Advertisement

দেশ

Sikkim Landslide: সিকিমেও নেপালের মতো কি কিছু একটা ভয়াবহ ঘটতে চলেছে? পরিস্থিতি ভাল নয়, দেখুন

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • গ্যাংটক,
  • 25 Sep 2026,
  • Updated 4:32 PM IST
  • 1/10

সিকিমেও কি নেপালের মতো ভয়াবহ বিপর্যয় খুব শীঘ্রই হতে চলেছে? পশ্চিম সিকিমের রিম্বিতে যা ঘটছে, তা এখনও আরও বড়সড় বিপদের পূর্বাভাস দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে সিকিমের রিম্বি গ্রামে ভয়াবহ নেমেছে। অনেকটা নেপালের মতোই সেই দৃশ্য। কাদামাটি নেমে আসছে পাহাড় বেয়ে।

  • 2/10

পাহাড়ের উপর থেকে মাটি, পাথর এবং ধ্বংসাবশেষ নেমে এসে এলাকায় ঢুকে পড়েছে। এর জেরে একাধিক বাড়ি এবং সরকারি আবাসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
 

  • 3/10

তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের কারণে রিম্বি গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ দফতরের সরকারি আবাসন-সহ কয়েকটি সরকারি কাঠামোও ধসের কবলে। এলাকায় ফের মাটি বা পাহাড়ের অংশ নড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি রয়েছে।
 

  • 4/10

রিম্বি ও সংলগ্ন সিংলিতাম এলাকা অবশ্য বেশ কিছুদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। গত ১৫ অগাস্ট সিকিম সরকার জানিয়েছিল, রিম্বির ৩০টি পরিবার এবং সিংলিতামের আটটি পরিবার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করছেন। সব মিলিয়ে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ ধসের সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে।

  • 5/10

এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হলে রিম্বির ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা থেকে ২৮টি পরিবারের ১২৮ জনকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে আগে থেকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার রাতের ধস ফের এলাকার ঝুঁকি সামনে এনে দিয়েছে।
 

  • 6/10

সিকিমের মতো পাহাড়ি এলাকায় ধসের জন্য শুধু ভারী বৃষ্টিকে দায়ী করা যায় না। মাটির ধরন, পাহাড়ের ঢালের প্রকৃতি, ভূতাত্ত্বিক গঠন এবং জল নিষ্কাশন ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। টানা বৃষ্টির ফলে মাটি ও ফাটল ধরা পাথরের ভিতরে জল ঢুকে চাপ বাড়তে থাকে। এর ফলে পাহাড়ের ঢালের স্থিতিশীলতা কমে গিয়ে মাটি, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নীচের দিকে নেমে আসতে পারে।
 

  • 7/10

রিম্বিতে নতুন করে ধস নামার পরও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিরাপদ নয়। IMD আজ অর্থাত্‍ ২৫ সেপ্টেম্বর সিকিমে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টি এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। ফলে ইতিমধ্যেই রিম্বি ও সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে।
 

  • 8/10

ধসের পর পাহাড়ের ঢালে জমে থাকা মাটি ও ধ্বংসাবশেষ এবং পরিবর্তিত জলপ্রবাহও আগামী দিনে নতুন সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মাটির আরও নড়াচড়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • 9/10

পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং গোলে। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। স্থানীয় প্রশাসনকে উচ্চ সতর্কতায় থাকার, পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখার এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
 

  • 10/10

মুখ্যমন্ত্রী স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছেন। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলা এবং প্রয়োজন হলে নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement