Advertisement

Shadow Trade Network: চিনকে ট্যারিফ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করছে ভারত, এবার গুরুতর দাবি ট্রাম্পের

চিনকে ট্যারিফ থেকে নাকি বাঁচিয়েছে ভারত। এমনই গুরুতর অভিযোগ এনেছে আমেরিকা। ঠিক কী দাবি ওয়াশিংটনের?

চিনকে কর ফাঁকি দিতে সাহায্য করেছে ভারত?চিনকে কর ফাঁকি দিতে সাহায্য করেছে ভারত?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Aug 2026,
  • अपडेटेड 10:09 AM IST
  • চিনকে ট্যারিফ থেকে নাকি বাঁচিয়েছে ভারত
  • এমনই গুরুতর অভিযোগ এনেছে আমেরিকা
  • ঠিক কী দাবি ওয়াশিংটনের?

ট্যারিফ ইস্যুতে আরও একবার ভারতকে অ্যাটাক করল আমেরিকা। যদিও এবার নয়াদিল্লির উপর অদ্ভুত এক অভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন। তাদের দাবি, ভারত 'গোপন পণ্য পরিবহণ নেটওয়ার্ক'-এর অংশ। নয়াদিল্লি নাকি চিনকে আমেরিকার ট্যারিফ থেকে বাঁচাচ্ছে। আর শুধু ভারত নয়, অন্য একাধিক দেশের উপর একই আভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন। 

আমেরিকার দাবি, ভারত সহ ৪০টিরও বেশি দেশ চিনকে মার্কিন শুল্ক এড়াতে সাহায্য করছে। তারা একটি 'শ্যাডো ট্রান্স-শিপমেন্ট নেটওয়ার্ক'-এর অংশ হিসেবে কাজ করেছে। সেই মর্মে ‘দ্য গ্রেট ট্রান্সশিপমেন্ট স্ক্যাম’ শিরোনামের একটি রিপোর্টও পেশ করা হয়েছে। বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো। তিনি জানিয়েছেন, এই ধরনের পণ্য পরিবহণ শনাক্ত করতে আমেরিকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করবে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাভারো জানান, ২০১৮ সালের পর থেকেই এই ধরনের প্রক্রিয়া আরও বেড়েছে। ওই সময় ট্রাম্প প্রশাসন চিনের 'অন্যায্য বাণিজ্যিক নীতির' বিরুদ্ধে স্যাংশন ৩০১-এর আওতায় একাধিক শুল্ক আরোপ করেছিল।

রিপোর্টে অনুমান করা হয়েছে, অবৈধভাবে ট্রান্স-শিপমেন্টের মাধ্যমে শুল্ক এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই পণ্যের বার্ষিক মূল্য ৪০ বিলিয়ন থেকে ৩০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। 

নাভারো বলেন, 'বছরের পর বছর ধরে চিন এই বড়সড় ট্রান্সশিপমেন্ট কেলেঙ্কারি করেছে। ৪০টিরও বেশি দেশের মাধ্যমে তারা রফতানির পরিচয় গোপন করেছে।'

তিনি জানান, চিনের তথাকথিত ‘শ্যাডো ট্রান্সশিপমেন্ট নেটওয়ার্ক’-এর মধ্যে আমেরিকার বেশ কয়েকটি বড় বাণিজ্যিক পার্টনার রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে মেক্সিকো, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া।

তাঁর মতে, চিন এই দেশগুলিকে ব্যবহার করত। তারা নিজেদের প্রোডাক্টে সামান্য প্রক্রিয়াকরণ, নতুন লেবেল লাগানো, পুনরায় প্যাকেজিং, নতুন করে ইনভয়েস তৈরি অথবা পণ্য পরিবহণের রুট পরিবর্তন করত। এর ফলে পণ্যগুলির উৎপত্তি নতুন কোনও দেশের বলে মনে হতো। কিন্তু লাভ হতো চিনের।

কীভাবে শুল্ক এড়ায় চিন?
রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতের পুনে-গুজরাট-চেন্নাই উৎপাদন বেল্টে চিনের তৈরি পাম্প ও কমপ্রেসর ঢুকছে। এর ফলে আমেরিকার সিনসিনাটি, ডেটন ও কলম্বাসের শিল্প সরবরাহ ব্যবস্থা প্রভাবিত হচ্ছে।

Advertisement

নাভারো বলেন, 'চিনা পাম্প পুনে থেকে ভারতীয় পাম্প হিসেবে আমেরিকায় যায়। যার ফলে সিনসিনাটি, ডেটন বা কলম্বাসে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।'

শুল্ক ফাঁকি ধরতে AI ব্যবহার করবে আমেরিকা
যদিও এবার চিনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে আমেরিকা। নাভারো জানান, তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্যমে আমেরিকার বাজারে পৌঁছনো পণ্য শনাক্ত করতে মার্কিন প্রশাসন এই ব্যবহার করবে। এই সিস্টেমে পণ্যের শিপমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য, এর রুট, প্রোডাক্টের শ্রেণিবিন্যাস, মালিকানার যোগসূত্র, উৎপাদন ক্ষমতা এবং আরও বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করা হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement