Advertisement

Ravi Kishan: 'রোগা পুলিশ, উল্টে আমাকেই গার্ড দিতে হয়েছে', বাংলায় ভোটপ্রচারের ভোগান্তি তুলে ধরলেন রবি কিসান

তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের পরিস্থিতি এমন যে যেকোনও মুহূর্তে হিংসা ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, কলকাতাসহ বিভিন্ন জায়গায় বহু বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 03 Apr 2026,
  • अपडेटेड 6:56 PM IST
  • পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ফের সরব হলেন বিজেপি সাংসদ রবি কিসান।
  • অতীতের নির্বাচনী প্রচারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ফের সরব হলেন বিজেপি সাংসদ রবি কিসান। অতীতের নির্বাচনী প্রচারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

রবি কিসান বলেন, 'নির্বাচনী প্রচারে এসে তিনি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পাননি। তাঁর কথায়, 'আমি মাননীয় সুপ্রিম কোর্টকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ গত নির্বাচন সহ বিগত দুটি নির্বাচনেও যখনই আমি প্রচারে গিয়েছি, আমাকে সেখানে নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি। আমাদের একজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল, তিনি ছিলেন একজন পাতলা গড়নের মানুষ, আমাদেরকেই তাঁর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়েছিল।'

সম্প্রতি মালদায় এসআইআর-এর কাজে যুক্ত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ঘিরে উত্তেজনার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নড়েচড়ে বসেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে কড়া ভর্ৎসনা করে মুখ্য সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে নোটিসও পাঠানো হয়েছে। আদালতের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে রবি কিসান রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের পরিস্থিতি এমন যে যেকোনও মুহূর্তে হিংসা ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, কলকাতাসহ বিভিন্ন জায়গায় বহু বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন।

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস-কে নিশানা করে তিনি বলেন, 'আমি আপনাদের বলতে চাই যে দিদি নির্বাচনে হেরে যাচ্ছেন এবং বিজেপি সরকার গঠন করছে। আপনারা আমাদের কর্মীদের ওপর যত খুশি অত্যাচার করতে পারেন।'

শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, শিল্পীদেরও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রবি কিসান। তিনি বলেন, 'প্রবীণ অভিনেত্রী হেমা মালিনীর ‘কৃষ্ণলীলা’ ও শাস্ত্রীয় সংগীতের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।'

এছাড়াও তিনি ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতি ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সরব হন। তাঁর অভিযোগ, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement