Advertisement

পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটিতে ঘন ঘন নামছে তুরস্কের সামরিক বিমান, আসছে ঘাতক অস্ত্র-ড্রোন

ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, তুরস্কের বিমানগুলির এই গতিবিধি স্বাভাবিকের তুলনায় আলাদা। সূত্র মতে, তিন দিনে তুরস্কের সামরিক বিমান একাধিকবার পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যাতায়াত করেছে।

প্রতীকী ছবি (Getty) প্রতীকী ছবি (Getty)
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 23 Aug 2026,
  • अपडेटेड 5:48 PM IST
  • উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পাকিস্তান বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে
  • তার মধ্যেও সামরিক ক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে

পাকিস্তানের দুই গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেসে ঘন ঘন যাতায়াত করছে তুরস্কের সামরিক বিমান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২১ অগাস্টের মধ্যে তুরস্কের একাধিক C-130 হারকিউলিস সামরিক বিমান পাকিস্তানে পৌঁছয়। বিমানগুলি রাওয়ালপিন্ডির নুর খান এয়ারবেস এবং করাচির মাসরুর এয়ারবেসে অবতরণ ও উড্ডয়ন করে।

ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, তুরস্কের বিমানগুলির এই গতিবিধি স্বাভাবিকের তুলনায় আলাদা। সূত্র মতে, তিন দিনে তুরস্কের সামরিক বিমান একাধিকবার পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যাতায়াত করেছে। রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, এই বিমানগুলির মাধ্যমে পাকিস্তানে বিপুল সংখ্যক ড্রোন এবং ড্রোন-সংক্রান্ত সরঞ্জাম পাঠানো হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির কোনও সরকারি নিশ্চয়তা নেই। মনে করা হচ্ছে, পাকিস্তান তুরস্কের কাছ থেকে HQ সিরিজের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও পেতে পারে।

তুরস্ক আগে থেকেই পাকিস্তানকে একাধিক সামরিক ও ড্রোন ব্যবস্থা সরবরাহ করে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে Bayraktar TB2 ড্রোন। এটি মাঝারি উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড়তে পারে। যা নজরদারি এবং হামলার মতো অভিযানে ব্যবহার করা যায়।

ড্রোন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে পাকিস্তান

রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান বেশি করে ড্রোনের উপর নির্ভরশীল হতে চাইছে। তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও ক্রমশ বাড়ছে। এরই অংশ হিসেবে নতুন সামরিক সরঞ্জাম কেনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

রিপোর্টে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তান এর আগে পশ্চিম সীমান্তে নজরদারি এবং সামরিক অভিযানে তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছে। ফলে নতুন কোনও ড্রোনের চালান এলে ইসলামাবাদের মানবহীন যুদ্ধক্ষমতা আরও শক্তিশালী হতে পারে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পাকিস্তান বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে। তা সত্ত্বেও দেশটির সামরিক সরঞ্জাম কেনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কেনাকাটা দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তবে তুরস্কের C-130 বিমানের এই গতিবিধি কিংবা কথিত অস্ত্র ও ড্রোন সরবরাহ নিয়ে পাকিস্তান বা তুরস্কের পক্ষ থেকে এখনও কোনও স্পষ্ট সরকারি বিবৃতি পাওয়া যায়নি। 

Advertisement

ড্রোন এবং এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের এই সম্ভাব্য সরবরাহ সত্যি প্রমাণিত হলে, তা পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতার বড় ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি পাকিস্তানের ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

অপারেশন সিঁদুরের সময়ও তুরস্কের ড্রোন ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান

অপারেশন সিঁদুরের সময়ও পাকিস্তান তুরস্কে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করা হয়েছিল। তবে ভারতীয় এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থার সামনে সেই ড্রোনগুলি ব্যর্থ হয়েছিল। এবার পাকিস্তান আরও উন্নত ড্রোন ব্যবস্থা পাওয়ার জন্য ফের তুরস্কের দিকে তাকিয়ে রয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement