scorecardresearch
 

'মেরে কেস খান', কর্মীদের বার্তা সুকান্তর, 'যদি কব্জিটাই না থাকে', পালটা অনুব্রত

সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, "বিধানসভা উপনির্বাচনে বড় সভা হবে না, তাই তারকা প্রচারকেরা হয়ত আসবেন না। কর্মীদেরই ভোটে লড়তে হবে। বাইরে থেকে কেউ এসে লড়ে দেবে না।" একইসঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে কমপক্ষে ২০টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রাও বেঁধে দেন তিনি।

Advertisement
সুকান্ত মজুমদার ও অনুব্রত মণ্ডল (বামদিক থেকে) সুকান্ত মজুমদার ও অনুব্রত মণ্ডল (বামদিক থেকে)
হাইলাইটস
  • জেলা সফরে সুকান্ত মজুমদার
  • লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ২০ আসন জয়ের টার্গেট দিলেন কর্মীদের
  • পালটা 'বোকা' বলে কটাক্ষ অনুব্রতর

"মার খেয়ে নয়, মার দিয়ে কেস (মামলা) খান, দল কর্মীদের পাশে থাকবে", জেলা সফরে বেরিয়ে দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের এমনটাই বার্তা দিলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বৃহস্পতিবার থেকে জেলা সফরে বেরিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বীরভূম দিয়ে শুরু হয়েছে সুকান্ত মজুমদারের জেলা সফর। এদিন বীরভূমের বুকে দাঁড়িয়েই দলের কর্মী সমর্থকদের এই বার্তা দেন রাজ্য সভাপতি। 

সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, "বিধানসভা উপনির্বাচনে বড় সভা হবে না, তাই তারকা প্রচারকেরা হয়ত আসবেন না। কর্মীদেরই ভোটে লড়তে হবে। বাইরে থেকে কেউ এসে লড়ে দেবে না।" একইসঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে কমপক্ষে ২০টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রাও বেঁধে দেন তিনি।

এদিন তৃণমূলের বীরভূম (Birbhum) জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকেও (Anubrata Mandal) নিশানা করেন সুকান্ত মজুমদার। নাম না করে তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে 'আধপাগলা বিচ্ছু' বলে কটাক্ষ করেন সুকান্ত। 

অনুব্রত মণ্ডলও অবশ্য পালটা জবাব দেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে 'বোকা' বলে আখ্যা দেন তিনি। সুকান্তকে বিঁধে অনুব্রত আরও বলেন, "এর কথা যে বিশ্বাস করবে তার অকালে মৃত্যু হবে।" অন্যদিকে কর্মীদের 'মেরে কেস খাওয়া'র যে বার্তা সুকান্ত দিয়েছেন, তার প্রেক্ষিতে অনুব্রত বলেন, "মারতে গেলে হাতের দরকার হয়। হাতের কব্জিটাই যদি ভেঙে যায়। দেখা যাবে, ময়দানে থেকে করুক ভাল লাগবে।"

 

Advertisement