
হোলি শুরু হয়ে গেছে। দেশজুড়ে চলছে রঙের উৎসবের উদযাপন। হোলি হল রঙ, ভাল খাবার, মিষ্টি এবং বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের দিন। তবে অনেকেই দুধ, বাদাম এবং মশলায় তৈরি ঠান্ডাই খেতে পছন্দ করে। তারসঙ্গে একটু ভাঙ মিশিয়েও পান করে অনেকে।
Zomato টুইটারে তাদের পোস্টে একজন গ্রাহককে ভাং নিয়ে জিজ্ঞাসা করার বিষয়ে একটু মজা করে উত্তর দিয়েছিল। যা নজর কেড়েছে সকলের। পোস্টটি দিল্লি পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল এবং তাদের প্রতিক্রিয়া ছিল একেবারে অন্যরকম।
পোস্টে লেখা হয়েছে, "কেউ দয়া করে গুরগাঁও থেকে শুভমকে বলুন আমরা ভাংয়ের বড়ি ডেলিভারি করি না। তিনি আমাদের ১৪ বার জিজ্ঞাসা করেছেন"
মনে করা হয়, সমুদ্র মন্থনের সময় যে বিষ বেরিয়েছিল তা শিব গলা দিয়ে নামতে দেননি। এই বিষ খুব গরম ছিল। এর ফলে শিব গরম অনুভব করতে লাগলেন। শিব কৈলাস পর্বতে গেলেন। বিষের তাপ কমানোর জন্য শিব ভাঙ সেবন করেন। ভাংকে শীতল বলে মনে করা হয়। সেই থেকে ভগবান শিব ভাঙ খুব পছন্দ করেন। ভগবান শিবের পূজার সময়ও ভাং ব্যবহার করা হয়। ভাঙ ছাড়া শিবের পূজা অসম্পূর্ণ বলে বিশ্বাস করা হয়। কথিত আছে, শিব পূজায় ভাঙ নিবেদন করলে ভগবান শিব প্রসন্ন হন। ভাঙের সঙ্গে ধুতরা এবং বেল পাতাও দেওয়া হয়।
হোলির দিনে কেন ভাঙ খাওয়া হয়?
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, হোলির দিনে ভগবান শিব ও বিষ্ণু বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ভাঙ সেবন করেন। প্রকৃতপক্ষে বিশ্বাস করা হয় যে ভক্ত প্রহ্লাদকে হত্যার চেষ্টাকারী হিরণ্যকশিপুকে হত্যা করার জন্য ভগবান বিষ্ণু নরসিংহের রূপ ধারণ করেছিলেন। কিন্তু হিরণ্যকশিপুকে হত্যা করার পর তিনি ক্ষিপ্ত হন। তাকে শান্ত করতে ভগবান শিব শরভ অবতার গ্রহণ করেন। হোলির দিনে ভাঙ খাওয়ার এটিও একটি কারণ বলে মনে করা হয়। এটি প্রসাদ হিসাবে খাওয়া হয়। এ ছাড়া আরও অনেক গল্প জনপ্রিয়।