
ক্ষমতা দখলের লড়াই সর্বত্র। কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে বহু পরিবারেও চলে এই লড়াই। আদি কাল থেকে চলে আসা এই সমস্যার আজও পরিবর্তন হয়নি। সেই ক্ষমতা দখল নিয়েই, এই প্রজন্মের নতুন পরিচালক সায়নদীপ চৌধুরী নিয়ে আসছেন তাঁর প্রথম ছবি 'আসমানী ভোর' (Asmani Bhor)। ছবিটি আসছে সিনে-মাইন্ড ফিল্ম স্টুডিও-এর ব্যানারে।
ছবির নির্মাতাদের বিশ্বাস, ধর্মবিদ্বেষের উর্দ্ধে গিয়ে 'আসমানী ভোর' ভালোবাসতে শেখাবে। দুনিয়ায় সং সাজা বহুরূপীর থেকে মুখোশধারী বহুরূপীর সংখ্যা অনেক বেশি। মনুষত্বের থেকে ধর্ম, মানুষের কাছে অনেক ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। যা বহুক্ষেত্রে ডেকে আনে সমস্যা। তবে ব্যতিক্রম ঘটে আবার ধর্মকে ছাপিয়ে গিয়েও বড় হয়ে ওঠে সম্পর্ক। এমনই এক টানাপোড়েনের গল্প নিয়ে আসছে 'আসমানী ভোর'।
এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে দেবদূত ঘোষ (Debdut Ghosh), কিঞ্জল নন্দ (Kinjal Nanda) এবং পূজারিণী ঘোষকে (Pujarini Ghosh)। এছাড়াও রয়েছেন দীপক হালদার, অমিত সাহা, রাহুল দেব ঘোষ, সমীর সুত্রধর,মধুমিতা সেনগুপ্ত, অনন্যা পাল ভট্টাচার্য্য, শিশু অভিনেতা সৌরদীপ্ত দাস সহ অন্যান্যরা। ছবির সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন সৌরভ ব্যানার্জী এবং সঙ্গীত পরিচালনা শুভদীপ মজুমদার ও প্রিয়াঙ্ক দাসের। এছাড়া কার্য নির্বাহী প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন অমিত হালদার।
ছবি নিয়ে পরিচালক সায়নদীপ চৌধুরী জানালেন, "আসমানী ভোর অর্থাৎ এক নতুন ভোরের সূচনা, ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে কর্ম জগতেও হতে চলছে। আশা করি দর্শকদের ভালোবাসায় এক রোদঝলমল দিনের দেখা মিলবে। বিগত সাত মাস ধরে ছবির প্রস্তুতি চলছে। ইউনিটের প্রতিটি মানুষ ও সকল কলাকুশলীদের সঙ্গে এক অদ্ভুত বন্ধন তৈরী হয়েছে।"
অন্যদিকে প্রযোজক সোনালী সাহা জানালেন, "জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে মানসিক শিক্ষার অভাববোধ থেকে আমাদের সমাজে যে অন্যায় ও ব্যভিচার হয়ে আসছে, সব রকম রসদ দিয়ে তারই একটা ছোট্ট প্রতিবাদ 'আসমানী ভোর'। আশা করি এই নবীন পরিচালক সায়নদীপ চৌধুরীর এই প্রয়াস আমার, আপনার প্রত্যেকের ভাল লাগবে।"