বর্তমানে সম্প্রচারিত বাংলা টেলিভিশনের প্রথম সারির ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে 'খড়কুটো' (Khorkuto) একেবারে প্রথমের দিকেই আসে। এক সময়ের রেটিং চার্টের শীর্ষে থাকা এই ধারাবাহিকের রেটিং ওঠা নামা করতে থাকে। গত সপ্তাহেও পঞ্চম স্থানে রয়েছে এই মেগা।
কিছুদিন আগেই পূর্ণ হয়েছে ধারাবাহিকের এক বছর। আবেগপ্রবণ হয়ে অভিনেতারা ছবিও পোস্ট করেছিলেন সেই সময়। মিম, ট্রোল, সোশ্যাল মিডিয়ার ঝড় কাটিয়েও দর্শকদের মনের কাছের হয়ে ওঠে 'খড়কুটো'
'খড়কুটো' -তে যে শুরু সৌজন্য বা গুনগুনকে দর্শকেরা পছন্দ করেন, তা কিন্তু নয়। মিষ্টি, পটকা, পুটু পিসি থেকে শুরু করে পরিবারের সকলকেই আপন করে নিয়েছেন জনতা জনার্দন।
তবে বর্তমানে সম্প্রচারিত পর্বে ফের শুরু হয়েছে এই মেগাকে নিয়ে ট্রোলিং। "গুনগুনের ন্যাকামি আর সহ্য হচ্ছে না"! এমনটাই দাবী করছেন বহু নেটাগরিক। কিন্তু হঠাৎ কেন এত চটলেন তাঁরা?
আসলে মিষ্টির মেয়ে হওয়ার পর থেকে মুখার্জি পরিবারে এসেছে খুশির হাওয়া। সকলেই মেতেছে ছোট্ট অতিথিকে নিয়ে। কিন্তু সেই সব কিছু ছাপিয়ে গেছে গুনগুন। পুচু সোনাকে সে নিজের কাছ ছাড়া করতে নারাজ।
গুনগুনের মনে হতে শুরু করে সে ছাড়া আর কেউ যত্ন করতে পারবে না একরত্তির। এমনকি বাচ্চাটির বাবা -মাও না। আর সেখানেই শুরু হয় বিপত্তি! ধীরে ধীরে সংসারে বাড়তে শুরু করে অশান্তি।
সন্তানকে নিজের কাছে না পেয়ে দিশেহারা মিষ্টি বারবারই বলতে থাকতে, "তাঁর মেয়ের ওপর কি তাঁর কোনও অধিকার নেই?" এদিকে গুনগুনকে অনেক বোঝানোর পরও সে বুঝতে নারাজ।
এদিকে ঘটে যায় এক বিপদ। হঠাৎ পড়ে যায় পুচু সোনা। তাঁকে নিয়ে বাবার চেনা চিকিৎসকের কাছে ছোটে গুনগুন। সেই চিকিৎসকও কোনও রকম পারিশ্রমিক নিতে চায় না।
সৌজন্য ঠিক করে গুনগুনকে মনোবীদের কাছে নিয়ে যাবে। কিন্তু পটকা তাঁকে বাঁধা দেয়। তাঁর কথায়, "গুনগুন ভালোবাসে পুচু সোনাকে। ও কি পাগল নাকি?
এইসব দেখেই বেজায় চটেছে নেটজেনদের অনেকেই। নেটপাড়ায় চোখ রাখলেই এইরূপ বিভিন্ন মিম ও চোখে পরে অনায়াসেই। তাঁদের অনেকেই মনে করছেন, "এত বড় একটা মেয়ে কী করে কাণ্ডজ্ঞানহীন হতে পারে?
তাহলে কী এইরূপ নেটিবাচক মন্তব্যে পরিবর্তন আসতে চলেছে 'খড়কুটো' -তে? তা দেখা যাবে আগামী পর্বগুলোতে।