Advertisement

Nayanthara-Vignesh: নয়নতারার বিয়ের ৪ মাসে সন্তান কীভাবে? তদন্ত করবে রাজ্য সরকার

নেট মাধ্যমে নয়নতারা ও বিঘ্নেশের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে নানা প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম, যমজ সন্তান সম্ভবত নিজের গর্ভে ধারণ করেননি অভিনেত্রী। সারোগেসির মাধ্যমে মা হয়েছেন। এই ব্যবস্থায় অন্যের গর্ভে জন্ম নেয় সন্তান। তিনিই সন্তান ভূমিষ্ঠ করেন।

নয়নতারা ও বিঘ্নেশ। নয়নতারা ও বিঘ্নেশ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Oct 2022,
  • अपडेटेड 8:55 PM IST
  • নেট মাধ্যমে নয়নতারা ও বিঘ্নেশের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে নানা প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে।
  • সারোগেসির মাধ্যমে মা হননি তো?

দু’জোড়া পায়ে চুম্বন করছেন অভিনেত্রী ও তাঁর স্বামী। ইনস্টাগ্রামে এমন ছবি দিয়ে যমজ সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন অভিনেত্রী নয়নতারা। বাবা দক্ষিণী পরিচালক বিঘ্নেশ শিবন লিখছিলেন,'তোমাদের তিন জনকেই ভালবাসি।'বিয়ের ৪ মাস কাটতে না কাটতেই কীভাবে মা হলেন নয়নতারা? সেই প্রশ্ন তুলেছেন ভক্তরা। এবার উত্তর খুঁজতে নামল তামিলনাড়ু সরকারও।   

নেট মাধ্যমে নয়নতারা ও বিঘ্নেশের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে নানা প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম, যমজ সন্তান সম্ভবত নিজের গর্ভে ধারণ করেননি অভিনেত্রী। সারোগেসির মাধ্যমে মা হননি তো? এই ব্যবস্থায় অন্যের গর্ভে জন্ম নেয় সন্তান। তিনিই সন্তান ভূমিষ্ঠ করেন। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে তামিলনাড়ু সরকারও। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জানান,'এই ঘটনার তদন্ত হবে। সারোগেসির নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে না লঙ্ঘন করেছেন নয়নতারা ও বিঘ্নেশ তা খতিয়ে দেখবে সরকার।'জিজ্ঞাসবাদও করা হবে দম্পতিকে। 

ভারতে সারোসেসি আইন ২০২১ অনুযায়ী, বিবাহিত দম্পতি গর্ভ ভাড়া নিয়ে সন্তানের জন্ম দিতে পারে। প্রায় ৪ মাস আগে গত ৯ জুন নয়নতারা ও বিঘ্নেশ বিবাহ বন্ধনে আূবদ্ধ হয়েছিলেন। ফলে সারোগেসির মাধ্যমে সন্তানের পরিকল্পনা কি বিয়ের আগে করেছিলেন তাঁরা? সেক্ষেত্রে তা আইনলঙ্ঘনের সামিল। এবার দেখতে হবে, সামাজিক বিয়ের আগে রেজিস্ট্রি সেরে ফেলেছিলেন কিনা।

রবিবার বিঘ্নেশ ও নয়নতারা নেট মাধ্যমে নিজেদের যমজ সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ছবিতে যমজ সন্তানের পায়ে চুম্বন খেতে দেখা যাচ্ছে দম্পতিকে। বিঘ্নেশ লিখেছিলেন, নয়নতারা আর আমি মা-বাবা হলাম। আমরা ধন্য। আমাদের ও পূর্বপুরুষ প্রার্থনার ফলে দুই সন্তান ঘরে এল। আপনাদের আর্শীবাদ চাই আমাদের সন্তানদের। 

Read more!
Advertisement
Advertisement