
আরও একটা ভোট। আর ফের একবার রাস্তায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। এবার ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে SIR যে ইস্যু হবে, তা আগেই আঁচ করা গিয়েছিল। সেই ইস্যুকেই ধর্না নিয়ে ধারালো করে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শুক্রবার দুপুর ২ টো থেকে শুরু করার পর, রাতভর অবস্থান করেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মেট্রো চ্যানেলের সামনে চলছে অবস্থান। শনিবার ফের সকাল ১০টা থেকে এই ধর্না চলবে।
বিজেপি-কে নিশানা করে মমতা বললেন, 'ঘরের মেয়েদের নাম বাদ দিলে কেউ ক্ষমা করবে না তোমাদের। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে ভয় পায় ওরা। জীবিত ভোটার, যাঁদের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের স্টেজে তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সবাইকে কাগজ দেখাতে বললেন। সব নথি থাকা সত্ত্বেও ভ্যানিশ করে দিয়েছে সব ভোট। শুধু বিজেপি-র ভোট থাকবে?'
অমিত শাহকে নাম না করে নিশানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, 'ওরা প্রচার করছে ভোট দেওয়া গণতান্ত্রিক অধিকার। তাই যদি হয়, তাহলে কেন ভোটারদের নাম ডিলিট করছে? স্বার্থপর দৈত্যরা স্বার্থপরের মতো কাজ করছে। এরা আমার ভোটার। আমাকে কাটবে তোমরা? ঘেঁচু করবে! একজন হোঁদল কুতকুত আছে, তিনি বসে বসে কলকাঠি নাড়ছেন। নির্বাচনের ১৫ দিন আগে ধনখড়ের মতো অবস্থা করলে আনন্দ বোসের। অত্যাচারী, স্বৈরাচারী, এত মানুষের মৃত্যু, একটুও হৃদয়ে মায়া জাগে না! যার নাম কেটে দিয়েছে, সে ভাবছে, আমি কি এদেশে থাকতে পারব? চিন্তা করবেন না, আমি আছি পাশে।'
ধর্মতলার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে নিশানা মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের। বাংলা নিজেদের লড়াই করতে জানে বলে জানিয়ে মমতা বলেন, 'বেশি করলে দিল্লির সরকার ফেলে দেওয়া হবে।'
প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোসকে কেন সরানো হয়েছে, তা তিনি জানেন বলে দাবি করলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যপালকে 'থ্রেট' দেওয়া হয়েছে।
রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ধর্মতলার মঞ্চ থেকে মিছিলের ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীকাল মহিলাদের হাঁড়ি, কড়াই, বাটি নিয়ে মিছিলে নামতে নির্দেশ দেন CM মমতা।
রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে, মহিলা দিবসে হাঁড়ি, কড়াই, হাতা, খুন্তি নিয়ে কালো শাড়ি পড়ে মিছিল করার আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে সাদা এবং বাকি সকলে কালো শাড়ি পোশাক পড়ে পথে নামবেন বলে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা দাবি করেন, ভবানীপুরে ৬০ হাজার ভোট কাটা হয়েছে। নাম না করে বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে বড়সড় দাবি করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্র সরকার 'বঙ্গভঙ্গ' করার পরিকল্পনা করছে। বাংলা ও বিহার নিয়ে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর হুঙ্কার ইউনিয়ন টেরিটরি তৈরি করতে দেব না।
শনিবার বেলা ১০টা ৪৫ নাগাদ ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে বক্তব্য রাখতে শুরু করেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেন, বাংলা সিমেন্ট হাব হয়ে গিয়েছে। প্রচুর কয়লা উত্তোলন করা হয়, কিন্তু তা কেন্দ্র নিয়ে চলে যায়। এদিন বাংলার অস্মিতা নিয়েও কেন্দ্রকে নিশানা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
ধর্মতলায় ধর্নামঞ্চে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর-এ নাম বাদের বিরুদ্ধে ধর্না চালাচ্ছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী শুক্রবার জানান, যেসব জীবীত ভোটারদের ভোটার তালিকায় মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে,তাঁদের আজ ধর্না মঞ্চে আনবেন মমতা।
SIR-এর মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের 'চক্রান্তের' বিরুদ্ধে শুক্রবার থেকেই ধরনা কর্মসূচি শুরু করেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। গতকাল সেই মঞ্চে হাজির ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের মন্ত্রী, দলীয় সাংসদ, বিধায়করা। শনিবার ফের সকাল ১০টায় তৃণমূস সুপ্রিমো ধরনা মঞ্চে হাজির হবেন বলে জানা গিয়েছে।
শুক্রবার ধর্মতলায় ধরনা মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের মহারাজ। মঞ্চ থেকে তিনি জানান, "আমি রামকৃষ্ণ সারদা মিশন থেকে এসেছি। আজ ১৪ বছর হল মিনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট। তা সত্ত্বেও আমার নাম বাতিল করা হয়েছে। আমি বেলুড় মঠের দশম প্রেসিডেন্ট স্বামী বীরেশ্বরানন্দের মন্ত্রশিষ্য। আমি আজ দিদির কাছে এলাম। বললাম, এ রকম যদি হতে থাকে তা হলে তো দেশের অবস্থা তো খুব খারাপ হবে…।"