Advertisement

who is Captain Smit Machchhar: ছুরিতে রক্তাক্ত, সেই অবস্থায় মাঝ আকাশে ১৭৪ জনকে বাঁচালেন, চিনে নিন ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে

মাঝ আকাশে ১৭৪ জন যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়েছেন ক্যাম্পেট স্মিত প্যাটেল। বর্তমানে তিনি হয়ে উঠেছেন গোটা বিশ্বের হিরো। তাঁর প্রশংসা করেছেন নরেন্দ্র মোদী, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মতো রাষ্ট্রনেতারা। তাই ঝটপট এই পাইলটের বিষয়ে জেনে নিন।

ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর কে? (ছবি: রয়টার্স)ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর কে? (ছবি: রয়টার্স)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:12 AM IST
  • মাঝ আকাশে ১৭৪ জন যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়েছেন ক্যাম্পেট স্মিত প্যাটেল
  • বর্তমানে তিনি হয়ে উঠেছেন গোটা বিশ্বের হিরো
  • তাঁর প্রশংসা করেছেন নরেন্দ্র মোদী, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মতো রাষ্ট্রনেতারা

দুবাই থেকে ইজরায়েল যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান। সেখানে ভারতীয় এক পাইলটকে ছুরি দিয়ে হামলা করেন সহ-পাইলট। বিমানটি ক্র্যাশ করার চেষ্টা হয়। তবে তেমন অবস্থাতেও যিনি ফ্লাইটটিকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন, তিনি হলেন, ভারতীয় পাইলক ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ১৭৪ জনের প্রাণ বাঁচানোর জন্য স্মিত মচ্ছরের প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ভারতীয় পাইলটকে ‘হিরো’ বলে প্রশংসা করেছেন। 

আর এমন পরিস্থিতিতেই অনেকের প্রশ্ন, স্মিত মচ্ছর আসলে কে? আসুন জেনে নেওয়া যাক তাঁর সম্পর্কে। 

স্মিত মচ্ছর কে?
তাঁর লিঙ্কডইন প্রোফাইল থেকে জানা যাচ্ছে, স্মিত মচ্ছর ২০২২ সালের জুন থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের বোয়িং ৭৩৭ বিমানের ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর প্রোফাইলে ৭৩৭-৮০০ এবং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ ও ৯ বিমানে মোট ৯,৭৫০ ঘণ্টা উড়ানের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করা রয়েছে।

ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি মুম্বইয়ে স্পাইসজেটে কাজ করেছেন। সেখানে তিনি ১১ বছর কাজ করেছেন। স্পাইস জেটে তিনি সিনিয়র কমান্ডার হিসেবে কাজ করতেন। পরে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন হন। এই পদে তিনি অন্য পাইলটদের ট্রেনিং দেওয়া শুরু করেন। সেই সঙ্গে তাঁদের দক্ষতা যাচাইয়ের কাজটাও করতেন তিনি। 

তাঁর প্রোফাইল থেকে জানা যাচ্ছে, স্মিত মচ্ছর ‘ডাইরেক্ট-এন্ট্রি ক্যাপ্টেন’ হিসেবে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেন। এর সহজ অর্থ হল, অন্য বিমান সংস্থায় ইতিমধ্যেই ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজ করা স্মিতকে সরাসরি ক্যাপ্টেন পদে নিয়োগ করা হয়েছিল। স্পাইসজেটে তাঁর পাইলট-ইন-কমান্ড হিসেবে ৬,৪০০ ঘণ্টারও বেশি উড়ানের অভিজ্ঞতাও ছিল।

পড়াশোনার কথা যদি বলা হয়, তাহলে মচ্ছর ২০০৮ সালে ওয়েলিংকর ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপরই তিনি বিমান চালানোর ট্রেনিং নেন। 

যদিও কোথা থেকে তিনি বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, সেটা তাঁর লিঙ্কডইন প্রোফাইলে উল্লেখ নেই।

Advertisement

কেমন আছেন স্মিত?
জানা যাচ্ছে, ছুরির আঘাতে ঘায়েল হয়েছেন স্মিত। তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, ওই কো-পাইলটকে সৌদি কর্তৃপক্ষ গ্রেফতার করেছে। তাঁর পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

ফ্লাইদুবাই বিমানে কী ঘটেছিল?
বুধবার সকালে ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ বিমানটি দুবাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (ডিএক্সবি) থেকে ইজরায়েলের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। মাঝ আকাশে ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এমনটাই জানিয়েছে ফ্লাইদুবাই।

বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি একটি ভিডিও বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মাঝ আকাশে থাকার সময় এক পাইলট বিমানের সিস্টেমে নাশকতা করার চেষ্টা করেন। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই সময় তাঁকে ছুরি দিয়ে কোপানো হয়।

নেতানিয়াহু বলেন, 'বিমানটি ইজরায়েলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এক পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। বিমানে থাকা সকলকে নিয়ে বিমানটি ক্র্যাশ করার চেষ্টা করা হয়।'

তবে সেই পাইলটকে লক্ষ্য পূরণ করতে দেননি স্মিত মচ্ছর। তিনি প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এই সময়ই বিমানে এক ক্রু সদস্য এবং এক যাত্রী ককপিটে ঢুকে অভিযুক্ত পাইলটকে কাবু করেন।

ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে ধস্তাধস্তির সময় মাত্র দুই মিনিটে বিমানটি অনেকটা নীচে নেমে যায়। তবে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, একজন ক্রু সদস্য ককপিটে ঢুকে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ করেন। এরপর বিমানটির গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে নিরাপদে ল্যান্ড করাতে হয়। বিমানের সব যাত্রীই নিরাপদে রয়েছেন। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement