
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৯ তারিখ মহারাষ্ট্র নিবাস হলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। এর পাশাপাশি ভবানীপুরের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই রয়েছে তাঁর জনসংযোগ ও প্রচার কর্মসূচি।
২০ তারিখ ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সভা করার কথা রয়েছে। এরপর ২৪ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত লাগাতার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। সবশেষে, ২৭ তারিখ একটি মেগা রোড শো করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর শেষ প্রচার কর্মসূচি হিসেবে ধরা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ভবানীপুরে সংগঠনকে আরও মজবুত করতে তৃণমূলের শীর্ষ নেতারাও প্রতিদিন সক্রিয় রয়েছেন। সুব্রত বক্সি, জয়প্রকাশ মজুমদার, ফিরহাদ হাকিম এবং দেবাশিস কুমার-সহ স্থানীয় কাউন্সিলাররা নিয়মিত মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন। তাঁরা রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরছেন সাধারণ মানুষের সামনে।
তৃণমূলের দাবি, ভবানীপুর আসলে ‘মিনি ভারতবর্ষ’। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন। সবাই মিলেমিশে উৎসব পালন করেন, আবার নিজেদের পেশাগত জীবনেও সমানভাবে ব্যস্ত থাকেন। এই বহুত্ববাদী চরিত্রকেই সামনে রেখে ভোটের ময়দানে প্রচার চালাচ্ছে ঘাসফুল শিবির।