Advertisement

Donald Trump: 'আমি নিজেই ইসলামাবাদ যাব...' ইরানের সঙ্গে ডিল নিয়ে বড় দাবি ট্রাম্পের

এনরিচড ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করে দেবে ইরান। যার ফলে আমেরিকা এবং ইরান, দুই দেশই শান্তি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। আর শান্তি চুক্তি ফাইনাল হলে তিনি নিজেও ইসলামাবাদে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

ডোনাল্ড ট্রাম্পডোনাল্ড ট্রাম্প
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:02 AM IST
  • এনরিচড ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করে দেবে ইরান
  • আমেরিকা এবং ইরান, দুই দেশই শান্তি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে
  • তিনি নিজেও ইসলামাবাদে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

এনরিচড ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করে দেবে ইরান। যার ফলে আমেরিকা এবং ইরান, দুই দেশই শান্তি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। আর শান্তি চুক্তি ফাইনাল হলে তিনি নিজেও ইসলামাবাদে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প এমন দাবি করেন। তিনি এই ঘটনাকে বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, 'ওঁরা আমাদের নিউক্লিয়ার ডাস্ট ফেরত দিতে রাজি হয়েছে'। মাথায় রাখতে হবে, এই নিউক্লিয়ার ডাস্ট সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের জন্য ব্যবহৃত একটি শব্দ। এর মাধ্যমে পারমাণু অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব বলে ওয়াশিংটন মনে করে।

ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরবর্তী দফার আলোচনা এই সপ্তাহের শেষেই শুরু হতে পারে। পাশাপাশি তিনি আলোচনায় গতি আসার ইঙ্গিত দেন।

যদিও তিনি বর্তমান যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, 'আমি নিশ্চিত নই যে এটি বাড়ানোর দরকার আছে'। পাশাপাশি তাঁর দাবি তেহরান এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি নমনীয়।

তাঁর কথায়, 'এই মুহূর্তে আমাদের সঙ্গে ইরানের খুব ভাল সম্পর্ক রয়েছে। এটা সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। তবে চার সপ্তাহের বোমাবর্ষণ এবং শক্তিশালী প্রতিরোধের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।”

মাথায় রাখতে হবে, গত সপ্তাহের শেষে আলোচনায় বসেছিল দুই দেশ। সেখানে ইরানের পারমাণু কর্মসূচি একটি বড় বাধা ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের জন্য সব ধরনের পরমাণু কার্যক্রম বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেয়। তবে সেই দাবি মানতে চায়নি ইরান। তারা ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য বিরতির প্রস্তাব দেয় বলে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন চাইছে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়া হোক। ওদিকে তেহরান চায় আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক।

ইরানের দুই সূত্র জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে একটি সমঝোতার ইঙ্গিত মিলছে। তেহরান এখন মজুত করা কিছু অংশ বাইরে পাঠানোর কথা ভাবছে। 

Advertisement

যুদ্ধবিরতি অনিশ্চিত
তবে এমন পরিস্থিতিতেও ফের যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে জানান, আলোচনা ভেস্তে গেলে আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, 'চুক্তি না হলে লড়াই আবার শুরু হবে।' মাথায় রাখতে হবে, বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী সপ্তাহে শেষ হচ্ছে। আর তার আগেই শান্তি চুক্তিতে পৌঁছতে চাইছে দুই দেশ। 

ট্রাম্প আরও বলেন, যদি চুক্তি চূড়ান্ত হয়, তবে তিনি নিজে ইসলামাবাদে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। এখন দেখার জল ঠিক কোন দিকে গড়ায়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement