Advertisement

দেশ

King Cobra Antivenom: কিং কোবরার কামড়েও বেঁচে যাবে ভারতের মানুষ? নেক্সট জেনারেশন অ্যান্টিভেনমের সফল পরীক্ষা

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 11 Sep 2026,
  • Updated 1:37 PM IST
  • 1/10

সাপে কামড়ানোর চিকিত্‍সায় অত্যাধুনিক অ্যান্টিভেনম খুব শীঘ্রই আসতে চলেছে? একে বিজ্ঞানীরা বলছেন, নেক্সট জেনারেশন অ্যান্টিভেনম। কেউটে, গোখরো সহ একাধিক বিষধর কোবরা, এমনকী কিং কোবরা, যাকে বাংলায় শঙ্খচূড় সাপ বলা হয়, সেই সব সাপের কামড়েও এই নেক্সট জেনারেশন অ্যান্টিভেনম মানুষকে বাঁচাতে পারে। এই সাপগুলি সাধারণও ভারতেই বেশি দেখা যায়।

  • 2/10

সাপের কামড় গ্রামীণ ভারতের সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য এমার্জেন্সিগুলির মধ্যে অন্যতম। বিশ্বে প্রতিবছর সাপের কামড়ে প্রায় ১ লক্ষের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তার মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় ভারতেই।  
 

  • 3/10

তবে বর্তমানে সাপের কামড়ের শিকার রোগীদের চিকিৎসায় যে অ্যান্টিভেনম ব্যবহার করা হয়, তার বেশ কিছু বড় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল, ভৌগোলিক অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রজাতির সাপের বিষের বিরুদ্ধে অ্যান্টিভেনমের কার্যকারিতা একরকম থাকে না।

  • 4/10

সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় ঘোড়ার প্লাজমা থেকে তৈরি হওয়া অ্যান্টিভেনম। এই অ্যান্টিভেনম প্রচুর মানুষের জীবন বাঁচালেও, ভৌগলিক অঞ্চলভেদে সাপেদের প্রজাতির বিষের ধনের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। 

  • 5/10

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, মানুষ বেঁচে গেলেও নানা রকম অ্যালার্জি বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে শরীরে। যা সাপের কামড়ে বেঁচে যাওয়া মানুষটিকে আজীবন বইতে হয় শরীরে।
 

  • 6/10

নতুন রিসার্চে ৫টি বিশেষ ধরনের অ্যান্টিবডি দিয়ে তৈরি একটি রিকম্বিন্যান্ট অ্যান্টিভেনমের কথা বলা হয়েছে। এই অ্যান্টিবডিগুলিকে ন্যানোবডি বা VHHs বলা হয়। এগুলি অ্যান্টিবডির অত্যন্ত ছোট অংশ, যেগুলিকে নির্দিষ্ট বিষাক্ত টক্সিনকে লক্ষ্য করে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা যায়।

  • 7/10

ভারতে পাওয়া কোবরা প্রজাতির সাপ ও কিং কোবরা জাতীয় সাপের বিষে পাওয়া প্রধানত তিনটি উপাদানের প্রভাব নিষ্ক্রীয় করার জন্য একটি অ্যান্টিভেনম ককটেল তৈরি করলেন চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীরা। এগুলি হল আলফা-নিউরোটক্সিন, সাইটোটক্সিন এবং ফসফোলাইপেজ A2।
 

  • 8/10

আপাতত ইঁদুরের উপরে এই উপরে পরীক্ষা করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, পাঁচটি ন্যানোবডির এই ককটেল বিভিন্ন প্রজাতির কোবরার বিষে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে শঙ্খচূড়ের একটি প্রজাতি  এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপ শঙ্খচূড় বা কিং কোবরাও রয়েছে। ভারতে এই প্রজাতির সাপেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়।
 

  • 9/10

বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিষ সংগ্রহ করা হয়েছে, পশ্চিমঘাট পার্বত্য এলাকা ও উত্তর-পূর্ব ভারত থেকেও। বিজ্ঞানীদের আশা, ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নানা প্রকার কোবরা জাতীয় সাপের কামড়ে এই নেক্সট জেনারেশন অ্যান্টিভেনমে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচবে। এমনকী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হবে না। ট্র্যাডিশনাল অ্যান্টিভেনমে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল, ভৌগলিক অঞ্চলভেদে সাপের বিষের ধরনে অনেক সময় কাজ করে না শরীরে। 
 

  • 10/10

বে গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এই রেজাল্ট এখনও শুধুমাত্র ইঁদুরের উপর চালানো পরীক্ষার ভিত্তিতে পাওয়া গিয়েছে। মানুষের চিকিৎসায় এই অ্যান্টিভেনম ব্যবহার করা সম্ভব হওয়ার আগে এর নিরাপত্তা নিয়ে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা এবং মানুষের উপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল-সহ একাধিক ধাপের গবেষণা প্রয়োজন।

Advertisement
Advertisement