Advertisement

TMC BJP clash: জগদ্দল থানার সামনেই তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, ইটবৃষ্টি, এখন কী পরিস্থিতি?

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে উত্তপ্ত ভাটপাড়ার জগদ্দল এলাকা। রবিবার রাতেই জগদ্দল থানার সামনে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সময় দুই দলের কর্মীরা একে অপরের দিকে পাথর ছোড়ে বলে প্রাথামিকভাবে অভিযোগ। যার জেরে ইতিমধ্যেই পুলিশ স্টেশনের বাইরে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা।

তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষতৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:33 AM IST
  • দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে উত্তপ্ত ভাটপাড়ার জগদ্দল এলাকা
  • রবিবার রাতেই জগদ্দল থানার সামনে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়
  • জেরে ইতিমধ্যেই পুলিশ স্টেশনের বাইরে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে উত্তপ্ত ভাটপাড়ার জগদ্দল এলাকা। রবিবার রাতেই জগদ্দল থানার সামনে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সময় দুই দলের কর্মীরা একে অপরের দিকে পাথর ছোড়ে বলে প্রাথামিকভাবে অভিযোগ। যার জেরে ইতিমধ্যেই পুলিশ স্টেশনের বাইরে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা।

ঘটনার সূত্রপাত কোথায়? 
সূত্রের খবর, এই গন্ডগোলের সূচনা হয় আটচলা বাগান এলাকায়। সেখানে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি অ্যাকশন নেয় নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে উপস্থিত হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ব়্যাফ। তারা সংঘর্ষ থামায়।

এমন পরিস্থিতিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে জগদ্দল থানায় অর্জুনকে নিয়ে উপস্থিত হন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্জুন সিং। এই সময়ই তৃণমূলের দুষ্কৃতিরা তাঁদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তখনই উত্তপ্ত হয়ে যায় পরিস্থিতি। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।

রাজেশ জানান, তাঁদের উপর ইটবৃষ্টি করা হয়েছে। আর এমন অনভিপ্রেত ঘটনা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্ররোচনাতেই ঘটেছে বলে জোর গলায় দাবি করেছেন তিনি।

যদিও এহেন অভিযোগ মানতে চাননি ভাটপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী অমিত গুপ্ত। উল্টে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধেই সুর চড়ান। তাঁর দাবি, তৃণমূলেরই এক কর্মীকে মারধর করে বিজেপি। অভিযোগ জানাতে থানায় এলে অর্জুন এবং তাঁর অনুগামীরা আবার হামলা চালায়। 

এলাকাবাসীদের তরফে খবর, এই সময় দুই পক্ষের মধ্যেই ব্যাপক ইটবৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি কাবুতে আনতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। ইতিমধ্যেই রাতে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ওই এলাকায়। এখন দেখার পরিস্থিতি কত তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়। 

মাখায় রাখতে হবে, বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। এই দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন। যদিও নির্বাচনের আগে একের পর এক অশান্তির খবর আসছে। এই যেমন ভাঙড়ে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর তাজা বোমা। তৃণমূলকর্মীর বাড়ি থেকেই মিলেছে বোমাগুলি। এর পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার ফলে এই ঘটনার তদন্তের ভার পুলিশের থেকে এনআইএর কাঁধে চলে গিয়েছে। তারপর আবার জগদ্দলে এমন ঘটনা ঘটল। তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল এলাকা। এখন দেখার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ঠিক কেমন হয়।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement