Advertisement

Suvendu Vs Mamata: 'ওঁর পরাজয় নিশ্চিত, নিজেই বুঝতে পেরেছেন', ভবানীপুরে রেগে মমতা মঞ্চ ছাড়তেই কটাক্ষ শুভেন্দুর

আগামী বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট। প্রচার চলছে এখন জোরকদমে। এরমাঝেই সবার নজর হাইভোল্টেজ ভবানীপুর কেন্দ্রের দিকে। যেখানে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভোটের ময়দানে লড়ছেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা। শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর প্রচার ঘিরে দেখা দেয় তুমুল উত্তেজনা। গোটা বিষয়টিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারের ভয় পেয়েছেন বলে কটাক্ষ করেছেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

 ভবানীপুরে মমতা মঞ্চ ছাড়তেই কটাক্ষ শুভেন্দুর ভবানীপুরে মমতা মঞ্চ ছাড়তেই কটাক্ষ শুভেন্দুর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:03 AM IST

আগামী বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট। প্রচার চলছে এখন জোরকদমে। এরমাঝেই সবার নজর হাইভোল্টেজ ভবানীপুর কেন্দ্রের দিকে। যেখানে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভোটের ময়দানে লড়ছেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা। শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর প্রচার ঘিরে দেখা দেয় তুমুল উত্তেজনা। গোটা বিষয়টিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারের ভয় পেয়েছেন বলে কটাক্ষ করেছেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলে চক্রবেড়িয়া রোডে তৃণমূলনেত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার কাছেই বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভার আয়োজনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, পার্শ্ববর্তী সভার মাইকের আওয়াজে ক্ষুব্ধ হয়ে মাঝপথেই বক্তৃতা থামিয়ে মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা করেছেন এলাকার বিজেপি প্রার্থী। 

তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ ছিল, তাঁর জনসভায় বিঘ্ন ঘটাতেই মাত্র ১০০ মিটার দূরে অত্যন্ত উচ্চস্বরে মাইক বাজাচ্ছিল বিজেপি। বিরক্তি প্রকাশ করে উপস্থিত জনতার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে সভা ত্যাগ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রস্থানের পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন। বচসা থেকে সংঘর্ষের উপক্রম হলে দ্রুত বিশাল পুলিশ বাহিনী ও নিরাপত্তা কর্মীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনার সময় শুভেন্দু অধিকারী সভাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও, পরবর্তীতে তিনি এই ঘটনার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেন। তৃণমূলের এই আচরণকে ‘গুন্ডারাজ’ বলে কটাক্ষ করে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, বিজেপি এর যোগ্য জবাব দেবে। 

শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, 'তাঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যায় যে তিনি আসন্ন পরাজয় নিয়ে উদ্বিগ্ন।' শুভেন্দু  দাবি করেন, 'তাঁর সভায় কোনও হিংসা বা বাধা সৃষ্টি করা হয়নি এবং তাঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আচরণ তাঁর উদ্বেগই প্রকাশ করছে। ৪ মে ভবানীপুরের মানুষ বিজেপির বিজয় উদযাপন করবে।' তিনি আরও অভিযোগ করেন , টিএমসি উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে তাঁর সভা ব্যাহত করার চেষ্টা করেছিল।

Advertisement

শুভেন্দু বলেন, 'আমার জনসংযোগ করার জন্য ভবানীপুর থানা এলাকায় অনুমতি ছিল। কালীঘাটের দিকটা অনুমতি ছিল না। আমি সেখানে যাইনি। কিন্তু, আমার রাস্তাতেও ইতরের দল, নর্দমার কীট, মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস চোরের দল মাইক বাজিয়েছি। আমি ভবানীপুর থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ করব, কালীঘাট থানার বিরুদ্ধেও অভিযোগ করব নির্বাচন কমিশনের কাছে।'

উল্লেখ্য, ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন দাখিল করার দিনও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। অমিত শাহকে নিয়ে বিজেপির রোড শো ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল কালীঘাট চত্বরে। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অমিত শাহের রোড শো পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। দেওয়া হয় ‘চোর-চোর’ স্লোগানও। পালটা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। স্লোগান ও পালটা স্লোগানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি একেবারে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল সেই সময়ে। আগামী ২৯ এপ্রিল এই আসনে ভোটগ্রহণ। 
 

Read more!
Advertisement
Advertisement