Advertisement

দেশ

Republic Day Parade 2026: দুনিয়া দেখল 'অপারেশন সিঁদুর', বাংলা দেখাল স্বাধীনতা সংগ্রামীদের, কর্তব্যপথে প্রজাতন্ত্র দিবস কেমন হল? PHOTOS

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 26 Jan 2026,
  • Updated 2:27 PM IST
  • 1/14

ভারত আজ তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করছে। প্রতি বছরের মতো এই উপলক্ষেও কর্তব্য পথে ভারতের গর্ব, গৌরব এবং সম্মানের এক ঝলক দেখা গেল। ভারতের শক্তি প্রদর্শনের প্রতিধ্বনি দেশের শত্রুদের ভীত করার জন্য যথেষ্ট। 
 

  • 2/14

কর্তব্য  পথে কুচকাওয়াজ শুরু হয় তিরঙ্গা উত্তোলন এবং তারপর ২১টি তোপের মাধ্যমে। এর সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর তিনটি শাখা তাদের নিজ নিজ শক্তি প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজের থিম বন্দে মাতরমের উপর ভিত্তি করে, যার সুরেলা সুর অনুষ্ঠান চলাকালীন ক্রমাগত শোনা যায়।
 

  • 3/14

এই বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন নানা দিক থেকেই বিশেষ। এই বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের থিম ছিল 'বন্দে মাতরম'। জাতীয় সঙ্গীতের ১৫০ তম বার্ষিকী উদযাপনের জন্য কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক এই থিমটি বেছে নিয়েছে। কুচকাওয়াজের সময়  'বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর' উদযাপনের জন্য একটি বিশেষ ট্যাবলোও দেখা যায়। 
 

  • 4/14

এই বছর ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ইউরোপিয় ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতা। এর মধ্যে ছিলেন ইউরোপিয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপিয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লেইন।  কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে ইউরোপিয় ইউনিয়নের নেতাদের উপস্থিতি ভারত-ইইউ সম্পর্কের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 
 

  • 5/14

শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর, মূল অনুষ্ঠান কর্তব্য পথে শুরু। রাষ্ট্রপতি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
 

  • 6/14

 এই সময়ে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীও তাদের সাহসিকতা এবং বীরত্ব বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী যখন রাফায়েল এবং যুদ্ধ হেলিকপ্টার ব্যবহার করে অপারেশন সিঁদুর প্রদর্শন করে, তখন সমগ্র প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ করতালিতে প্রতিধ্বনিত হয়। এই অনুষ্ঠানের সময় আকাশ থেকেও ফুল বর্ষণ করা হয়। 
 

  • 7/14

কেন্দ্রের মোদী সরকার দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন এবং পার্সি সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ দেখার জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। দিল্লিতে আগত এই পরিবারগুলি প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিল। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী মোদীর নির্দেশে তাদের বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং তারা ভারত সরকারের বিশেষ অতিথি। 
 

  • 8/14

কর্তব্যের পথের কুচকাওয়াজে  ব্রহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রদর্শিত হয়। অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিও প্রদর্শিত হয়েছে।
 

  • 9/14

ইউরোপিয় ইউনিয়ন (EU) দলটি দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজেও অংশ নিয়েছিল। EU সামরিক দলটির নেতৃত্ব দেন কর্নেল ফ্রেডেরিক সাইমন স্প্রুইট, যিনি ইউরোপিয় ইউনিয়ন সামরিক স্টাফের (EUMS) মহাপরিচালকের পক্ষে একটি আনুষ্ঠানিক জিপসিতে চড়েছিলেন এবং ভারতের রাষ্ট্রপতিকে মার্চিং স্যালুট প্রদান করেন।
 

  • 10/14

ভারতীয় সেনাবাহিনীর 'ভীষ্ম' নামক T-90 ট্যাঙ্কটিও প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে দেখা গিয়েছে। এই ট্যাঙ্কটি রাশিয়ায় তৈরি একটি তৃতীয় প্রজন্মের ট্যাঙ্ক। এই ট্যাঙ্কটি ২০০১ সাল থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অংশ এবং রাজস্থান ও পঞ্জাবের পাকিস্তান সীমান্তে এবং লেহ-তে চিন সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। 
 

  • 11/14

গত বছরের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ছিল বিশেষ। কুচকাওয়াজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ২৯টি বিমানের বর্ণাঢ্য ফ্লাইপাস্ট। এতে রাফায়েল, সুখোই-৩০, পি-৮আই, সি-২৯৫, মিগ-২৯, অ্যাপাচি, এলইউএইচ, এএলএইচ এবং এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিভিন্ন ফর্মেশনে আকাশে শক্তি প্রদর্শন করে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর ছয়টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান ঘণ্টায় প্রায় ৯০০ কিলোমিটার গতিতে একযোগে উড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি একটি সি-১৩০ এবং দুটি সি-২৯৫ বিমানও আকাশে দেখা যায়।

  • 12/14

কুচকাওয়াজে প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যেখানে 'বন্দে মাতরম'এবং 'আত্মনির্ভর ভারত'-এর চেতনা তুলে ধরা হয়। প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি এই কুচকাওয়াজ  দেখেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, গবেষণা, স্টার্টআপ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সরকারি প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

  • 13/14

এ বছরের কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো দেশীয় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শিত হয়, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার এক নতুন দিক তুলে ধরে। পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন ব্যাক্ট্রিয়ান উটও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ১৭টি রাজ্যের মোট ৩০টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। ভৈরব ব্যাটালিয়ন প্রথমবারের মতো তাদের সাহসিকতার প্রদর্শন করে, আর মহিলা অগ্নিবীররা বিমান বাহিনীর মার্চিং ব্যান্ডে অংশ নিয়ে বিশেষ নজর কাড়েন। ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর মহিলা সদস্যদের ট্যাবলোও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সহকারী কমান্ড্যান্ট নিশি শর্মা, অপূর্ব গৌতম হোরে, লক্ষিতা এবং হার্দিকের নেতৃত্বে এই ট্যাবলোতে নারী শক্তির দৃঢ় উপস্থিতি তুলে ধরা হয়।
 

  • 14/14

কুচকাওয়াজ  প্রায় ৯০ মিনিট ধরে চলে। বন্দে মাতরমের থিমে বাংলার ট্যাবলো নয়াদিল্লির কর্তব্যপথে দেখা। পশ্চিমবঙ্গের সেই ট্যাবলোর সামনেই ছিল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি। এছাড়া ট্যাবলোতে ছিল রবীন্দ্রনাথ এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিও। এছাড়া ভারতের স্বাধীনতায় বাংলার বিপ্লবী ক্ষুধিরাম বসুর অবদান তুলে ধরতে ফাঁসিকাঠ ছিল ট্যাবলোতে। তার সামনেই ছিল শহিদ ক্ষুদিরামের মূর্তি। ট্যাবলোর দু'দিকে লাল পাড় সাদা শাড়ি এবং ধুতি পঞ্জাবি পরিহিতরা ছিলেন। ট্যাবলোর ওপরে বাঙালিদের ওপর ব্রিটিশ অত্যাচারের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল।
 

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement