
এবারের বিধানসভা ভোটে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। যেখানে বিদায়ী মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, আগামী ৮ এপ্রিল এই কেন্দ্রের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার সার্ভে বিল্ডিংয়ে তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে খবর, ৮ এপ্রিল আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিংয়ে গিয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নিছকই মনোনয়ন জমা দেওয়া নয়, এই কর্মসূচিকে ঘিরে বড়সড় শক্তিপ্রদর্শনের পথে হাঁটছে ঘাসফুল শিবির। জানা গিয়েছে,সেদিন কালীঘাট ব্রিজ থেকে এক বিশাল মিছিল করে সার্ভে বিল্ডিংয়ের দিকে এগোবেন তৃণমূল নেত্রী। সঙ্গে থাকবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও অগণিত কর্মী-সমর্থক।
ছাব্বিশের নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো প্রচার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর থেকে দক্ষিণ, জেলায় জেলায় ঘুরছেন তাঁরা। বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন। রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর কথা তুলে ধরছেন আমজনতার সামনে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৭ এপ্রিল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে প্রচার করবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সম্ভবত ৮ তারিখ সকালেই কলকাতা ফিরবেন তিনি। ওইদিনই কালীঘাট ব্রিজ থেকে মিছিল করে যাবেন সার্ভে বিল্ডিং-এ। সেখানে মনোনয়ন জমা দেবেন তৃণমূলনেত্রী।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার শুভেন্দুর মনোনয়ন পেশের দিন কলকাতায় থাকবেন অমিত শাহ। হাজরা মোড় থেকে একটি জনসভা করে সেখান থেকেই রোড শো করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সেই কর্মসূচির মাধ্যমে ভবানীপুরে শক্তি প্রদর্শন করতে চাইছে বিজেপি।
এদিকে সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী ভহানীপুরের জন্য মনোনয়ন পেশ করতে চলেছেন। জানা যাচ্ছে তাঁর সঙ্গে মনোনয়ন পেশের সময় থাকতে পারেন অমিত শাহ। হাজরা মোড় থেকে একটি জনসভা করে সেখান থেকেই রোড শো করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সেই কর্মসূচির মাধ্যমে ভবানীপুরে শক্তি প্রদর্শন করতে চাইছে বিজেপিও। এর আগে নন্দীগ্রামে মনোনয়ন পেশের সময় শুভেন্দুর পাশে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। ফলে ভবানীপুরে অমিত শাহের উপস্থিতি হলে তা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক দিক থেকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এতে একদিকে যেমন শুভেন্দুর প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থা স্পষ্ট হবে, তেমনই ভবানীপুরের লড়াইকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি, সেটাও পরিষ্কার বার্তা দেবে।