Advertisement

কিউবার আকাশে মার্কিন ড্রোন, ‘অপারেশন মাদুরো’? বাড়ছে উত্তেজনা

জানা গিয়েছে, জ্যাকসনভিল থেকে ওড়া এই ড্রোনটি কিউবার দক্ষিণ উপকূলের বিস্তীর্ণ অংশ স্ক্যান করে। বিশেষ করে সান্তিয়াগো দে কিউবার কাছে প্রায় ২ ঘণ্টা থাকার পর রাজধানী হাভানার চারপাশে আরও ২ ঘণ্টা চক্কর দেয়। ফ্লাইট ট্র্যাকারদের মতে, এত কাছ থেকে কিউবার ওপর নজরদারি আগে কখনও দেখা যায়নি।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 18 Apr 2026,
  • अपडेटेड 4:19 PM IST
  • কিউবাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
  • মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন টানা ৬ ঘণ্টা ধরে কিউবার দক্ষিণ উপকূলে চক্কর কাটায় জল্পনা তুঙ্গে, তাহলে কি সামনেই কোনও বড় অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে ওয়াশিংটন?

কিউবাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন টানা ৬ ঘণ্টা ধরে কিউবার দক্ষিণ উপকূলে চক্কর কাটায় জল্পনা তুঙ্গে, তাহলে কি সামনেই কোনও বড় অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে ওয়াশিংটন?

জানা গিয়েছে, জ্যাকসনভিল থেকে ওড়া এই ড্রোনটি কিউবার দক্ষিণ উপকূলের বিস্তীর্ণ অংশ স্ক্যান করে। বিশেষ করে সান্তিয়াগো দে কিউবার কাছে প্রায় ২ ঘণ্টা থাকার পর রাজধানী হাভানার চারপাশে আরও ২ ঘণ্টা চক্কর দেয়। ফ্লাইট ট্র্যাকারদের মতে, এত কাছ থেকে কিউবার ওপর নজরদারি আগে কখনও দেখা যায়নি।

এই ড্রোনটি আমেরিকার নৌবাহিনীর অন্যতম উন্নত মানুষবিহীন আকাশযান। প্রায় ২,০০০ কোটি টাকা মূল্যের এই ড্রোন দীর্ঘ সময় আকাশে থাকতে পারে এবং উচ্চতা থেকে বিশাল এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম। অত্যাধুনিক রাডার, ক্যামেরা ও সেন্সর ব্যবস্থার মাধ্যমে এটি স্থল ও সমুদ্রের প্রায় সব ধরনের গতিবিধি নজরে রাখতে পারে।

পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সাম্প্রতিক মন্তব্য। তিনি বলেছেন, কোনওভাবে কিউবাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে তা তাঁর জন্য ‘সম্মানের’ হবে। একই সঙ্গে পেন্টাগনের তরফে কিউবাকে ঘিরে সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রস্তুতির খবরও সামনে আসছে। এর পাশাপাশি কিউবার তেল সরবরাহে নিয়ন্ত্রণ, হাভানায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের আগমন, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই ঘটনাকে ভেনেজুয়েলার অতীতের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করছেন। কয়েক মাস আগে একই ধরনের ড্রোন মিশনের পর ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছিল। ফলে কিউবাকে ঘিরে ‘অপারেশন মাদুরো’-র মতো কোনও পদক্ষেপের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা।

আমেরিকার কাছে কিউবা দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ওয়াশিংটন চায় দেশটিকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর দিকে এগিয়ে নিতে, যদিও কিউবা এটিকে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবেই দেখে। এই পরিস্থিতিতে কোনও সামরিক পদক্ষেপ গোটা লাতিন আমেরিকায় উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement