Advertisement

TMC BJP in Bengal Elections: ঠিক যেন বাংলাদেশ, একদা জোটসঙ্গীই এখন সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী মমতার

২০০৬ সালে বামেরা পেয়েছিল ২৩৫টি আসন। তৃণমূল কংগ্রেস সে বার ২৫৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। জিতেছিল ৩০টি আসন। বিজেপি ২৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। খাতাই খুলতে পারেনি। তত্‍কালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সেই উক্তি, 'আমরা ২৩৫, ওরা ৩০।' সে বার কংগ্রেস একক ভাবে লড়েছিল। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ ও ২০০৬ সালের সিঙ্গুর আন্দোলন (ইন সেটে)মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ ও ২০০৬ সালের সিঙ্গুর আন্দোলন (ইন সেটে)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:50 AM IST
  • অনেকটা বাংলাদেশের মতো
  • যখন মমতার জোটসঙ্গী ছিল BJP
  • বাম-বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে গিয়েছিল

অনেকটা বাংলাদেশের মতোই। একদা জোট সঙ্গী বর্তমানে প্রধান বিরোধী দল। বাংলাদেশে একটা দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (BNP)-র জোটসঙ্গী ছিল জামাত ই ইসলামি। সেই জামাত এখন বাংলাদেশে প্রধান বিরোধী দল। পশ্চিমবঙ্গেও ঠিক তাই। একদা শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের জোটসঙ্গী বিজেপি এখন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। শুধু তা-ই নয়, চরম প্রতিদ্বন্দ্বী। এটাই রাজনীতি, কেউ কারও চিরকাল বন্ধু নয়, কেউ কারও চিরকাল শত্রুও নয়।

যখন মমতার জোটসঙ্গী ছিল BJP

ফিরে দেখা যাক ২০০৬ সাল। সে বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ছিল BJP নেতৃত্বাধীন NDA-র জোটসঙ্গী। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাম সরকারকে সরাতে সে বার এনডিএ জোটকেই বেছে নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময়েও সেই জোট ছিল। রাজনাথ সিংকে দেখা গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২৬ দিনের সেই অনশন মঞ্চে। 

২০০৮ সালে সিঙ্গুর আন্দোলনের অনশন মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজনাথন সিং

২০০৬ সালে বামেরা পেয়েছিল ২৩৫টি আসন। তৃণমূল কংগ্রেস সে বার ২৫৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। জিতেছিল ৩০টি আসন। বিজেপি ২৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। খাতাই খুলতে পারেনি। তত্‍কালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সেই উক্তি, 'আমরা ২৩৫, ওরা ৩০।' সে বার কংগ্রেস একক ভাবে লড়েছিল। 

বাম-বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে গিয়েছিল

বিরোধী ভোটও ছিল বিভক্ত। কংগ্রেস আলাদা ভাবে নির্বাচনে লড়ায় বাম-বিরোধী ভোট ভাগ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত সীমিত। বহু আসনে প্রার্থী দিলেও ভোটকে নম্বরে রূপান্তর করতে পারেনি। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস তখনও আগের রাজনৈতিক ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর পর্যায়ে ছিল। ফলে রাজ্যজুড়ে শক্তিশালী লড়াই গড়ে তোলার মতো অবস্থায় তারা ছিল না।

২০০৬ সালের নির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম দুর্বল ফলাফল হিসেবে চিহ্নিত হয়। যদিও তারা বিরোধী শিবিরের বৃহত্তম দল হিসেবেই ছিল। তখন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। বিজেপির ক্ষেত্রেও এই ফলাফল তাদের প্রান্তিক অবস্থানই স্পষ্ট করে। প্রায় ৩০টি আসনে লড়েও একটি আসনও জিততে পারেনি।

Advertisement

বিজেপি-তৃণমূলের এই যৌথভাবে লড়াই পরবর্তীতে আর দেখেনি পশ্চিমবঙ্গ। পরে তৃণমূল কংগ্রেস নিজস্ব অবস্থান মজবুত করে ২০১১ সালে বামফ্রন্টকে নিরঙ্কুশভাবে পরাজিত করে। অন্যদিকে বিজেপি অনেক পরে, মূলত ২০১৪ সালের পর থেকে রাজ্যে বড় চ্যালেঞ্জার হিসেবে উঠে আসে।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement