Advertisement

PM Modi Trump: প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ট্রাম্পের অনেক মিল, প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন বিদেশদূত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ‘অনেক মিল’ রয়েছে। দু’জনেই ‘একইরকম ভাবেন’, নিজেরা সরাসরি কাজের তদারকি করতে পছন্দ করেন এবং দ্রুত রেজাল্ট চান। এমনই মন্তব্য করলেন ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর।

মোদী-ট্রাম্পের অনেক মিল, বলছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।মোদী-ট্রাম্পের অনেক মিল, বলছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 27 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:25 PM IST
  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ‘অনেক মিল’ রয়েছে।
  • দু’জনেই ‘একইরকম ভাবেন’, নিজেরা সরাসরি কাজের তদারকি করতে পছন্দ করেন এবং দ্রুত রেজাল্ট চান।
  • এমনই মন্তব্য করলেন ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে ‘অনেক মিল’ রয়েছে। দু’জনেই ‘একইরকম ভাবেন’, নিজেরা সরাসরি কাজের তদারকি করতে পছন্দ করেন এবং দ্রুত রেজাল্ট চান। এমনই মন্তব্য করলেন ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর। তাঁর দাবি, ইদানিংকালে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও মোদী ও ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্কই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে টিকিয়ে রেখেছে।

এক সাক্ষাৎকারে সার্জিও গর বলেন, রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীর বন্ধুত্ব বহু বছরের। রিপাবলিকানরা প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর 'হাউডি মোদী' এবং 'নমস্তে ট্রাম্প' কর্মসূচির সময় থেকেই সেই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ‘অত্যন্ত প্রগতিশীল’ নেতা বলেও উল্লেখ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তাঁর কথায়, মোদী নিজে কাজের খুঁটিনাটি দেখেন এবং ফলাফলকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। একই বৈশিষ্ট্য ট্রাম্পের মধ্যেও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সার্জিও গরের কথায়, 'প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দু’জনেই নিজেরা কাজের দায়িত্ব নিতে পছন্দ করেন। দু’জনের চিন্তাভাবনার ধরনও অনেকটাই একই। তাঁরা কাজ শেষ করতে এবং ফল দিতে বিশ্বাসী।' তাঁর মতে, এই মিলই দুই নেতার সম্পর্কের মূল ভিত্তি।

সম্প্রতি এক বছরেরও বেশি সময় পরে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং ট্রাম্পের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। যদিও আগের মতো আলিঙ্গনের ছবি দেখা যায়নি, তবে উষ্ণ করমর্দনের মাধ্যমে বৈঠক শুরু করেন দুই নেতা। প্রায় এক ঘণ্টার সেই বৈঠককে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ বলে বর্ণনা করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গত কয়েক মাসে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের উপর একাধিক বিষয় প্রভাব ফেলেছে। শুল্ক নীতি, বাণিজ্যিক টানাপড়েন, রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে মার্কিন অবস্থান এবং পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক অভিযানের মতো একাধিক ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কে চাপ তৈরি করেছিল। তবুও দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলেই দাবি গরের।

ভারত সম্পর্কে ট্রাম্পের মনোভাব নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তাঁর দাবি, ট্রাম্প এখনও বারবার ভারতে তাঁর প্রথম সফরের অভিজ্ঞতার কথা বলেন। ভারতের প্রাণবন্ত এনার্জি এবং এখানকার মানুষের আন্তরিকতা তাঁকে মুগ্ধ করেছিল।

Advertisement

এদিকে, আগামী বছরের শুরুতেই ট্রাম্পের ভারত সফরের সম্ভাবনার কথাও সামনে এসেছে। মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও সম্প্রতি সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। ফলে তিনি প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হতে পারেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গেও আশাবাদী মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তাঁর মতে, এখনও কয়েকটি বিষয় চূড়ান্ত হওয়া বাকি থাকলেও আগামী কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসের মধ্যেই চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।   

Read more!
Advertisement
Advertisement