Divorce Astrology: একটি সফল পারিবারিক জীবনের জন্য, স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে সব গুণাবলী পূরণ হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই গুণগুলি রাশিফলের মাধ্যমে বিচার করা হয়। যেকোনও ব্যক্তির জন্ম তারিখ, সময় এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে তার রাশিফল তৈরি করা হয়। জন্মের সময় রাশির অবস্থান দেখে এই রাশিফল তৈরি করা হয়। তারপর বিয়ের সময় ছেলে মেয়ের রাশিফল মেলানো হয়।
বৈবাহিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিতে কোষ্ঠীতে মিল করা হয় - কোষ্ঠী অধ্যয়ন, ভব মিল, অষ্টকূট মিল, মঙ্গল দোষ ধারণা, দশা ধারণা। উত্তর ভারতে, অষ্টকূট মিলের প্রচলন রয়েছে যখন দক্ষিণ ভারতে, দশকূট মিলের পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। এই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দিকের মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি বিবেচনা করতে হবে তা হল অষ্টকূট মিলের ধারণা। অষ্টকূট মিলন মানে আটটি উপায়ে বর-কনের মিলন যা গুণ মিলন নামে পরিচিত। এই গুণগুলির একটু যদি ভুলচুক হয় সমস্যায় পড়তে হয়। বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত হতে পারে।
কত গুণ পেলে বিবাহ সিদ্ধ মনে করা হয়?
বিবাহে ৩৬টি গুণ রয়েছে, পাত্র ও পাত্রীর যত বেশি গুণ থাকবে, বিবাহ তত বেশি সফল হবে বলে বিবেচিত হয়।
১৮ বছরের কম গুণ মিললে - বিবাহযোগ্য নয় বা অসফল বিবাহ।
১৮ থেকে ২৫ গুণ- বিবাহের জন্য ভাল মিল
২৫ থেকে ৩২ গুণ- বিবাহের জন্য সেরা মিল, বিবাহ সফল হয়
৩২ থেকে ৩৬ গুণ- এটি সেরা মিল, এই বিবাহ সফল হয়
এছাড়াও, দাম্পত্য সম্পর্কে মঙ্গল গ্রহের বড় ভূমিকা প্রবল। মঙ্গলের অবস্থান খারাপ থাকলে মাঙ্গলিক দশা হয়। কোষ্ঠীতে প্রথম, চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম অথবা দ্বাদশ ঘরে মঙ্গল থাকলে তা অন্য কোনও অশুভ গ্রহের সঙ্গে যুক্ত হলে ডিভোর্স হতে পারে।
জ্যোতিষ মতে, কোষ্ঠীর সপ্তম ঘরের অধিপতি গ্রহ যদি ষষ্ঠ মঙ্গলের সঙ্গে অবস্থান করে, তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মতপার্থক্য হতে পারে। তা যদি শনির সঙ্গে অবস্থান করে তবে ডিভোর্স হতে পারে। সূর্যের অবস্থান থাকলে ডিভোর্স হতে পারে।