Advertisement

Blcak Fungus: 'ব্ল্যাক ফাঙ্গাস' নিয়ে AIIMS-এর গাইডলাইন, মহামারি ঘোষণা রাজস্থানের!

Black Fungus| মহারাষ্ট্রে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত হয়েছে। রাজস্থানে ১০০-র বেশি কেস ব্ল্যাক ফাঙ্গাল সংক্রমণের। রাজস্থান সরকার ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি ঘোষণা করে দিয়েছে এবং এটির চিকিত্‍সায় একটি প্যানেলও গড়েছে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিত্‍সাব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিত্‍সা
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 20 May 2021,
  • अपडेटेड 11:43 AM IST
  • ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (Black Fungus)-এর সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে
  • রাজস্থান সরকার ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি ঘোষণা করে দিয়েছে
  • ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে?

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (Black Fungus)-এর সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে দেশে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বহু করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ঘটেই মৃত্যু হয়েছে। এবার ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নিয়ে গাইডলাইন দিল AIIMS। জানাচ্ছে, যাদের ডায়াবিটিস অনিয়ন্ত্রিত ও কড়া ডোজের স্টেরয়েড নিচ্ছেন, তাঁদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকি অনেকটাই বেশি।

মহারাষ্ট্রে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত হয়েছে। রাজস্থানে ১০০-র বেশি কেস ব্ল্যাক ফাঙ্গাল সংক্রমণের। রাজস্থান সরকার ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি ঘোষণা করে দিয়েছে এবং এটির চিকিত্‍সায় একটি প্যানেলও গড়েছে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে?

১. AIIMS জানাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিসের রোগী, বেশি মাত্রা স্টেরয়েড নেন যাঁরা, তাঁদের ক্ষেত্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

২. ক্যানসারের চিকিত্‍সা চলছে বা অনেক দিন ধরে কোনও রোগের চিকিত্‍সা চলছে, কড়া ডোজের ওষুধ খেতে হয়, সে ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।

৩. দীর্ঘদিন ধরে কড়া ডোজের স্টেরয়েড চলছে, এরকম রোগীদের ঝুঁকি বেশি।

৪. গুরুতর ভাবে কোভিড আক্রান্ত, ভেন্টিলেটরে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছে, এমন রোগী।

কী ভাবে বুঝবেন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ হয়েছে?

১. নাক দিয়ে অস্বাভাবিক ভাবে কালো রস বেরনো বা রক্ত বেরনো।

২. নাক বন্ধ, মাথা যন্ত্রণা ও চোখে ব্যথা। চোখ ফুলে যাওয়া, ডাবল ভিশন, লাল চোখ, চোখে দেখতে না পাওয়া, চোখ খুলতে না পারা।

৩. মুখে অসাড় ভাব।

৪. মুখ খুলতে বা চিবোতে কষ্ট হচ্ছে।

৫. দাঁত নড়বড় করা, মুখ গহ্বরে কালচে ভাব ও ফুলে যাওয়া।

কী করা যেতে পারে?

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস (Black Fungus)হয়েছে কিনা, তা কী ভাবে বোঝা যাবে, সে বিষয়ে AIIMS একটি গাইডলাইন জারি করেছে।

১. জরুরি ভিত্তিতে ইএনটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। কিংবা অফথার্মোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

Advertisement

২. নিয়মিত ব্লাড সুগার মনিটর করতে হবে, কড়া নিয়ন্ত্রণ দরকার। ফলো-আপ করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ে।

৩. অন্যান্য কো-মর্বিডিটি থাকলে তার চেক-আপ করাতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে মেডিসিন চালু করতে হবে।

৪. নিজের ইচ্ছে মতো অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ওষুধ, স্টেরয়েড বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না।

৫. MRI বা CT স্ক্যান উইথ কনট্রাস্ট-প্যারানেসাল সাইনাসেস।

Read more!
Advertisement
Advertisement