
কাশ্মীর থেকে এল ভারতীয় সেনার বিশেষ বুলেটপ্রুফ গাড়ি। দেশের সীমান্ত, অত্যন্ত দাঙ্গাপ্রবণ এলাকায় এই গাড়ি ব্যবহার করা হয়। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে জোরদার করা হচ্ছে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে, নিঃসংশয়ে ভোট দিতে পারেন। ভোটের সময় কোথাও গুলি চললে বা পাথর ছোড়াছুড়ি হলে এই গাড়ি নিয়ে নামতে পারবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাধারণ মানুষকে বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করতে পারবে।
দিন কয়েক আগে রাজ্যে এসেছিল মিডিয়াম বুলেটপ্রুফ ভেহিকেল। বুধবার এল খাকি রঙের বুলেটপ্রুফ গাড়ি। কাশ্মীরে ইটবৃষ্টি, পাথর ছোড়া হলে নামে এই গাড়ি। জঙ্গিদের দমন করতে ব্যবহার হয় এসব বুলেটপ্রুফ গাড়ির। পশ্চিমবঙ্গে সেই গাড়ি নামিয়ে এবার নির্বাচন করানো হবে।
কোথায় কোথায় এসেছে সেনার বুলেটপ্রুফ গাড়ি?
বুধবার ভবানীপুরে এই গাড়ির টহল দিতে দেখা যায়। গাড়িতে রয়েছে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা। এদিন ভবানীপুর থানা থেকে শুরু হয় এই গাড়ির টহলদারি। পদ্মপুকুর, চক্রবেড়িয়া, শরৎবোস রোড হয়ে হাজরায় গিয়ে শেষ হয়। স্পর্শকাতর সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে রাখা হবে এই গাড়ি। সরিষাতেও এই গাড়ি ঘুরতে দেখা যায়।
এই গাড়িগুলির কী বিশেষত্ব?
জম্মু ও কাশ্মীরের খাকি রঙের এই গাড়িটি বুলেটপ্রুফ। সীমান্তবর্তী এলাকায় আধা সামরিক বাহিনী বা সিআরপিএফ থাকে। গাড়ির ভিতরে আটজন কমান্ডো থাকবেন। কমান্ডোদের সঙ্গে থাকবে একে৪৭ রাইফেল। এ ছাড়া, ধোঁয়ার জন্য এই গাড়িতে পৃথক ব্যবস্থা রয়েছে। কমিশন গিয়েছে, ভোটের সময় এই গাড়ি ব্যবহার হবে। কোনও এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ হলে বা গুলি চললে গাড়ি নিয়ে হাজির হয়ে যাবে কমান্ডোরা। গাড়িতে রয়েছে ধোঁয়ায় ঢেকে দেওয়ার ক্ষমতা। কোনও এলাকায় জমায়েত অশান্তি হলে ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে এই গাড়ি থেকে ধোঁয়া বেরোবে।
মাস খানেক আগে থেকেই স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে রুট মার্চ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। লাগাতার চলছে এরিয়া ডমিনেশন, নাকা চেকিং।