Advertisement

EVM Allegation Falta: ফলতায় রিগিং চলছে? BJP-র বোতাম জ্যামের অভিযোগ দেবাংশুর, VIDEO পোস্ট গেরুয়া শিবিরের

EVM malfunction Falta: ফলতা কেন্দ্রে ইভিএম (EVM) কারচুপির অভিযোগ তুলল গেরুয়া শিবির। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, একাধিক বুথে তাঁর নামের সামনে থাকা বোতাম কাজই করছে না।

বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, একাধিক বুথে তাঁর নামের সামনে থাকা বোতাম কাজই করছে না। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, একাধিক বুথে তাঁর নামের সামনে থাকা বোতাম কাজই করছে না।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:38 AM IST
  • ফলতা কেন্দ্রে ইভিএম (EVM) কারচুপির অভিযোগ তুলল গেরুয়া শিবির।
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা।
  • তাঁর দাবি, একাধিক বুথে তাঁর নামের সামনে থাকা বোতাম কাজই করছে না।

EVM malfunction Falta: ফলতা কেন্দ্রে ইভিএম (EVM) কারচুপির অভিযোগ তুলল গেরুয়া শিবির। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, একাধিক বুথে তাঁর নামের সামনে থাকা বোতাম কাজই করছে না। সেগুলি টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ফলে বহু ভোটার নাকি ভোট দিতে পারেননি। এমনই অভিযোগ তুলেছেন দেবাংশু।

ঘটনাটি সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই ইভিএমে তাঁর দলের প্রতীকের সামনে থাকা বোতাম ‘জ্যাম’ করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর কথায়, 'ভোটাররা বোতাম চাপতে পারছিলেন না। এতে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হয়েছে।' যদিও এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কমিশনের কোনও অফিসিয়াল বিবৃতি মেলেনি।

বিজেপির দাবি, এর মাধ্যমে ভোট প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেছেন, ফলতার একাধিক বুথে বিজেপির ভোট দেওয়ার অপশন টেপ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। লেখেন, 'এই হল তথাকথিত ডায়মন্ড হারবার মডেল।' তিনি আরও দাবি করেন, 'এই একই কৌশল ব্যবহার করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর লোকসভা আসন জিতেছিলেন।'

অমিত মালব্যর পোস্টে আরও বলা হয়েছে, ফলতার যেসব বুথে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে অবিলম্বে পুনর্নির্বাচন (রিপোল) করতে হবে। তিনি নির্দিষ্ট করে কয়েকটি বুথের তথ্যও দিয়েছেন। যেমন, ফলতা ১৪৪, পার্ট ১৭০, হারিণডাঙা হাই স্কুলের ২ নম্বর কক্ষ। পাশাপাশি বুথ ১৮৯-সহ আরও কয়েকটি বুথেও একই ধরনের সমস্যা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের মতো সংবেদনশীল প্রক্রিয়ায় এমন অভিযোগ সামনে আসায় প্রশ্ন উঠছে স্বচ্ছতা নিয়ে। যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এখন দেখার, প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে ঠিত কী পদক্ষেপ নেয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement