Advertisement

Robot Army: যুদ্ধে রোবট সেনা নামাচ্ছে ইউক্রেন? চাপ বেড়ে যাবে রাশিয়ার

Ukraine Russia war: এবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে রোবট সেনা নামাতে পারে ইউক্রেন। এই রোবট সেনা মূলত আহত যোদ্ধাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া, গোলাবারুদ সরবরাহ করা, মাইন পাতা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে সক্ষম।

যুদ্ধে রোবট সেনা নামাচ্ছে ইউক্রেনযুদ্ধে রোবট সেনা নামাচ্ছে ইউক্রেন
Aajtak Bangla
  • কিয়েভ,
  • 27 Sep 2026,
  • अपडेटेड 1:11 PM IST
  • আরও তেড়েফুড়ে যুদ্ধে মন দিচ্ছে ইউক্রেন।
  • সেনাদের জীবন বাঁচাতে ‘রোবট আর্মি’ নামে একটি নতুন কর্মসূচি চালু করেছে ইউক্রেন।
  • এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সেনাদের জীবন বাঁচানো।

রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার নাম নেই। বরং আরও তেড়েফুড়ে যুদ্ধে মন দিচ্ছে ইউক্রেন। এবার রাশিয়াকে আক্রমণ করতে এবং নিজেদের সেনাদের জীবন বাঁচাতে  ‘রোবট আর্মি’ নামে একটি নতুন কর্মসূচি চালু করেছে ইউক্রেন। 

ইউক্রেনের ড্রোন বাহিনী ইতিমধ্যেই যুদ্ধ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ছোট ও কম দামের ড্রোনগুলো শত্রুপক্ষের অবস্থানে নিখুঁত হামলা চালাতে বিশেষ পারদর্শী। সেনাদের সরাসরি বিপদে না ফেলেই এই ড্রোন দিয়ে নানা কাজ সম্পন্ন করছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এবার এই রোবট আর্মি যুদ্ধকে আরও অ্যাডভান্স লেভেলে নিয়ে যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, আহত যোদ্ধাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া, গোলাবারুদ সরবরাহ করা, মাইন পাতা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলি করতে পারে এই রোবটেরাই।

ইউক্রেনের প্রাক্তন আধিকারিক মিখাইলো ফেদোরভ লভিভে অনুষ্ঠিত ‘আইটি অ্যারেনা ২০২৬’ সম্মেলনে এই রোবটের উদ্বোধন করেন। ফেদোরভ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এটি সরকারি উদ্যোগ নয়। তারা একটি নতুন ইকোসিস্টেম তৈরির জন্য বেসরকারি সংস্থা ও ইঞ্জিনিয়ারিংদের  আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। 

জানা গিয়েছে, এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সেনাদের  জীবন বাঁচানো। আধুনিক যুদ্ধে ড্রোন ও রোবটের ভূমিকা ইতিমধ্যেই রয়েছে, কিন্তু ইউক্রেন এগুলোকে আরও সংগঠিত ও বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগ করতে চায়। বিপজ্জনক কাজগুলো যন্ত্রের হাতে তুলে দিলে প্রাণহানি কমানো সম্ভব হবে এবং সেনারা আরও কৌশলগত ও নিরাপদ ভূমিকায় মনোযোগ দিতে পারবে।  

রোবোটিক সিস্টেমগুলো যুদ্ধক্ষেত্রের জটিলতা মোকাবিলায় সাহায্য করবে। এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারে এবং ক্লান্তি বা ভয়ের মতো মানবিক সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত। তবে, নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই সিস্টেমগুলোর ক্রমাগত পরীক্ষা ও উন্নয়ন প্রয়োজন হবে। ফেডোরভের মডেলটি এই দিকেই কাজ করছে বলে মনে হয়।  


 

Read more!
Advertisement
Advertisement