করে মিসাইল এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

ইয়েমেনে ভয়াবহ হামলা সৌদি আরবের (ছবি: রয়টার্স)ইয়েমেনে ভয়াবহ হামলা সৌদি আরবের (ছবি: রয়টার্স)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Nov 2026,
  • अपडेटेड 11:39 AM IST
  • ২০২২ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুথিদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল
  • এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল
  • যার জেরে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। সানা শহর বর্তমানে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে

ইয়েমেনের রাজধানী সানার কাছে একটি গ্রামে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে। তাতে অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। শনিবার এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে হুথি নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা সাবা। গত জুলাইয়ে সৌদি আরব ও ইরানপন্থী হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। তারপর এটিকে অন্যতম ভয়াবহ হামলা বলে মনে করা হচ্ছে।

২০২২ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুথিদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। যার জেরে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। সানা শহর বর্তমানে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে। সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে হুথিরা সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল পরিকাঠামোকে টার্গেট করে মিসাইল এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, ইয়েমেনে নিজেদের মিত্রদের সমর্থনে বিমান হামলা চালিয়েছে রিয়াধ।

সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের তেল পরিকাঠামো, একটি বিমানবন্দর এবং সেনার জায়গা টার্গেট করে ছ'টি সামরিক অভিযানের দায় স্বীকার করেছে হুথিরা। এই গোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল এবং ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাইজ এবং বানি হাশিশে সাধারণ নাগরিকদের উপর সৌদি হামলায় মৃত্যুর ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই এই অভিযান বলে দাবি করেছে হুথিরা।

হুথি পরিচালিত মন্ত্রক জানিয়েছে, সানার পূর্বে অবস্থিত হুথিদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বানি হুশাইশ শহরের একাধিক বাড়িতে আঘাত হেনেছে সৌদি বিমান। নিহতদের অধিকাংশই মহিলা ও শিশু বলে দাবি করা হয়েছে।

সানার সেহাতুনা হাসপাতালের অধিকর্তা আবদুল-আজিজ আল-দাইলামি জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও বহু মানুষ আটকে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উদ্ধারকর্মীরাও রয়েছেন।

তিনি রয়টার্সকে বলেন, 'একটার পর একটা হামলা চলছেই। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই ফের হামলা হচ্ছে। আমাদের কয়েকজন চিকিৎসাকর্মীও প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁরাও শহিদ হয়েছেন।'

Advertisement

আল-দাইলামি আরও জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁদের মাথা, বুক ও পায়ে আঘাত লেগেছে। অনেকের হাড়ও ভেঙে গিয়েছে।

আমেরিকা-ইরান সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে ইয়েমেনেও। এর ফলে দেশটিতে ১২ বছর ধরে চলা জটিল সংঘাত নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। 

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) জানিয়েছে, সংঘর্ষের জেরে ইয়েমেনে ঘর ছাড়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২ লক্ষ ছাড়িয়েছে। অক্টোবর মাসে এই তথ্য জানিয়েছিল সংস্থাটি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement