Advertisement

US Iran Ceasefire Deal: আমেরিকা-ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি? অপেক্ষা ট্রাম্পের গ্রিন সিগন্যালের

ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে সারা বিশ্বের মাথা ব্যথা। এর জন্য বাড়ছে তেলের দাম। মূল্যবৃদ্ধি মাথা চাড়া দিচ্ছে। যদিও এমন পরিস্থিতিতে একটা 'ভাল' খবর ভেসে আসছে। জানা যাচ্ছে, আমেরিকা এবং ইরান নাকি নিজেদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে। যদিও এই প্রস্তাবে এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আমেরিকা ইরানের যুদ্ধবিরতিআমেরিকা ইরানের যুদ্ধবিরতি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 May 2026,
  • अपडेटेड 6:56 AM IST
  • ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে সারা বিশ্বের মাথা ব্যথা
  • এর জন্য বাড়ছে তেলের দাম
  • এই প্রস্তাবে এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান-আমেরিকার সংঘাত নিয়ে সারা বিশ্বের মাথা ব্যথা। এর জন্য বাড়ছে তেলের দাম। মূল্যবৃদ্ধি মাথা চাড়া দিচ্ছে। যদিও এমন পরিস্থিতিতে একটা 'ভাল' খবর ভেসে আসছে। জানা যাচ্ছে, আমেরিকা এবং ইরান নাকি নিজেদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে। যদিও এই প্রস্তাবে এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এক্সিওস-এর সূত্র জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই দুই দেশের আলোচকরা ৬০ দিনের একটি সমঝোতা স্মারকের (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডাস্ট্যান্ডিং) পরিকল্পনা নিয়ে একমত হয়েছেন। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে তিন মাস ধরে চলা সংঘাত কিছুটা থামতে পারে। স্বস্তি পেতে পারে বিশ্ব।

এই প্রস্তাবিত চুক্তিতে ইরানের তরফে পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথে না হাঁটার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি এই ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হবে। 

যদিও এসবের মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন সামরিক সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত হয়েছে। যার ফলে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা বেড়েছে।

ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, মঙ্গলবারের মধ্যেই চুক্তির অধিকাংশ শর্ত নিয়ে একমত হওয়া গিয়েছিল। পরে ইরানের আলোচকরা মধ্যস্থতাকারীদের জানান, তাঁরা তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদন পেয়েছেন। তাঁরা এগনোর জন্য প্রস্তুত। তবে এই প্রস্তাবে এখনও সই করেননি ট্রাম্প।

এক মার্কিন আধিকারিক অ্যাক্সিওসকে বলেন, 'প্রেসিডেন্ট মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য আরও কয়েকদিন সময় চান।' 

হোয়াইট হাউস এখনও এই সমঝোতার বিষয়ে কিছুই নিশ্চিত করেনি। ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, শান্তি চুক্তি খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি আলোচনার ধীরগতির জন্য অসন্তোষও প্রকাশও করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, ওয়াশিংটন এই মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা করছে না। যদিও সেটিই ইরানের অন্যতম প্রধান দাবি।

হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে আলোচনা
এই আলোচনার সঙ্গে যুক্ত সূত্রের দাবি, ৬০ দিনের এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের প্রথম লক্ষ্য হল হরমুজ প্রণালীকে ফের আগের মতো অবস্থায় ফেরানো। মাথায় রাখতে হবে, এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহণের পথ। তাই এই রাস্তা খোলা প্রয়োজন।

Advertisement

এই প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞামুক্ত করা হবে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানকে ৩০ দিনের মধ্যে ওই এলাকায় পাতা মাইন সরাতে হবে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক জাহাজে কোনওরকম বাধা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। ওদিকে, জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে আমেরিকা ধীরে ধীরে তাদের নৌ অবরোধ শিথিল করবে। যদিও এই প্ল্যান কেবলমাত্র একটি অস্থায়ী কাঠামো হিসেবেই কাজ করবে। এটি কোনও চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নয়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement