Advertisement

Nandigram Vote Result: নন্দীগ্রামের রেজাল্ট আউট, পবিত্র নাকি শুভেন্দু, শেষ হাসি হাসল কে?

একুশের পর ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখল নন্দীগ্রাম। মোট ১১জন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই ছিল বিজেপি-র শুভেন্দু অধিকারী ও তৃণমূল কংগ্রেসের পবিত্র করের মধ্যে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর সেই আসন জিতল শুভেন্দু অধিকারী।

নন্দীগ্রামে ভোটগণনা সম্পন্ন, পবিত্র নাকি শুভেন্দু?নন্দীগ্রামে ভোটগণনা সম্পন্ন, পবিত্র নাকি শুভেন্দু?
Aajtak Bangla
  • নন্দীগ্রাম,
  • 04 May 2026,
  • अपडेटेड 6:54 PM IST
  • ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখল নন্দীগ্রাম।
  • মূল লড়াই ছিল শুভেন্দু অধিকারী ও পবিত্র করের মধ্যে।
  • ১০ হাজার ২০০ ভোটে জয়ী হয়েছেন মেদিনীপুরের ঘরের ছেলে।

একুশের পর ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখল নন্দীগ্রাম। মোট ১১জন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই ছিল বিজেপি-র শুভেন্দু অধিকারী ও তৃণমূল কংগ্রেসের পবিত্র করের মধ্যে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর সেই আসন জিতল শুভেন্দু অধিকারী। ১০ হাজার ২০০ ভোটে জয়ী হয়েছেন মেদিনীপুরের ঘরের ছেলে।

কে কত ভোট পেলেন?

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুসারে, শুভেন্দু অধিকারী ১৬ রাউন্ডের গণনার শেষে ভোট পেয়েছেন ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩১০ জন। আর পবিত্র কর পেয়েছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ১১৯ জন। তবে সূত্রের খবর, পরের দুটি রাউন্ড অর্থাৎ ১৭ ও ১৮ রাউন্ডের গণনায় আরও ভোট পেয়ে ১০ হাজার ২০০ ভোটে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

নন্দীগ্রামে আর কে কত ভোট পেলেন?

নন্দীগ্রামে পৃথক ভাবে লড়েছে CPI ও AISF। ১৬ রাউন্ডের গণনার শেষে CPI -এর প্রার্থী শান্তি গোপাল গিরির প্রাপ্তি ২৭৪৯ জন। অন্যদিকে, ISF প্রার্থী পেয়েছেন সাবে মিরাজ খান।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভরকেন্দ্র ছিল নন্দীগ্রাম। ওই বছরের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা-শুভেন্দুর মুখোমুখি দ্বৈরথ ভোটে অন্য মাত্রা এনে দেয়। শুভেন্দুর বিপক্ষে হেরে যান মমতা। ১৯৫৬ ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। বলা হয়, নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর অন্যতম সহযোগী ছিলেন পবিত্র কর।

২০২৬-এর নির্বাচনের মাত্র কয়েকমাস আগে এই পবিত্র কর পদ্ম ছেড়ে ঘাসফুল ধরেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকে জয় এনে দিতে ব্যর্থ হলেন পবিত্র। 

নন্দীগ্রামের স্থানীয় সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই সেখানে গেরুয়া আবির মেখে উচ্ছ্বাস শুরু হয়ে গিয়েছে। ঢিল ছোড়া দূরত্বে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে একে একে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা পার্টি অফিস বন্ধ করে বাড়ি চলে যাচ্ছেন। তৃণমূলের দখলে থাকা এলাকা কার্যত শুনশান হয়ে গিয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement