Advertisement

Happy Father's Day 2022 : বাবার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি? সমস্য়া দূর করতে জ্য়োতিষে রয়েছে সমাধান

Happy Father's Day 2022: আসছে ফাদার্স ডে। সারা দুনিয়ায় এই দিনটি পালন করা হয়। মা-বাবা যে কোনও সন্তানের সবথেকে বড় ভরসা। নিজের আশা-আকাঙ্খা ত্যাগ করে দুনিয়ার সব বাবা চান, তাঁর সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে।

বাবার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি? সমস্য়া দূর করতে জ্য়োতিষে রয়েছে সমাধান (প্রতীকী ছবি)বাবার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি? সমস্য়া দূর করতে জ্য়োতিষে রয়েছে সমাধান (প্রতীকী ছবি)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Jun 2022,
  • अपडेटेड 8:25 PM IST
  • আসছে ফাদার্স ডে
  • সারা দুনিয়ায় এই দিনটি পালন করা হয়
  • মা-বাবা যে কোনও সন্তানের সবথেকে বড় ভরসা

আসছে ফাদার্স ডে। সারা দুনিয়ায় এই দিনটি পালন করা হয়। মা-বাবা যে কোনও সন্তানের সবথেকে বড় ভরসা। নিজের আশা-আকাঙ্খা ত্যাগ করে দুনিয়ার সব বাবা চান, তাঁর সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে।

মতের অমিল হয়
তবে আর পাঁচটা সম্পর্কের মতো বাবার সঙ্গে সন্তানদের মধ্যে মতের অমিল নতুন কোনও ব্য়াপার নয়। হামেশাই এমন হয়। আর অনেক সময় তা কেটেও যায়। তবে তা যদি না হয়, তখন কী করা যায়? জ্য়োতিষে তার উপায় রয়েছে। করতে গহবে সহজ কিছু কাজ।

আর তারপর বাবার সঙ্গে সম্পর্ক আবার মধুর হয়ে যাবে। পরিস্থিতি, পরিবেশ হয়ে উঠবে আগের মতোই। জীবনের সহথেকে বড় আশ্রয়ে আবার মাথা গোঁজা যাবে।

যা করা দরকার
বাবার সঙ্গে যদি কোনও কারণে ভুল বোঝাবুঝি হয়, বোঝাপড়া ঠিক না থাকে, তা হলে কিছু কাজ করতে হবে। তা হলে সে সব মিটে যাবে। সে ব্যাপারে আরও জেনে নেওয়া যাক। 

সূর্যদেবকে প্রতিদিন জল অর্পণ করুন ওম ঘ্রণ সূর্যায় নমঃ ১০৮ বার জপ করুন। শনিবার সুন্দরকাণ্ড পড়ুন। ১০ জন দুঃস্থ মানুষকে খাওয়ান। বাবার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক মধুর হয়ে যাবে। 

একটা শব্দ, বড় আশ্রয়
বাবা। এই শব্দটার মধ্যেই যেন আছে লুকিয়ে সমস্ত আশ্রয়। সন্তান যখন খুব ছোট, কোনও কাজই করতে পারে না, তখন বাবার বুকের ওমে পরম শান্তিতে ঘুমোই। তারপর এখটু একটু করে হাঁটতে শিখি। 

টলমল পায়ে রাস্তায় নামি। বাবা আমাদের ছোট ছোট আঙুল ধরে হাঁটতে শেখান, রাস্তা চেনান। পড়ে গেলে সাহস জোগান। বাবার কাঁধে চড়েই নামি সমুদ্রে। আবদার মেটাতে বাবা কখনও হয়ে ওঠেন খেলার সঙ্গী, কখনও আবার মায়ের পিটুনির হাত থেকে বাঁচানোর রক্ষাকর্তা। 

Advertisement

তারপর আমরা বড় হই। স্কুল-কলেজ শেষে চাকরি-কর্মক্ষেত্রের চাপ। ডুবে যাই। শৈশবটা ঝুপ করে দূরে সরতে শুরু করে। কিন্তু তখনও আশ্রয় সেই বাবা। আমাদের সমাজে এখনও খুব কম সংখ্যক মা অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর। 

ফলে বেশিরভাগ সময়ই বাবা সন্তানের লেখাপড়ার খরচ জোগান। কীভাবে তাঁর সন্তান জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবে, কোন পেশায় গেলে ভালো করবে, এই সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে  তুলে নেন তিনি। তিন তিল করে গড়ে তোলা জীবনের সঞ্চয় ঢেলে দেন সন্তানকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর কাজ।

তাঁর সঙ্গে মতপার্থক্য হলে কথা বলে সমাধান তো রয়েছেই। এর পাশাপাশি রয়েছে জ্যোতিষের উপায়। তা করলে সব সমস্যার সমাধান হতেই পারে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement