
অঙ্কিতা ভান্ডারি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে গোটা উত্তরাখণ্ড জুড়ে রয়েছে চাপা উত্তেজনা। অঙ্কিতার জন্য বিচারের দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হচ্ছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। আজ অঙ্কিতার শেষকৃত্যের কথা ছিল। তবে তাঁর পরিজনেরা শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে অস্বীকার করেছেন। তাঁর জানাচ্ছেন, যতক্ষণ না ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসছে, ততক্ষণ শেষকৃত্য করা হবে না।
সরকারের কাছে নিজের প্রশ্নের জবাব চেয়েছেন অঙ্কিতা ভান্ডারির বাবা বীরেন্দ্র ভান্ডারি। সরকার রিসর্ট কেন ভাঙল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, সেখানেই ছিল সমস্ত তথ্য প্রমাণ। একইসঙ্গে দোষীদের দ্রুত শাস্তি দিতে এই হত্যার বিচার প্রক্রিয়া ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে চালানোর দাবিও জানানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির নির্দেশের ভিত্তিতে শুক্রবার বিসর্টের কিছু অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দলের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে অভিযুক্ত পুলকিত আর্যর বাবা বিনোদ আর্য এবং ভাই অঙ্কিত আর্যকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেছে। পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডের অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানের পদ থেকেও অঙ্কিতকে সরিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
অঙ্কিতা ভান্ডারির হত্যার প্রতিবাদে শনিবার ঋষিকেশ এইমসের বাইরে ভিড় জমান বহু মানুষ। দোষীদের ফাঁসির দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা। একইসঙ্গে প্রধান অভিযুক্ত বিজেপি নেতার ছেলে, তাই রাজ্য সরকার মামলাটি ধামাচাপাও দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও বিক্ষোভকারীদের দাবি। গোটা ঘটনায় উত্তরাখণ্ডে গেরুয়া শিবির কিছুটা চাপে পড়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।