scorecardresearch
 

তাঁর লেখা বই নিমেষেই শেষ! রবিবার বাগবাজারে বাম ছাত্র-যুবদের বুকস্টলে

তাঁর স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে বইমেলার। আনা হয়েছিল তাঁর লেখা বেশ কয়েকটি বই। বাগবাজারের মেলায় আরও অনেক বই ছিল, এখনও আছে। তবে ওই লেখকের বই নিমেষেই শেষ। এখন আয়োজকেরা আবার তাঁর লেখা বই জোগাড় করার কাজে লেগে পড়েছেন। 

Advertisement
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে বাম ছাত্র-যুবদের বুকস্টল। রবিবার বাগবাজারে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে বাম ছাত্র-যুবদের বুকস্টল। রবিবার বাগবাজারে
হাইলাইটস
  • সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায়কে স্মরণ করে বইমেলা
  • উদ্যোক্তা ডিওয়াইএফআই এবং এসএফআই
  • চলছে কলকাতার বাগবাজারে

তাঁর স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে বইমেলার। আনা হয়েছিল তাঁর লেখা বেশ কয়েকটি বই। বাগবাজারের মেলায় আরও অনেক বই ছিল, এখনও আছে। তবে ওই লেখকের বই নিমেষেই শেষ। এখন আয়োজকেরা আবার তাঁর লেখা বই জোগাড় করার কাজে লেগে পড়েছেন। 

লেখক কে? প্রয়াত বিশিষ্ট অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায়। রবিবার তাঁর স্মরণে বাগবাজারে দুদিনের বইমেলার আয়োজন করেছে বাম ছাত্র-যুবরা। বাগবাজারের নীলাচল রেঁস্তোরার কাছে। উদ্যোক্তা ডিওয়াইএফআই এবং এসএফআই-এর উত্তর কলকাতা আঞ্চলিক কমিটি। টেবিলে থরে থরে সাজানো বই। 

তাঁরা জানিয়েছেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায়কে স্মরণ করে বইমেলা। তাঁর লেখা অনেকগুলি বই আনা হয়েছিল। এদিন বিকেলে মেলা শুরু হয়। আর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর লেখা বই কিনে নেন পাঠকেরা। অনেকে তাঁর লেখা বই খুঁজছেন। কিন্তু আমরা তা দিতে পারছি না। চেষ্টা করা হচ্ছে তাঁর লেখা আরও বই আনার। সৌমিত্র চট্টোপাধ্য়ায়ের লেখা চারটি বই রাখা হয়েছিল স্টলে। সেগুলি হল 'শ্রেষ্ঠ কবিতা', 'অগ্রপথিকেরা', 'জন্ম যায় জন্ম যাবে', এবং 'মানিকদার সঙ্গে'।

এর পাশাপাশি আরও অনেক লেখকের বই রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে অজস্র বই আনা হয়েছে। এনবিএ, র্যাডিক্যাল, ছাত্র সংগ্রাম থেকে প্রকাশিত অনেক বই আনা হয়েছে। বইমেলা চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

বইমেলার মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে ২৬ তারিখের ধর্মঘটের প্রচারও করা হচ্ছে। সেখানে লাগান হয়েছে ব্য়ানার। কেন বামেরা ধর্মঘট ডেকেছে, তা-ও জানানো হচ্ছে সেখানে আসা বইপ্রেমীদের। তাঁদের ধর্মঘটে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করা হচ্ছে।

বামপন্থাই একমাত্র বিকল্প। আজীবন তা-ই বিশ্বাস করে এসেছেন সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ভরসা রাখতেন বাম রাজনীতিতে। তাঁরা কেন মানুষের মনে ভরসা তৈরি করতে পারছেন না, তা খুঁজে বের করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিকে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসবের বিকল্প হতে পারে একমাত্র বামপন্থাই। রাজ্য সিপিএমের মুখপত্রের শারদ সংখ্যায় লিখেছিলেন সে কথা। সেখানে রাজনীতি থেকে সাহিত্য, সংস্কৃতি, গান- বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তিনি। তুলে ধরেছিলেন তাঁর মতামত।

ওই পত্রিকায় 'এখনও বিশ্বাস করি, বামপন্থাই বিকল্প' শীর্ষক একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। সেখানে বামেদের ওপর যেমন ভরসা করেছেন, তেমনই কেন তাঁরা মানুষের মন ভরসা তৈরি করতে পারছেন না, সে প্রশ্নও তুলেছিলেন।

Advertisement