
ভারতের ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন এক মার্কিন সাংবাদিক। আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের একটি ডিটেকটিভ জার্নালিজমে উঠে এসেছে ৫০টি সংগঠনের নাম, যারা ফ্রান্সে ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিল। এই সংগঠনের মধ্যে রয়েছে শ্রমিক ইউনিয়ন, কমিউনিস্ট ও সমাজতান্ত্রিক সংগঠন এবং একাধিক রাজনৈতিক দলও। ফক্স নিউজের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বিদেশি অর্থায়ন এই বিক্ষোভগুলোকে ইন্ধন জোগাচ্ছে। এমনকি ভারতে চলা ছাত্র বিক্ষোভের সঙ্গেও এর যোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ফ্রান্সের ছাত্র আন্দোলনে চিহ্নিত হওয়া ৫০টি সংগঠনের মধ্যে ১৫টি ছিল ছাত্র বা পড়ুয়াদের সংগঠন। আর বাকি ৩৫টির মধ্যে ছিল শ্রমিক ইউনিয়ন, কমিউনিস্ট ও সমাজতান্ত্রিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল এবং ফিলিস্তিন সমর্থনকারী একটি গোষ্ঠী।
বিক্ষোভ উস্কে দেওয়ার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ফক্স নিউজ। দাবি করা হচ্ছে, কমিউনিস্ট ও ইসলামপন্থী মতাদর্শ সমর্থনকারী প্ল্যাটফর্মগুলো এই বিক্ষোভকে ছড়িয়ে দিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে।
আমেরিকান সাংবাদিক আসরা নোমানিও কমিউনিস্ট ও সমাজতান্ত্রিক সংগঠনগুলোর একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি ফ্রান্সের ছাত্র বিক্ষোভের সঙ্গে ভারতের বিক্ষোভের যোগসূত্র থাকার দাবিও করেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্টে নোমানি বলেছেন, 'নেক্সট: ইন্ডিয়া' নামে তিনি আগে যে ঘটনাগুলোর বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, সেগুলো এখন ঘটছে। তিনি ফক্স নিউজের একটি রিপোর্টও শেয়ার করেছেন, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, একটি বৃহত্তর কমিউনিস্ট এজেন্ডা এগিয়ে নিতে ছাত্র আন্দোলনকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
নিজের পোস্টে নোমানি সাংহাই-ভিত্তিক আমেরিকান ব্যবসায়ী নেভিল রয় সিংহামের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, সিংহামের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ ডলার ভারতে প্রচার ও প্রভাব বিস্তারের প্রচারাভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে।