Advertisement

Bratya Basu: শুভেন্দু '১৭৭ প্লাস' বলতেই EVM হ্যাকের আশঙ্কা TMC-র, ঠিক কী বলতে চাইলেন ব্রাত্য?

ব্রাত্য বসু বলেন, 'শুভেন্দু অধিকারী কীভাবে নিশ্চিতভাবে ১৭৭ আসনের কথা বলছেন? ভোট এখনও হয়নি, ফল প্রকাশ অনেক দূরের কথা, তবুও এত নির্দিষ্ট সংখ্যা কীভাবে জানলেন?' তাঁর কটাক্ষ, 'তবে কি আগে থেকেই কিছু পরিকল্পনা হয়ে রয়েছে? ইভিএম হ্যাকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।'

ব্রাত্য বসু ও শুভেন্দু অধিকারী।-ফাইল ছবিব্রাত্য বসু ও শুভেন্দু অধিকারী।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:08 PM IST
  • বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ভোটের আগেই ১৭৭-এর বেশি আসন জয়ের দাবি করতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল তৃণমূল।
  • এত নির্দিষ্ট সংখ্যা কীভাবে বলা সম্ভব? সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন তুললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। 

বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ভোটের আগেই ১৭৭-এর বেশি আসন জয়ের দাবি করতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল তৃণমূল। এত নির্দিষ্ট সংখ্যা কীভাবে বলা সম্ভব? সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন তুললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। 

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে ব্রাত্য বসু বলেন, 'শুভেন্দু অধিকারী কীভাবে নিশ্চিতভাবে ১৭৭ আসনের কথা বলছেন? ভোট এখনও হয়নি, ফল প্রকাশ অনেক দূরের কথা, তবুও এত নির্দিষ্ট সংখ্যা কীভাবে জানলেন?' তাঁর কটাক্ষ, 'তবে কি আগে থেকেই কিছু পরিকল্পনা হয়ে রয়েছে? ইভিএম হ্যাকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।'

এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে দলীয় কর্মিসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ২০১৬ সালে বিজেপি পেয়েছিল ৩টি আসন, ২০২১-এ ৭৭টি, আর এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ১৭৭-এর নিচে নামবে না। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আগের নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে ব্যবধান আরও বাড়ানোই এখন লক্ষ্য।

এই দাবির পেছনে নিজের যুক্তিও দেন তিনি। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রসঙ্গ তুলে ‘ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার’ তত্ত্বের কথা বলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রথম দফায় (‘ব্রেকফাস্ট’) প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গেছে, পরের ধাপে (‘লাঞ্চ’) আরও ৭ লক্ষ, আর এখনও ‘ডিনার’ বাকি। অর্থাৎ চূড়ান্ত তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক ‘ভূতুড়ে ভোটার’ বাদ পড়বে বলেই তাঁর ধারণা।

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় প্রায় ৬০ লক্ষ নাম যাচাইয়ের জন্য ছিল। ইতিমধ্যেই ৩২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। ফলে মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৭৬-৭৭ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে দাবি বিজেপির।

এই প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। একদিকে বিজেপির আত্মবিশ্বাসী অঙ্ক, অন্যদিকে তৃণমূলের তীব্র প্রশ্ন, ভোটের আগেই ফল ঘোষণা কি শুধুই রাজনৈতিক কৌশল, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও ইঙ্গিত লুকিয়ে আছে?

 

Read more!
Advertisement
Advertisement