Advertisement

China Iran Arms Transfer: ইরানে অস্ত্র পাঠাতে চলেছে চিন, আবার উত্তপ্ত হবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি?

ইরান-আমেরিকা ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়েছে। যার ফলে খুশির হওয়া রয়েছে সারা পৃথিবীতে। যদিও এই পরিস্থিতির মধ্যে একটা চিন্তার খবর দিল সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। তাদের পক্ষ থেকে দাবি, সিএনএন-এর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ইঙ্গিত দিয়েছে ইরানে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে চিন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই ডিফেন্স সিস্টেম পাঠানো হবে। 

ইরানে অস্ত্র পাঠাবে চিনইরানে অস্ত্র পাঠাবে চিন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:16 AM IST
  • ইরান-আমেরিকা ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়েছে
  • খুশির হওয়া রয়েছে সারা পৃথিবীতে
  • মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ইঙ্গিত দিয়েছে ইরানে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে চিন

ইরান-আমেরিকা ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়েছে। যার ফলে খুশির হওয়া রয়েছে সারা পৃথিবীতে। যদিও এই পরিস্থিতির মধ্যে একটা চিন্তার খবর দিল সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। তাদের পক্ষ থেকে দাবি, সিএনএন-এর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ইঙ্গিত দিয়েছে ইরানে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে চিন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই ডিফেন্স সিস্টেম পাঠানো হবে। 

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অস্ত্র সরবরাহের উৎস গোপন রাখতে উদ্যোগী হয়েছে বেজিং। সেই মতো অন্য কোনও দেশের মাধ্যমে অস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা চলছে তারা। তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার চিনা দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। আর তাতেই জল্পনা আরও বাড়ছে।

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চিন মূলত MANPADs (শোল্ডার-ফায়ার্ড অ্যান্টি এয়ার মিসাইল সিস্টেম) পাঠাতে চলেছে। এটি কাঁধে বহনযোগ্য বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এই অস্ত্রই ইরানে পাঠাতে চলেছে চিন। যদিও সিএনএন-এর পক্ষ থেকে এই সংবাদের সূত্র জানান হয়নি।

পাকিস্তানে বসছে ইরান এবং আমেরিকা
এ দিকে আমেরিকা এবং ইরান শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছে। যেখানে ছয় সপ্তাহ ধরে চলা ইরান এবং আমেরিকার যুদ্ধসমাপ্তি নিয়ে আলোচনা হবে। 

যতদূর খবর, ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদে পৌঁছে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। সেখানে তিনি ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলবেন। ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সেই দেশের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবফ ইরানের তরফে এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর এবং একাধিক সংসদ সদস্যসহ শীর্ষ রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক বিভাগের আধিকারিকরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চুক্তি হলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হতে পারে। কিন্তু ইরানের স্পষ্ট বার্তা, তাদের ১০টি শর্ত মেনে নিলেই তবেই আলোচনা এগোবে।

ও দিকে আবার ইজরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে সরাসরি কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে আমেরিকার মধ্যস্ততার পর দুই দেশই একে অপরের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী। তারা ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসতে চলেছে। এই মিটিং ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টে হবে। 

Advertisement

এই মর্মে শুক্রবার লেবাননের প্রেসিডেন্টের অফিস একটি স্টেটমেন্ট দিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়, আমেরিকার মধ্যস্ততায় ইজরায়েলের সঙ্গে কথা চলছে। লেবাননে উপস্থিত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত এই কথোপকথনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন। 


 

Read more!
Advertisement
Advertisement