
বাংলার বিধানসভা ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। সেই আবহেই সোমবার কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে সমাবেশ করতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর সেই মিটিংয়ের প্রধান আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে দেখতেই আজ মাঠ ভরে যাবে বলে আশা করছে বঙ্গ বিজেপি। সেই মতো প্রস্তুতি চলছে কয়েক দিন ধরেই।
বিজেপি সূত্রে খবর, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের মানুষ এবং গেরুয়া কর্মী সমর্থকদের বার্তা দেবেন মোদী। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসবে তৃণমূল বিরোধীতা। তিনি সরকার পাল্টে ফেলার ডাক দেবেন। পাশাপাশি এই বৈঠকে তিনি বঙ্গ বিজেপিকে বাঙালিয়ানার রঙে রাঙিয়ে দিতে পারেন। হিন্দি বলয়ের পার্টি নয়, এটা যে বাংলার আপন দল সেই বার্তাও দিতেন পারেন মোদী বলে খবর মিলছে।
আর ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে স্বভাবতই উত্তেজিত বিজেপি। যতদূর খবর, সভামঞ্চকে বিশেষভাবে সাজিয়ে নিচ্ছে তারা। দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দিরের আদলেই মঞ্চটি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি মঞ্চ সজ্জাতেও অভিনবত্ব থাকছে। সেখানে কোচবিহারের রাজবাড়ির ছবি থেকে শুখু করে বাঁকুড়ার বিখ্যাত টেরাকোটার ঘোড়া এবং উত্তরবঙ্গের জঙ্গলের দৃশ্য থাকবে বলে খবর। পশ্চিবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের ১২ জন শিল্পী মিলেই এই মঞ্চ সাজিয়ে তুলছেন বলে খবর।
মাথায় রাখতে হবে, এই কর্মসূচিতে এক দিকে হবে জনসভা। তেমনি একটি প্রশাসনিক অনুষ্ঠান থেকে একাধিক রাস্তা ও রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
এটা নারীবিদ্বেষ। মহিলা মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা করেছে। আর এখন গিয়ে শুয়ে পড়ছে। ওরা কাপুরুষ। আমি অসুস্থ বোধ করছি। আমায় ইট দিয়ে মেরেছে।
আমি এফআইআর করছি। এটা বি-গ্রেড সভা। বিহার, ঝাড়খণ্ড থেকে গুন্ডাদের এনেছে। রাত থেকেই মাতলামি করছিল। বাইরে থেকে এসে বাংলার মাটিতে গুন্ডামি করতে পারে না। এই বাসগুলির নেমপ্লেট চেক হবে।
এত দিন ভাবতাম গণতন্ত্রের হত্যা করছে। এবার দেখছি এরা শারীরিকভাবে মারধর করতে চাইছে। শ্রী রামের নামে জয়ধ্বনি দিয়ে হিংস্র হয়ে উঠেছিল বিজেপি সমর্থকরা। আমি আহত। আমরা সহকর্মীরা আহত: শশী পাঁজা।
বাংলাকে অসুরক্ষিত করেছে সরকার। এখানে খোলাখুলি ধমক দেওয়া হচ্ছে যে একটি বিশেষ সম্প্রদায় আপনাদের খতম করে দেবে। সাংবিধানের কুর্সিতে বসে এমন কথা, আপনার মুখে শোভা পায় না। ধমকানোই তৃণমূলের রাজনীতি। বাংলায় ভয়ের মহল বানিয়ে রাখা হচ্ছে, দুনিয়ার তা দেখা প্রয়োজন। এরা বলে তৃণমূলকে যে ভোট দেয় না, সেই বাঙালি-ই নয়! আমি তৃণমূলকে মনে করাচ্ছি, ওদের গুন্ডামির দিন এ বার শেষ হওয়ার মুখে। তৃণমূল সরকারের যাওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পরে সকলের উন্নয়ন হবে এক দিকে, অন্য দিকে সব কিছুর হিসাব হবে। তৃণমূলের গুন্ডারা যারা আপনাদের ভয় দেখায়, তাদের খারাপ দিন আসছে। আইনের শাসন হবে। অপরাধীদের একটাই জায়গা জেল... জেল, বললেন মোদী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে 'বিশেষ কমিউনিটি' মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা ব্রিগেডের মঞ্চে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কট্টরপন্থীদের সুরক্ষা দেয় তৃণমূল। অনুপ্রবেশকারীদের ডেকে ডেকে আনে। মা-মাটি-মানুষের উপর ভিত্তি করে ক্ষমতায় এসেছিল। সেই মা আজ কাঁদছে। মাটি লুট করা হচ্ছে। আর মানুষে বাংলা ছেড়ে চলে যাচ্ছি। বাংলার মানুষের রোজগার ছিনিয়ে নিচ্ছে এরা। মা-বোনেদের সুরক্ষা নেই। বাংলার মাটিতে অনুপ্রবেশকারীদের কব্জা। বাংলার ডেমোগ্রাফি বদলে যাচ্ছে। বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয় এলেই তৃণমূল বিরোধিতা করে। হিন্দুদের উনি নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক মনে করেন না। SIR-এর বিরোধিতা করেন তিনি। অনুপ্রবেশকারীদের নাম যাতে ভোটার লিস্ট থেকে বেরিয়ে না যায়, যাতে ভোটার লিস্ট শুদ্ধ না হয়। মৃত ভোটারদের নামও বাদ দিতে দিচ্ছে না ওরা। এই কারণেই বাংলা অসুরক্ষিত। খোলাখুলি হুমকি দেওয়া হচ্ছে, বিশেষ কমিউনিটি আপনাদের খতম করে দেবে। সংবিধানের চেয়ারে বসে এই ধরনের হুমকি? আপনার মুখে শোভা পায় না। কারা এরা? যারা তৃণমূলের ইশারায় কোটি কোটি লোকের ক্ষতি করে দেবে? তৃণমূলের যে গুণ্ডারা আপনাদের ভয় দেখায়, BJP সরকারের আমলে তাদের ভয় পাওয়া শুরু হয়ে যাবে। অপরাধী, অনুপ্রবেশকারীদের মুখ লোকানোর জায়গা হবে না। তাদের একমাত্র ঠিকানা হবে জেল। সবকা সাথ, সবকা বিকাশের পাশাপাশি এদের পরিণতি নির্ণয় করবে BJP সরকার।'
'বামেদের হঠিয়ে অনেক আশায় তৃণমূলকে এনেছিলেন এখানকার মানুষ। কিন্তু গুন্ডা, মাফিয়াদের নিদেরে দলে টেনে নিয়েছে। অপরাধীদের ছেড়ে রেখেছে ওরা। কলেজেও দুষ্কর্ম হচ্ছে। তৃণমূল কার্যালয়েও যৌন হেনস্থার ঘটনা ঘটছে। কোনও না কোনও অপরাধে যুক্ত থাকেন তৃণমূলের কেউ না কেউ। অপরাধীদের বাঁচানোর পূর্ণ চেষ্টা করা হয় এখানে। সন্দেশখালির সেই ছবি, আরজি কর কাণ্ড মানুষ ভোলেনি। তৃণমূল কী ভাবে প্রকাশ্যে অপরাধীদের সঙ্গে থাকে, সকলেই দেখেছে। মেয়েদের বলতে হয়, বাড়ি ফিরে এসো সন্ধ্যে নামার আগে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পরিস্থিতি বদলে যাবে। এটাই মোদীর গ্যারান্টি।'
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'TMC সরকার কট্টরপন্থীদের নিরাপত্তা দেয়। অনুপ্রবেশকারীদের ডেকে আনে। এই TMC মা-মাটি-মানুষের কথা বলে সরকারে এসেছিল। আজ সেই মা কাঁদছে, মাটি লুঠ হচ্ছে আর বাংলার মানুষ বাংলা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।'
মহিলাদের উপর অত্যাচার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'মা বোনেদের সুরক্ষা নিয়ে ছেলেখেলা চলছে এখানে। তৃণমূল গেলে প্রত্যেক গরিব পরিবার পাকা ঘর পাবে। এটাই মোদীর গ্যারান্টি। এই সরকার গেলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে পরিষ্কার জল পৌঁছবে, বিনামূল্যে চিকিৎসা মিলবে, কারিগরেরা কাজ পাবে। এরা গেলে তবেই বাংলায় সুশাসন আসবে। আমাদের বাংলা বিভাজনের সময়কার দাঙ্গা দেখেছে, অনুপ্রবেশের সময় দেখেছে, রক্তপাত সহ্য করেছ। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ছিলেন, বাংলার মহিলারা। বাম শাসনের সময়ে অপহরণ, হত্যা, ধর্ষণের ঘটনা কেউ ভুলতে পারেনি। সে কারণেই আপনারা বামেদের সরিয়ে আশা করে তৃণমূলের উপর ভরসা করেছিলেন। কিন্তু ওরা বামেদের গুণ্ডা, মাফিয়াদের নিজেদের পার্টিকে ভর্তি করা নিল। অপরাধীরা এখানে খোলাখুলি ঘুরে বেরায়। প্রতিদিনই মা-বোনেদের উপর শিউরে ওঠার মতো অত্যাচার হয়। হাসপাতাল হোক, কলেজ হোক বা পার্টির কার্যালয়, মা-বোন, নাবালিকাদের সঙ্গে দুষ্কর্ম হচ্ছে। এতে কোনও না কোনও তৃণমূলের নেতা জড়িত থাকে। ধর্ষকদের সুরক্ষা দেওয়া হয় এখানে। সন্দেশখালির সেই চিত্র, আরজি কর হাসপাতালের সেই দানবীয় ঘটনা বাংলার মানুষ ভোলেনি। মায়েরা সন্ধে হলেও মেয়েদের বলে, বাড়ি ফিরে এসো সন্ধে নামার আগে।' BJP সরকার ক্ষমতায় এলে মা-বোনেরা সুরক্ষিত থাকবে এবং অত্যাচারীরা জেলে থাকবে, গ্যারান্টি দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
‘বাংলার হাল আর লুকিয়ে রাখা যাচ্ছে না। কয়েক দিন আগে চন্দ্রকোনায় এক আলুচাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের কাটমানি, দুর্নীতি এবং খারাপ রাজনীতির জন্য কৃষক, নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তের জীবন দুর্বিষহ। মা-বোনেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তৃণমূলের সরকার গেলেই গরিবদের পাকা বাড়ি বানানো শুরু হবে। প্রত্যেক বাড়িতে পরিশুদ্ধ জল যাবে।’ মোদী বলেন, বাম সরকার অপহরণ, হত্যার সেই সময় কেউ ভুলতে পারেনি। সেই কারণে বাম সরকারকে সরিয়ে অনেক আশা করে তৃণমূলকে নিয়ে এসেছিলেন। তৃণমূলের উপরে ভরসা রেখেছিলেন। তৃণমূল বাম আমলের গুন্ডাকে নিজেদের দলে নিয়েছে। আজ গুন্ডাদের স্বাধীনতা রয়েছে এই বাংলায়। নারী, শিশুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। এই রাজ্যে কোনও অপরাধ ঘটলে, সেখানে অপরাধী হয় তৃণমূলের নেতা, নয় সেই অপরাধী তৃণমূলের সঙ্গে কোনওভাবে যুক্ত। সন্দেশখালির ঘটনা, আরজি কর হাসপাতালের সেই পড়ুয়ার সঙ্গে নির্মম ঘটনা মানুষ ভুলে যায়নি।
কেন্দ্রের একাধিক যোজনার সুবিধা বাংলার মানুষকে দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করলেন নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রের আবাস যোজনা থেকে শুরু করে, চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য যোজনা, আয়ুস্মান ভারত যোজনা, পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার মতো সুবিধা বাংলার সরকার সাধারণ মানুষকে নিতে দিচ্ছে না বলে তোপ দাগেন নরেন্দ্র মোদী।
দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। তিনি অভিযোগ করেন, চা-বাগানের শ্রমিকদেরও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দিতে দেয় না তৃণমূল। পাকা বাড়ি সর্বত্র পাচ্ছেন মানুষ। কিন্তু এখানে প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। তার পরেও যাঁদের বাড়ি পাওয়ার কথা ছিল, তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। জলজীবন মিশন থেকে আয়ুষ্মান ভারত, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তৃণমূলের জন্য বঞ্চিত বলে অভিযোগ মোদীর। মোদী বলেন, তৃণমূল না নিজে কাজ করে, না অন্যদের কাজ করতে দেয়। কাটমানি না পেলে কোনও প্রকল্পকে গ্রামেগঞ্জে পৌঁছোতে দেয় না তাই কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে পৌঁছোতে দেয় না।
চা বাগানে শ্রমিকদের কেন্দ্রের যোজনা মিলছে না বলে অভিযোগ করেন নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্র সরকারের এই যোজনায় বাংলার সরকার বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বলে অভিযোগ করেন নমো।
'তৃণমূলের একটাই অ্যাজেন্ডা। না নিজেরা কাজ করে, না করতে দেয়। যতক্ষণ না কাটমানি পাচ্ছে, ততক্ষণ প্রকল্পের সুবিধা গ্রামবাসীদের দেয় না। তৃণমূল সরকার সে কারণেই কেন্দ্রের পরিকল্পনা আটকে দেয়। কারিগরদের জন্য পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা রয়েছে আমাদের। কুমোর, কামারদের মতো দক্ষদের এই প্রকল্পের সুবিধা মিলছে। তবে নির্মম সরকার বাংলার যোজনায় ব্রেক লাগিয়ে দিয়েছে। আমাদের বিশ্বকর্মা ভাইদের কাছে কেন্দ্রের টাকা পৌঁছনো উচিত তো, নাকি?' প্রশ্ন নরেন্দ্র মোদীর। তিনি বলেন, 'কেন্দ্র তো পয়সা দিচ্ছে, বাংলার সরকারের তো কিছু করার নেই। তাহলে আমাদের বিশ্বকর্মা ভাইদের বঞ্চিত করা হচ্ছে কেন?'
বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। তবু বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বাংলায় বিকাশের কাজ করে চলেছে। এখনই আমি ১৮ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলাম। বাংলার বিকাশ হবে সৎ নীতি নিয়ে। নতুন বাংলা গড়ব আমরা, বললেন নরেন্দ্র মোদী। ব্রিগেডের সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর। বললেন, 'মহা জঙ্গলরাজ শেষ হবে, বাংলার নির্মম সরকারের অন্ত হবেই!'
মঞ্চ থেকে বারবার নাম করেই তৃণমূল সরকারকে নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। ব্রিগেড থেকে মোদী অভিযোগ করেন, TMC সরকারের আমলে এরাজ্যে খোলা চাকরি বিক্রি করা হচ্ছে, দুর্নীতি-ঘোঁটালা হচ্ছে। নমোর অভিযোগ, 'এই সরকার এমন সরকার, যারা নিজেরা না কাজ করতে চায়, না কাউকে কাজ করতে দেয়।'
নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'বাংলার যুবকরা প্রতিভাসম্পন্ন, দেশের মধ্যে তাঁরা সবচেয়ে এগিয়ে। পরিশ্রমী তাঁরা। বাংলা একটা সময়ে পুরো ভারতের উন্নয়নে গতি আনত। বাণিজ্যেও সবচেয়ে এগিয়ে ছিল বাংলা। কিন্তু আজ বাংলার অবস্থা কী আপনারা জানেন। যুব সম্প্রদায় না পাচ্ছে ডিগ্রি, না চাকরি। কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে তাঁদের। প্রথমে কংগ্রেস, তারপর কমিউনিস্ট এবং তৃণমূল এসে একের পর এক নিজেদের পকেট ভরেছে। বাংলায় বিকাশ হচ্ছে না। পরিকাঠামোর দিক থেকে আমাদের বাংলা পিছিয়ে যাচ্ছে। এখানে তৃণমূল সরকার চাকরি প্রকাশ্যে বিক্রি করেছে। একাধিক দুর্নীতি হচ্ছে। সময় এসে গিয়েছে, পরিস্থিতি বদলাতে হবে। বাংলার যুব সম্প্রদায়ের বাংলায় কাজ দিতে হবে। বাংলার বিকাশে তাঁদের নেতৃত্ব লাগবে। এই স্বপ্ন আপনার, আর এই স্বপ্ন পূরণ করা মোদীর গ্যারান্টি।'
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী: আপনাদের ছেলেমেয়েদের কাজের জন্য অন্য় রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। কংগ্রেস, বাম ও তৃণমূল পরপর এসেছে, নিজেদের পকেট ভরেছে এবং বাংলায় উন্নয়নের কাজ পড়ে থেকেছে।
'মহা জঙ্গলরাজ শেষ হবে, বাংলার নির্মম সরকারের অন্ত হবেই', ব্রিগেডের সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারকে নিশানা নরেন্দ্র মোদীর। তিনি বলেন, বিজেপিকে আটকানোর জন্য তৃণমূল সব হাতিয়ার ব্যবহার করে ফেলেছে। রাস্তা বন্ধ করিয়েছে, পোস্টার ছিঁড়েছে, ভয় দেখিয়েছে। কিন্তু এত মানুষকে আটকাতে পারেনি তাঁরা।
ব্রিগেডের সভা মঞ্চ থেকে সরাসরি TMC-কে নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। এদিন তিনি দাবি করেন, "TMC-র কোনও অত্যাচারীকে ছাড়া হবে না। বেছে বেছে খুঁজে নিয়ে হিসাব নেওয়া হবে।"
নরেন্দ্র মোদীর কথায়, 'তৃণমূল এখানে আসা মানুষদের চোর বলে সম্বোধন করেছেন। কে চোর সেটা বাংলার মানুষ জানে। ওরা সমস্ত হাতিয়ার বের করে ফেলেছে। মানুষকে আটকাতে ব্রিজ বন্ধ করে দিয়েছে। গাড়ি আটকে দিয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে। পোস্টার ছিড়েছে। কিন্তু নির্মম সরকার, স্পষ্ট দেখে নাও আজকের জনসমুদ্রকে আটকাতে পারেননি আপনারা। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ নিয়ে আসা সরকারের যাওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই দিন দূর নয়, যখন বাংলায় শাসন থাকবে। যে আইনের লঙ্ঘন করবে, তাদের ছেড়ে কথা বলা হবে না। তৃণমূলের কোনও অত্যাচারীকে ছাড়া হবে না। চুন চুন কে হিসাব লিয়া যায়েগা।' তিনি জানান, BJP-র সঙ্গে রয়েছে মহিষাসুরমর্দিনীর আশীর্বাদ রয়েছে, তাই পরিবর্ন কেউ আটকাতে পারবে না।
ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এদিন সভা থেকে বলেন, "এই রাজ্যের নির্মম সরকারের অবসান হবে। বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজের অবসান হবে।" PM মোদীর অভিযোগ, বিজেপি সমর্থকদের সভায় যোগ দিতে আসা থেকে বিরত করতে, 'নির্মম সরকার' কোনও চেষ্টার কসুর করতে ছাড়েনি।
বাংলায় ভাষণ শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, ‘আমার প্রিয় বাংলাবাসী। আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে প্রণাম।’ ঐতিহাসিক ব্রিগেড থেকে তিনি বলেন, ‘যেখানেই চোখ পড়ছে, সেখানেই মানুষ। অদ্ভুত দৃশ্য।’
বক্তব্যের শুরুতেই বাংলায় বার্তা প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'আমার বাংলার ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুশ্রদ্ধ প্রণাম। এই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের ঐতিহাসিক ময়দান আর এই ঐতিহাসিক জনসমুদ্র দেখতে পাচ্ছি চোখের সামনে। যেখানে যেখানে দেখছি মানুষ-ই-মানুষ দেখতে পাচ্ছি। আপনাদের উৎসাহ, উদ্যম দেখে বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মনে কী চলছে, বাংলা কী ভাবছে। কেউ দেখতে চাইলে এই চিত্র দেখুন। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের ইতিহাস সাক্ষী, যখন বাংলা দেশকে দিশা দেখায় এই ময়দান বাংলার আওয়াজ হয়েছে। এই ময়দান থেকে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে ওঠা আওয়াজ ক্রান্তি তৈরি করেছি। আজ আবার ব্রিগেড থেকে নয়া বাংলার ক্রান্তির বিউগল বেজে গিয়েছে। বাংলায় বদল আসছে তার দেওয়াল লিখন হয়ে গিয়েছে। বাংলার মানুষের হৃদয়ে লেখা হয়ে গিয়েছে। বাংলার নির্মম সরকারের অবসান হবে। বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজের অবসান হবে।'
'আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রণাম', বাংলায় শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় বক্তব্য রাখছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, 'তিনি ১২০ কোটি মানুষকে কোভিডকালে ভ্যাকসিন দিয়েছেন মোদী। ৮০ কোটি মানুষকে রেশন দিয়েছেন।'
তাঁর আরও দাবি, ৩০০-এর বেশি মানুষের প্রাণ যাওয়ার পরই এমন জায়গায় পৌঁছেছে বিজেপি। তাই এবার পরিবর্তন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন সড়ক ও রেলপথ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, পোর্ট ও জলপথ উন্নয়নের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। কলকাতা এবং হলদিয়ার মতো বন্দরগুলি পূর্ব ভারতের বাণিজ্যের প্রসারে অন্যতম সহায়তা করছে দীর্ঘদিন ধরে। খিদিরপুরে ডকে কার্গো ক্যাপাসিটি বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।…বাংলা যে ভাবে গোটা দেশকে দিশা দেখায়, আমি বিশ্বাস করি, বাংলায় পুনরায় ‘বিকশিত বাংলা’য় পরিণত হবে।
ব্রিগেডের মঞ্চে পৌঁছলেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর হাতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছবি তুলে দেওয়া হল। রজনীগন্ধার মালা পরিয়ে স্বাগত জানান হল প্রধানমন্ত্রীকে। এরপর সেখানে বলতে শুরু করলেন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'বাংলার ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়া হবে মোদীজির নেতৃত্বে।'
ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদীকে দুর্গা প্রতিমা উপহার দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সরকারি অনুষ্ঠান সেরে রাজনৈতিক মঞ্চে আসেন নরেন্দ্র মোদী। অনুষ্ঠানের শুরুতেই PM মোদীকে দুর্গা প্রতিমা উপহার দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
ব্রিগেডের সমাবেশে উত্তরীয়, রজনীগন্ধার মালা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অভ্যর্থনা জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উপহার দিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পোর্ট্রেট।
ব্রিগেডে সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, '১৮ হাজার কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন হল আজ। বাণিজ্য এগোবে, লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন সহজ হবে। কংসাবতী-শিলাবতী নদীর উপর তৈরি সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও দৃঢ় হবে। পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা পূর্ব ভারতের মানুষকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমাদের সংকল্প পশ্চিমবঙ্গ যেন রেল ব্যবস্থাকে আধুনিক করার উদ্যোগে পিছিয়ে না পড়ে। এখানে কেন্দ্র রেল ব্যবস্থাকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। কামাক্ষাগুড়ি, আনাড়া, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি স্টেশনের অমৃত ভারত স্টেশন হিসেবে উদ্বোধন হল। আরও অনেক স্টেশনের পুনর্বিকাশ করা হচ্ছে। পুরুলিয়া ও আনন্দবিকাশ স্টেশনের মধ্যে নয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের সূচনা হল। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লির মানুষও এই রেল পথের সুবিধা পাবেন। জলপথে বাণিজ্যেরও নতুন পথ উন্মোচন হচ্ছে। বন্দর পরিকাঠামো সংক্রান্ত প্রকল্পেরও শিলান্যাস হল। পূর্ব ভারতের বাণিজ্যের অন্যতম মূল কেন্দ্র কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর। কলকাতা ডক সিস্টেমে বাসকিউল ব্রিজের পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। পূর্ব ভারতের লজিস্টিক সিস্টেম আরও মজবুত হচ্ছে। সড়ক, রেল এবং জলপথের সঙ্গে জড়িত আরও পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এগুলিই বিকশিত বাংলার ভীত হিসেবে গড়ে উঠবে।'
ব্রিগেডে প্রশাসনিক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বললেন, 'দুবরাজপুর বাইপাস, শিলাবতী ও কংসাবতী নদীতে পুল তৈরির ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।'
কলকাতায় এসে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে পুরুলিয়া থেকে আনন্দ বিহার ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সবুজ পতাকা উড়িয়ে এই ট্রেনের উদ্বোধন করেন নমো। এদিন সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ১৮,৭০০ কোটিরও বেশি টাকার প্রজেক্টের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারি অনুষ্ঠানে ১৮,৮৬০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস এবং উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রয়েছেন নতুন রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। মোদীর হাতে গৌর-নিতাইয়ের মূর্তি তুলে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মিঠুনের কথায়, 'বাঙালি হিন্দুরা বেঁচে আছে। পুলিশকে বলুন নিরপেক্ষ হয়ে যেতে। ৩০ সেকেন্ডে খেলা শেষ করে দেব। উনি জানেন একটা সমাজের মেরুদণ্ড ভাঙতে কী লাগে। উনি শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছেন।'
ব্রিগেডের সভায় মিঠুন বললেন, 'আমি বলি উনি ভারতের সবচেয়ে বড় ১০ জন রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন। অনেকে তাতে আপত্তি করত। কিন্তু আমি এটা বলি কারণ উনি জানেন কীভাবে একটা সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে হয়। শিক্ষা ও কর্ম ব্যবস্থা উনি ভেঙে দিয়েছেন। ওই জন্যই আমি এটা বলেছি।'
'লোকে বলছেন, আমরা ৫০০ টাকা দিয়ে নাকি লোক এনেছি। তাহলে ভাবুন আপনি ১৫০০ টাকা দিয়ে কত লোক আনেন। লোক জমে না। এজন্য এই ভাতা ওই ভাতা দিয়ে লোককে টুপি পরান। উনি বলেছেন, আমাদের গলায় দড়ি দিয়ে মরতে। আমরা মরব, কিন্তু আপনি কথা দিন, আপনি রেললাইনে মাথা দিয়ে দেবেন।' নাম না করে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ মিঠুন চক্রবর্তীর।
ব্রিগেডের হেলিপ্যাডে এসে নামল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হেলিকপ্টার। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছবেন মঞ্চে।
দিলীপ ঘোষ বললেন, 'এখান থেকে ট্রেন যাচ্ছে ভিনরাজ্যে, যেখানে আমাদের যুবকরা চাকরি করতে যান। প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ক্লাস, বাঙালিকে প্রথম দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কালীঘাট ও কামাক্ষ্যাকে জুড়েছে। এখানে যে সরকার আছে, তাদের এমন ইমেজ, কোনও শিল্পপতি ভয়ে আসে না। বহু শিল্পপতি এখানে কারখানা না করে ওড়িশায় গিয়ে কারখানা বানাচ্ছেন। এখানে চাকরি নেই, আমাদের বাইরে যেতে হচ্ছে। এখানে হাজার হাজার মেয়ে গ্রাম থেকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে। পুলিশ খালি কাটমানি তুলে পার্টিকে দিচ্ছে আর দিদিমণির সভায় লোক জড়ো করছে। পুলিশের বন্ধুদের বলছি, চিরদিন কারও সমান নাহি যায়। নিজেদের ব্যবহার ঠিক করুন।'
ব্রিগেড থেকে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সভাস্থলে এসে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আজ মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি ব্রিগেডের মঞ্চে রয়েছেন। এছাড়া মঞ্চে উপস্থিত হতে দেখা গেল প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়কেও। এছাড়া মিঠুন চক্রবর্তীও রয়েছেন মঞ্চে।
ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসার কিছুক্ষণ আগেই রণক্ষেত্র হয়ে উঠল গিরিশপার্ক। গিরিশ পার্কে BJP সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা অভিযোগ তুলেছে TMC-ও। পাথরের ঘা-এ এক বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে গিয়েছে বলে দাবি।
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতায় রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে নামবেন PM মোদী। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন তিনি। PM-কে অভ্যর্থনা জানাতে প্রচুর লোকের ভিড়। রয়েছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
রাজ্যে বিপ্লব হবে, ক্ষমতায় এসে বিজেপি আলুর সহায়ক মূল্যের ব্যবস্থা করব কৃষকদের জন্য। মখ্যমন্ত্রী দষ্কৃতীদের সাহায্য করছেন। বিজেপি আসলে এসব চলবে না। বলডোজার চলবে। বললেন সুকান্ত মজুুমদার।
ব্রিগেডের সভায় সুকান্ত মজুমজার বললেন, 'বিজেপি বলেই এমন এত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান সম্ভব হয়েছে। এটা তৃণমূল কোনওদিনই পারবে না। তৃণমূল হলে বিরিয়ানির প্যাকেটের লোভ দেখিয়ে লোক আনতে হত।'
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড মঞ্চে মিঠুন চক্রবর্তী, রাহুল সিনহা ও দিলীপ ঘোষ। দীর্ঘদিন পর নরেন্দ্র মোদীর কোনও জনসভায় দেখা গেল দিলীপ ঘোষকে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতার মাটি ছোঁবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান। দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে রেসকোর্সে হেলিপ্যাডে নামবেন মোদী। ২টো ৪০ মিনিটে ব্রিগেডের মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড মঞ্চেই যবনিকা পতন হতে চলেছে জল্পনার? ডা: নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার সকালে যে পোস্ট শেয়ার করেছেন, তাতে কার্যত স্পষ্ট হয়েছে তাঁর BJP-তে যোগদানের বিষয়টি। এবার মোদীর হাত থেকে পতাকা তুলে নেওয়ার অপেক্ষা। 'ওয়েলকাম টু BJP।' জনৈক রত্নেশ্বর রায়চৌধুরী নামে একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পোস্ট করা এমনই মন্তব্য শেয়ার করলেন খোদ ডা: নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাম ঘেঁষা ডাক্তার হিসেবে পরিচিত এই নামী চিকিৎসক শেষ পর্যন্ত শনিবার নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে BJP-তেই যোগদান করতে চলেছেন, তাঁর লেটেস্ট পোস্ট সেই জল্পনাতেই যেন সিলমোহর দিল।
ব্রিগেডের সভায় অগ্নিমিত্রা পল বলেন, 'দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অযোগ্য শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৫ বছর ধরে মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করেছিল। আজ তৃণমূল ক্ষমতা হারাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতা থেকে সরে যাচ্ছেন, কারণ বাংলার মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন যে এই তৃণমূল আর নয়।'
দুপুর ১.২০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকে যাবেন ব্রিগেডের প্যারেড গ্রাউন্ডে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় বিধানসভার পাতলি এলাকায় আবার ব্রিগেডমুখী বিজেপির গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, নারায়ণগড় বিধানসভার থেকে ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছিল বাসটি। সেই সময় বাস ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। এক বিজেপি কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।
ব্রিগেডে সংকল্প সভায় বক্তব্য রাখছেন নিশীথ প্রামাণিক। তিনি বলেন, 'যেভাবে আপনারা বাংলার উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম থেকে এসে এই পরিবর্তন যাত্রার সংকল্পকে সফল করে তুলেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ জানাই।
হাওড়া, শিয়লদা স্টেশনে প্রচুর বিজেপি কর্মীর ভিড়। তাঁরা ট্রেনে নেমে হেঁটে ব্রিগেডের দিকে আসছেন। তাঁদের হাতে রয়েছে মোদীর ছবি। মুখে স্লোগান। যদিও ব্যাগ হাতে ব্রিগেডে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। নির্দিষ্ট জায়গায় জমা দিতে হচ্ছে ব্যাগ।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন ADG কোস্টাল হরিকিশোর কুসুমাকার, এছাড়াও মোতায়েন ৩ হাজার পুলিশ। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬৪ হাজার চেয়ার পেতেছে BJP। ৩৫টি বড় স্ক্রিনের ব্যবস্থাও করেছে দল।
সকাল থেকে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা সাগরের বিভিন্ন জায়গা থেকে কর্মী সমর্থকরা ভেসেলে করে ইতিমধ্যেই পার হয়ে ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। সুন্দরবনের সাগর, নামখানা, পাথরপ্রতিমা বিভিন্ন জায়গা থেকে কর্মী সমর্থকেরা ব্রিগেড সভা গ্রাউন্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
আজ মোদীর ব্রিগেড। আর সেই ব্রিগেড নিয়ে উৎসাহ চরমে কর্মীদের মধ্যে। অনেকেই একদিন আগে চলে এসেছেন এখানে। যার ফলে তাঁরা ইতিমধ্যেই ময়দানে রান্নাবান্না শুরু করে দিয়েছেন। কিছু জায়গায় রান্না হচ্ছে আমিষ খাবার। আবার কিছু জায়গায় নিরামিষ খাবার রাঁধা হচ্ছে।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বললেন, 'বিজেপি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পার্টি। এখানেই শিয়ালদা স্টেশনে উদ্বাস্তুদের জন্য শ্যামাপ্রসাদ দাঁড়িয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের মাটি বহুত্ববাদের মাটি। এই মাটি হুমায়ুনের মাটি বানাতে দেব না। খুন করে আটকাতে পারেনি, ইট ছুড়ে আমাদের আটকে দেবে! ৮০-র দশকে ব্রিগেড করেছিলাম। কিন্তু ভরাতে পারিনি। এবারে আমরা দেখিয়ে দিচ্ছি। এবারের নির্বাচন তো মানুষের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াই।'
মোদীর ব্রিগেড জনসভার জন্য হাওড়া সদর বিজেপির তরফ থেকে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের জন্য খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ব্রিগেডে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ব্যাগ নিয়ে প্রবেশে করতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ জানাচ্ছে, ব্যাগের জন্য আলাদা কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে ব্যাগ রাখতে হবে। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে সেখানে ব্যাগ রাখতে চাইছেন না কর্মীরা। কেন ব্যাগ পরীক্ষা করে ঢুকতে দেওয়া যাচ্ছে না? প্রশ্ন বিজেপির। কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
বিজেপি কর্মীদের অনেকেই হাতে ব্যাগ নিয়ে এসেছেন ব্রিগেড। কিন্তু সেই ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ বলেই অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ আবার বলছে, নির্দিষ্ট কাউন্টার করা হয়েছে ব্যাগ রাখার জন্য। সেখানেই রাখতে হবে ব্যাগ। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভিতরে ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
আজ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করবেন নরেন্দ্র মোদী। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে এটাই বিজেপির শেষ সভা হতে চলেছে। তাই প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখছে না বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।
পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার পাতলি এলাকায় ব্রিগেড সমাবেশে যাওয়ার পথে বিজেপি সমর্থকদের একটি রিজার্ভ বাসে হামলার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনায় বাসের একাধিক কাচ ভাঙচুর হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নরেন্দ্র মোদীর সভামঞ্চ দক্ষিণেশ্বরের থিম রাখাকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। বললেন, 'এটা কি থিমপুজোর প্যান্ডেল নাকি! এটা তো একটি রাজনৈতিক সভা।'
প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডে জনসভা উপলক্ষে বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করেছেন বহু সংখ্যায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তারা ট্রেনে করে হাওড়া স্টেশন পৌঁছনোর পর মিছিল করে ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন।
আজ ব্রিগেডে সভা মোদীর। সেই কারণে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪০ হাজারের বেশি চেয়ার পেতেছে বিজেপি বলে খবর। এছাড়া মাঠে প্রায় দু’লক্ষ লোকের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, মাঠের বিভিন্ন স্থানে ৩৫টি বড় স্ক্রিনের ব্যবস্থাও করেছে দল।
শনিবার দুপুরে ব্রিগেডে সভা করবেন PM মোদী। জেলা থেকে কাতারে কাতারে লোক এসে হাজির হয়েছেন ময়দান চত্বরে। সমর্থকদের জন্য খাবারের আয়োজন করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, মেনুতে রয়েছে ডাল ও ভাত।
আজ ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন করল লালবাজার। নজরদারিতে থাকছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনী।
পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থেকে ব্রিগেড আসছিলেন বিজেপি কর্মীরা। আর সেই বাসেই হামলা চালান হয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, ভেঙে দেওয়া হয়েছে বাসটির পিছন দিকের কাচ। আর এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে।
আজ প্রায় ১৮,৬৮০ কোটি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদীর। তার মধ্যে রয়েছে রেলের একাধিক প্রকল্প। পূর্ব রেল নিয়ে একাধিক ঘোষণা করার কথা মোদীর। আজ পুরুলিয়া– আনন্দ বিহার টার্মিনাল এক্সপ্রেস ট্রেনের সূচনা করবেন। এই ট্রেন পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং দিল্লির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করবে। অর্থাৎ পুরুলিয়া থেকে ওই সব রাজ্যগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে এই এক্সপ্রেস। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে ছয়টি পুনর্নির্মিত রেলস্টেশনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই স্টেশনগুলো হল, কামাখ্যাগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন (Kamakhyaguri railway station), আনারা রেলওয়ে স্টেশন (Anara railway station), তমলুক রেলওয়ে স্টেশন (Tamluk railway station), হলদিয়া রেলওয়ে স্টেশন (Haldia railway station), বারাসত রেলওয়ে স্টেশন (Barasat railway station) এবং সিউড়ি রেলওয়ে স্টেশন (Suri railway station)। এছাড়া দেশের উদ্দেশে দুটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পও উৎসর্গ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বেলদা রেলওয়ে স্টেশন (Belda railway station) থেকে দাঁতন (Dantan railway station) পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ তৃতীয় রেললাইন এবং কালিকুঁদ (Kalikund railway station) থেকে মহিষাদল (Mahishadal railway station) পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় ব্লক সিগন্যালিং ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কলকাতায় আসন্ন জনসভাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই সফরকে গুরুত্বহীন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, মোদী বা বিজেপির কলকাতায় জনসভা করার মধ্যে বিশেষ কোনও তাৎপর্য নেই। কুণাল ঘোষের অভিযোগ, বিজেপি এবং কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার মূলত “বিরোধী-বাংলা” মনোভাব নিয়ে কাজ করে এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্য অর্থও আটকে রাখা হয়। তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলার মানুষ নিগৃহীত হচ্ছেন, এমনকী অনেক সময় তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। বিজেপি নিজেদের হিন্দু সমর্থক দল হিসেবে দাবি করলেও বাস্তবে তারা হিন্দু, মুসলমান,কাউকেই রক্ষা করে না, বরং মানবতার বিরুদ্ধেই কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন কুণাল ঘোষ। গ্যাসের ঘাটতির প্রসঙ্গ টেনেও তিনি কেন্দ্রের নীতিকেই দায়ী করেছেন। তাঁর মতে, কেন্দ্রের ভুল নীতির ফলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু প্রকৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন। অন্যদিকে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, মোদির জনসভায় প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ উপস্থিত থাকবেন। তবে কুণাল ঘোষ পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপির “পরিবর্তন যাত্রা”-য় যে ভিড় দেখা যাচ্ছে, তার বেশিরভাগই পর্যটকের মতো, আর পুরো কর্মসূচিই শেষ পর্যন্ত ফ্লপ হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই কলকাতার বেশ কিছু রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে কলকাতা পুলিশ। সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে। দেখে নিন-
আজ যে যে রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে
-এসপ্ল্যানেড র্যাম্প
-কে. পি. রোড
-হাসপাতাল রোড
-লাভার্স লেন
-ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ
পার্কিং নিষিদ্ধ: শনিবার ময়দান সংলগ্ন একাধিক রাস্তায় পার্কিং-ও নিষিদ্ধ করেছে কলকাতা পুলিশ। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের আশেপাশে, এ.জে.সি. বোস রোড (মাঝখানে হেস্টিংস ক্রসিং এবং ক্যাথেড্রাল রোড), খিদিরপুর রোড, হাসপাতাল রোড, কুইন্সওয়ে, ক্যাথেড্রাল রোড, ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ ও লাভার্স লেনে পার্কিং নিষিদ্ধ।
আজ মোদীর ব্রিগেড। সেই মতো ১২০ ফুট বাই ৭০ ফুট মঞ্চ তৈরি করেছে বিজেপি। তার মধ্যভাগে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরের অবিকল প্রতিরূপ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মঞ্চের ডান এবং বাঁ’দিক জুড়ে তুলে ধরা হয়েছে বাঙালির আর্ট অ্যান্ড কালচার।
আজ ব্রিগেড সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তাঁর এই সফরের আগেই চারদিকে ছেয়ে গিয়েছে 'GO BACK MODI' ব্যানারে। মোদীর আজকের যাত্রাপথের একাধিক জায়গায় এই ব্যানার টাঙানো হয়েছে। আর এই ঘটনার নিন্দা করেছে বঙ্গ বিজেপি। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল।
আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথমে প্রশাসনিক সভা করবেন। তারপর জনসভা করবেন। প্রশাসনিক সভাস্থল থাকছে মূল সভামঞ্চের একটু পিছন দিকে মাঠের এক পাশ ঘেঁষে। তার দায়িত্বে বিভিন্ন সরকারি বিভাগ, যে সব বিভাগের নানা প্রকল্পের শিলান্যাস বা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী শনিবার ব্রিগেডে দাঁড়িয়েই করবেন।