Advertisement

CEO মনোজের সঙ্গে BJP-র অঞ্চল কো-অর্ডিনেটরের 'সখ্য'? ছবি দেখিয়ে বিস্ফোরক দাবি TMC-র

তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সরাসরি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন কার্যত বিজেপির হয়ে কাজ করছে। তাঁর কথায়, 'মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক প্রথমেই বেড়াতে গেলেন নন্দীগ্রামে। সেখানে তাঁর সঙ্গে ঘুরছেন বিজেপির কালীচরণপুরের অঞ্চল কোঅর্ডিনেটর। এর আগে নন্দীগ্রাম ২ এর বিডিও সুরজিৎ রায়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিযোগ ছিল। বিজেপির সংগঠন দুর্বল বলেই কমিশনের একাংশ যেন তাদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে।'

বিতর্কে মনোজ আগরওয়াল।-ফাইল ছবিবিতর্কে মনোজ আগরওয়াল।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:29 PM IST
  • এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের প্রায় সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হতেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
  • এই ইস্যুতে ফের সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির ‘যোগসাজশ’-এর অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের প্রায় সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হতেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। এই ইস্যুতে ফের সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির ‘যোগসাজশ’-এর অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস।

তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সরাসরি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন কার্যত বিজেপির হয়ে কাজ করছে। তাঁর কথায়, 'মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক প্রথমেই বেড়াতে গেলেন নন্দীগ্রামে। সেখানে তাঁর সঙ্গে ঘুরছেন বিজেপির কালীচরণপুরের অঞ্চল কোঅর্ডিনেটর। এর আগে নন্দীগ্রাম ২ এর বিডিও সুরজিৎ রায়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিযোগ ছিল। বিজেপির সংগঠন দুর্বল বলেই কমিশনের একাংশ যেন তাদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে।' নন্দীগ্রামে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিযোগ, ওই সফরে তাঁর সঙ্গে বিজেপি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের দেখা গিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে সরব হন মন্ত্রী চন্ত্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি প্রশ্ন তোলেন, 'মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নন্দীগ্রামে যেতেই পারেন, কিন্তু তাঁর সঙ্গে বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতি কি কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করে?' একইসঙ্গে কমিশন নিযুক্ত কিছু পর্যবেক্ষকের বিজেপি-যোগ নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

নাম বাদ যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে কুণাল ঘোষের অভিযোগ, বৈধ ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে এবং বাইরের রাজ্যের নাম ‘কপি-পেস্ট’ করে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, 'সমস্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিজেপি-ঘনিষ্ঠ লোকজনকে ঢুকিয়ে কারচুপির চেষ্টা করা হচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল আদালতে লড়াই না করলে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়ে যেত।'

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কেন নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনও পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে এত কিছুর পরও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তারা। কুণাল ঘোষের দাবি, 'এই সব চেষ্টায় কোনও লাভ হবে না। ২৫০-র বেশি আসন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আবারও সরকার গড়বে তৃণমূল।'
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement