Advertisement

Medical Fees Structure : বড় সিদ্ধান্ত, কমছে ডাক্তারি পড়ার খরচ; হয়ে গেল ঘোষণাও

অবশেষে পূরণ হল মেডিক্যাল পড়ুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবি। ভারতে ডাক্তারি পড়া যথেষ্ট ব্যয়বহুল। দরিদ্র শ্রেণীর অনেক শিক্ষার্থী ব্যয়ের বোঝার কারণে ডাক্তারি পড়া থেকে বঞ্চিত। এই ঘাটতি মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন। কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে , এবার বেসরকারি ও ডিম্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ শতাংশ আসন এমন হবে যেখানে ছাত্রদের কাছ থেকে ঠিক ততটাই ফি নেওয়া হবে, যতটা রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে নেওয়া হবে।

ডাক্তারি পড়ার খরচ কমছে, বড় সিদ্ধান্ত ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনেরডাক্তারি পড়ার খরচ কমছে, বড় সিদ্ধান্ত ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 05 Feb 2022,
  • अपडेटेड 10:51 PM IST
  • দরিদ্র শ্রেণীর অনেক শিক্ষার্থী ব্যয়ের বোঝার কারণে ডাক্তারি পড়া থেকে বঞ্চিত
  • এই ঘাটতি মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন
  • দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি করে আসছিলেন মেডিক্যালের পড়ুয়ারা

Medical Fees Structure: অবশেষে পূরণ হল মেডিক্যাল (Medical) পড়ুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবি। ভারতে ডাক্তারি পড়া যথেষ্ট ব্যয়বহুল। দরিদ্র শ্রেণীর অনেক শিক্ষার্থী ব্যয়ের বোঝার কারণে ডাক্তারি পড়া থেকে বঞ্চিত। এই ঘাটতি মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (National Medical Commission)। কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে , এবার বেসরকারি ও ডিম্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশ শতাংশ আসন এমন হবে যেখানে ছাত্রদের কাছ থেকে ঠিক ততটাই ফি নেওয়া হবে, যতটা রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে নেওয়া হয়।

এক্ষেত্রে এটা স্পষ্ট যে, এই উদ্যোগের সুফল প্রথমে পাবেন যারা সরকারি কোটায় আসন পেয়েছেন এমন পড়ুয়ারা। কোনও কলেজে সরকারি কোটার আসন ৫০ শতাংশের কম হলে, মেধার ভিত্তিতেও শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে এবং কম ফি দিয়ে সুবিধা দেওয়া যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। 

দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি করে আসছিলেন মেডিক্যালের পড়ুয়ারা। একাধিকবার দাবি উঠেছে, মেডিক্যাল কলেজের ফি কমানো নিয়ে। এই দাবি আরও জোরালো হয়েছিল কোভিড কালে। সেই দাবিতে অবশেষে রাজি হয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন। এমন একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে অভাবী শিক্ষার্থীরা স্বল্প বেতনে মেডিক্যাল পড়ার সুযোগ পাবে।

উল্লেখ্য ,এই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে প্রায় তিন বছর সময় লাগিয়ে দেয় কমিশন। ২০১৯-এ একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর কোর্সের ফি নিয়ে চিন্তাভাবনা করে ছিল এই কমিটির কাজ। তারপর জনগণের মতামত নিয়ে একটি কাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিল, যাতে সবাই সমান সুযোগ পায়। 

মেডিক্যাল কমিশনের সাইটেও এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। সেখানে বিস্তারিতভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement