
সকাল থেকে ভবানীপুর কেন্দ্রের বুথে বুথে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘুরতে দেখা যায়। মমতার এহেন হাবভাব 'প্যানিক রিঅ্যাকশন' বলে দাবি করেন বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সেই সঙ্গে তিনি এও জানান, ভোটের আগেই যা হিংসা হওয়ার, হয়ে গেছে। তাই আজ আর নতুন করে হওয়ার কিছু নেই। তাঁর মন্তব্য বাংলায় ভোটের আগে ও পরে হিংসা হয়। ভোটের দিন এতটাও হয় না।
মমতার প্রসঙ্গে অধীর বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এত জনপ্রিয়, তাঁর বুথে বুথে যাওয়া দেখে মনে হচ্ছে ভবানীপুর আসন নিয়ে তিনি ভীত, সন্ত্রস্ত। তাঁর এত তৎপরতা প্রয়োজন ছিল না। ওনার প্যানিক রিঅ্যাকশন কাজ করছে।"
এত সংখ্যক মানুষ ভোট দেওয়ায় অধীরের প্রতিক্রিয়া, "এবার নির্বাচনে যেভাবে মানুষ অংশগ্রহণ করেছে তা উল্লেখযোগ্য। প্রথম দফাতে ৯৩ শতাংশ ভোট দিয়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, এখানে বিপুল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া, SIR আতঙ্ক তাড়া করছে। ভোট না দিলে ভোটাধিকার চলে যাবে এই ভয়ে। পশ্চিমবঙ্গে কোনও কাউন্টার, এনকাউন্টারের দরকার ছিল না।"
বুধবার সকাল থেকেই নজিরবিহীন ভাবে মমতা বেরিয়ে পড়েন বাড়ি থেকে। বিভিন্ন বুথে বুথে ঘুরে পরিদর্শন করেন তিনি। এরই মধ্যে এক ভোটার অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন।
সংবাদ সংস্থার দেওয়া ভিডিওতে ওই ব্যক্তি বলেন, "তিনি বুঝে গিয়েছেন, যে তিনি ভোটে হেরে যাচ্ছেন। তাই গাড়ি করে গুন্ডা নিয়ে এসেছেন। এমনই কটা লোক মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের গাড়ি থেকে নেমে আমাদের হুমকি দিয়েছে।" এই নিয়েই বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন মমতা।